

তোকে আমি এতটা অপছন্দ কেন করি, জানিস? বিকজ অফ ইউর ডিজগাস্টিং ব্লু আইস। কথাটা বলেই মেয়েটাকে এক ঝটকায় দূরে সরিয়ে দিল সে। প্রিসিলা আর কথা বাড়ালো না। চুপচাপ উঠে দাঁড়িয়ে উত্তাল সমুদ্রের অভিমুখে হাঁটতে হাঁটতে বিড়বিড় করল, — এটাই তোমার আমার ভবিতব্য, ইয়াশ। It's destined to have a sad ending। বিপরীতে দাপুটে কণ্ঠ খাদে নামিয়ে স্বগতোক্তি করল ইয়াশ, — A sad ending is actually not an end. It is an infinite love war। বিভ্রমে ডুবে কথাগুলো বলতে বলতে আচমকা সংবিৎ ফিরতেই সামনে তাকাল ইয়াশ। যতদূর চোখ যায়, কেবল উত্তাল জলরাশি। দৃষ্টি সীমানার কোথাও প্রিসিলা নেই। সহসা গা ঝেড়ে তৎক্ষণাৎ উঠে দাঁড়াল সে। ঝড়ো হাওয়ার বেগে সমুদ্রের দিকে ছুটে যেতে যেতে আনমনে বলে উঠল, — But this time, I will definitely change the destiny! বলা হয়, বেদনার রং নীল। অথচ কিছু মানুষ সেই নীল রঙেই আকৃষ্ট হয়। বিষণ্ন এই রঙের মায়ায় বিভোর করে তোলে নিজের সমগ্র জীবন। যেমনটা করেছিল এরীশ ইউভান। দুনিয়াখ্যাত এই টেরোরিস্ট সামান্য নীলের মায়ায় আত্মাহুতি দিয়েছিল নিজের জীবন। ধ্বংস করে দিয়েছিল নিজের প্রতাপের পাহাড়। “তোর আশিকি” ইবুকটি মূলত আমার ধারাবাহিক উপাখ্যান “আমি শুধু চেয়েছি তোমায়”-এর একটি অংশ, যেখানে পাঠকপ্রিয় চরিত্র এরীশ এবং ঈশানীর একমাত্র ছেলে ইয়াশের জীবনের উত্থান-পতন এবং নানান মোড় তুলে ধরা হয়েছে। কেমন হবে, যদি ইয়াশও কোনো নীলাক্ষির মায়ায় জড়িয়ে যায়? ইয়াশের ভবিতব্য যদি তাকে টেনে নিয়ে যায় একই প্রহেলিকায়? তবে তার পরিণতি কী? ডেস্টিনি কি এবার বদলাবে? আদৌ ভালো কিছু উপহার দেবে ইয়াশকে? নাকি পূর্ব ইতিহাসের মতোই বদলে যাবে সব?

"গল্পটা পড়তে গিয়ে কতবার যে এরীশ আর ঈশানির কথা মনে পরেছে বলার বাহিরে যতবার মনে পরেছে ততবার চোখ ভিজে উঠেছে। ইস ওদেরও যদি এমন একটা সুন্দর জীবন হতো সাকুরা আর তার রীশ যদি এভাবে তুষার আর ফ্লোরার মত একসাথে বৃদ্ধ হতো কতইনা ভালো হতো।"
গল্পটা পড়তে গিয়ে কতবার যে এরীশ আর ঈশানির কথা মনে পরেছে বলার বাহিরে যতবার মনে পরেছে ততবার চোখ ভিজে উঠেছে। ইস ওদেরও যদি এমন একটা সুন্দর জীবন হতো সাকুরা আর তার রীশ যদি এভাবে তুষার আর ফ্লোরার মত একসাথে বৃদ্ধ হতো কতইনা ভালো হতো।
Read all reviews on the Boitoi app
onek shundor mon chuya jawar moto baba chele dui tai ek awesome 🥰
exelent
অনেক সুন্দর ছিলো 😊
আপু আপনার গল্প গুলো এত ভাল লাগে কি বলব।খুবি সুন্দর হয়েছে।
মারাত্মক গল্প
এই ই-বুকটা প্রকাশিত হওয়ার দিনে কিনেছিলাম। যখন থেকে জানতে পেরেছিলাম যে এরিশ ইউভানের ছেলেকে নিয়ে এবং প্রকাশিত হবে, তখন থেকেই ভীষণ এক্সাইটেড ছিলাম। কোথা থেকে শুরু করব সেটা ভেবে পাচ্ছিলাম না। ভাবতে ভাবতেই দু-তিন দিন চলে গিয়েছিল তারপর যখন পড়া শুরু করলাম একদিনে পুরোটা শেষ করেছি। সত্যি বলতে যেভাবে এরিশ ইউভানের প্রেমে পড়েছিলাম ঠিক সেভাবেই ইয়াশ ইউভান এর প্রেমে পড়েছি। অসম্ভব সুন্দর একটা গল্প। কল্পনা হয়েও যেন বাস্তব। সুরাইয়া রাফা আপুকে অসম্ভব ধন্যবাদ এত সুন্দর একটা ই-বুক লেখার জন্য। এটা আমার কাছে উপহারস্বরূপ। 🫠💞🫶🏻
khub sundor🥰🥰🥰🥰
❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️
রাফা আপুর লেখা বরাবরই আমার কাছে দারুন লাগে। আর ইয়াশের কথা আর কি বলবো! ইয়াশের চরিত্রটা ছিল একদম মারাক্তক! বারবার মনে হচ্ছিল ইয়াশের মধ্যে আমি এরীশ ইউভানকে খুজে পাচ্ছিলাম। মনে হচ্ছিল ইয়াশই এরীশ ইউভানের আর একটি রূপ। নতুন রূপে আমি এরীশ ইউভান কে পড়ছিলাম। কিন্তু গল্পের শেষের দিকে এসে খুব খারাপ লাগতেছিল, মনে হচ্ছিল সবাই আছে শুধু ঐ দুইজন নেই। তোর আশিকি পড়তে গিয়ে অনেকবার এরীশ আর ঈশানীকে মিস করেছি। কিন্তু তোর আশিকি ই-বুক টাও অনেক সুন্দর ছিল। আসলে এই চরিত্র গুলো কখনো মন থেকে যাবার নয়। বিশেষ করে এরীশ আর ঈশানীকে সব সময় মনে থাকবে। এক কথায় অসাধারণ ছিল দুটো গল্গই।