

সাদমান আজও অতীতের শোকের ছায়া থেকে বের হতে পারেনি। নতুন জীবন, নতুন সম্পর্কের আহ্বান এলেই এক অদৃশ্য অপরাধবোধ তার এগিয়ে যাওয়ার পথ আগলে দাঁড়ায়। প্রিয়তমা স্ত্রী মিথিলার মৃত্যু কি কেবলই একটি দুর্ঘটনা ছিল? নাকি এর পেছনে লুকিয়ে আছে এমন কোনো সত্য, যা সে নিজেও স্বীকার করতে ভয় পায়? যাকে সে আজও ভালোবাসে, তাকে সে খুন করবে কেন? অরিন, বিরল এক রোগে বাকহীন। হয়তো এই নীরবতাই কেড়ে নিয়েছে তার স্বপ্নের পুরুষকে। তাকে হারানোর শোক অরিনকে স্বেচ্ছায় দীর্ঘদিন গৃহবন্দী করে রেখেছিল; কিন্তু হঠাৎই আসে এক অদ্ভুত সুযোগ—যেন ভাগ্য নিজেই কলম তুলে তার জীবনের দিক পাল্টে দিতে চায়। বিদেশি সিনেমাগুলোর মতো কি সত্যিই অতীতে ফেরা যায়? ভালোবাসা কি দ্বিতীয়বার সুযোগ পায়? আর কে বসে বসে আমাদের জীবনের এমন ভয়ংকর বাঁক বদল করে দেয়? অরিনের কাছে সবই স্বপ্নের মতো লাগে, অবিশ্বাস্য মনে হয়। তবু এই সুযোগ সে হারাতে চায় না। সমস্ত ভালোবাসার বিনিময়ে হলেও, এবার সে তার স্বপ্নের পুরুষকে অর্জন করবেই।
""আবর্ত" একটি সহজ সরল সুন্দর গল্প। এই গল্পে প্রেম আছে, ভালোবাসা আছে, দুঃখ-কষ্ট আছে, রহস্য আছে, ভালোবাসার মানুষকে পাওয়ার ব্যাকুলতা আছে, আছে রাজনীতির নোংরা দিক। এটাকে শুধুই আমি একটা রোমান্টিক উপন্যাস বলতে পারি না। তবে এটা খুবই সরল একটা গল্প। কোন অতিরঞ্জিত ঘটনা নেই, অনেক বেশি লুতুপুতু রোমান্টিক ঘটনা নেই। আর এ কারণে জবরুল ইসলামের গল্প পড়তে ভালো লাগে কারণ ওনার গল্প বলার ধরনটা সুন্দর। আবর্ত" উপন্যাসে অনেকবার অতীত বর্তমানের কাহিনী মিলিয়ে লেখা হয়েছে কিন্তু পড়তে একটুও অস্বস্তি লাগে নি। মনে হচ্ছিলো আগে থেকে বুজা যাচ্ছে এখন এই গল্পটা বলা হবে। এবার আসি চরিত্রের কথায়। অরিনকে আমার প্রথমে খুবই ব্যক্তিত্বহীন লাগছিলো, কিন্তু ভালোবাসার মানুষকে পাওয়ার কি ব্যাকুলতা আমি অরিনকে না পড়লে জানতাম না। একটা মানুষ শত অপমান অবহেলা সহ্য করেও যে ভালোবাসতে পারে সেটা "অরিন" চরিত্রটিকে দেখলে জানা যায়। ওর কষ্টে, ওর ব্যাকুলতায় আমার বারবার চোখ ভিজে আসছিলো। "আর্বত" পড়লে আপনি আপনি বুজতে পারবেন, খাটি ভালোবাসা ফেলে মানুষ অতীত ও ভুলতে পারে। দ্বিতীয় বারও ভালোবাসতে পারে। তবে "আবর্ত" নিয়ে আমার একটা অবজেকশন আছে, সাদমানের স্ত্রীর মৃত্যুর কারণটা নিয়ে একটা অবজেকশন আছে। সেটা এখানে বলবো না। বললে স্পয়লার হয়ে যাবে। রেটিং: ১০/৮"
"আবর্ত" একটি সহজ সরল সুন্দর গল্প। এই গল্পে প্রেম আছে, ভালোবাসা আছে, দুঃখ-কষ্ট আছে, রহস্য আছে, ভালোবাসার মানুষকে পাওয়ার ব্যাকুলতা আছে, আছে রাজনীতির নোংরা দিক। এটাকে শুধুই আমি একটা রোমান্টিক উপন্যাস বলতে পারি না। তবে এটা খুবই সরল একটা গল্প। কোন অতিরঞ্জিত ঘটনা নেই, অনেক বেশি লুতুপুতু রোমান্টিক ঘটনা নেই। আর এ কারণে জবরুল ইসলামের গল্প পড়তে ভালো লাগে কারণ ওনার গল্প বলার ধরনটা সুন্দর। আবর্ত" উপন্যাসে অনেকবার অতীত বর্তমানের কাহিনী মিলিয়ে লেখা হয়েছে কিন্তু পড়তে একটুও অস্বস্তি লাগে নি। মনে হচ্ছিলো আগে থেকে বুজা যাচ্ছে এখন এই গল্পটা বলা হবে। এবার আসি চরিত্রের কথায়। অরিনকে আমার প্রথমে খুবই ব্যক্তিত্বহীন লাগছিলো, কিন্তু ভালোবাসার মানুষকে পাওয়ার কি ব্যাকুলতা আমি অরিনকে না পড়লে জানতাম না। একটা মানুষ শত অপমান অবহেলা সহ্য করেও যে ভালোবাসতে পারে সেটা "অরিন" চরিত্রটিকে দেখলে জানা যায়। ওর কষ্টে, ওর ব্যাকুলতায় আমার বারবার চোখ ভিজে আসছিলো। "আর্বত" পড়লে আপনি আপনি বুজতে পারবেন, খাটি ভালোবাসা ফেলে মানুষ অতীত ও ভুলতে পারে। দ্বিতীয় বারও ভালোবাসতে পারে। তবে "আবর্ত" নিয়ে আমার একটা অবজেকশন আছে, সাদমানের স্ত্রীর মৃত্যুর কারণটা নিয়ে একটা অবজেকশন আছে। সেটা এখানে বলবো না। বললে স্পয়লার হয়ে যাবে। রেটিং: ১০/৮
Read all reviews on the Boitoi app