

"ছাড়ুন। ছাড়ুন আমাকে।" "চেষ্টা করে দেখো, মেয়ে। তুমি এত হালকা কেন? কেউ তোমাকে খেতে দেয় না?" কনক চোখ বন্ধ করে রয়। এখন চিৎকার করে উঠলে মান-সম্মান সব চলে যাবে। এই নেত্রপল্লব কুঞ্চিত করে রাখা মেয়েটা নাবহানের মনে ভীষণ কৌতূহলের জিনিস। সে এগিয়ে এসে কানে নাক ঠেকাল। ফিসফিস করল। উষ্ণ বাতাস ত্বকে লাগতেই মেয়েটা নেতিয়ে গেল একদম। "বিয়ে করতে সমস্যা কী আমাকে? তোমার মা পাঁচ হাজার টাকা নিয়ে চলে গেছে। কিন্তু আমি তোমাকে মোহরানা অনেক বড় অঙ্কে দেব।" "আপনি কেন আমাকে বিয়ে করবেন? ধনী মানুষেরা অযাচিত কিছু করে না।" "এসব মাথায় কে ঢুকিয়েছে?" "আপনাদের তথাকথিত স্বভাবে এসব ভাবতে বাধ্য হয়েছি। ছাড়ুন।" নাবহান কথা গায়ে মাখল না। উল্টো আঠারো বছর বয়সী মেয়েটাকে নিজের বুকে জড়িয়ে হাস্কি ভয়েসে বলল, "প্রিটি গার্ল, জগতের সমস্ত কিছুর কোয়ালিটি শুধু দেখে অবজার্ভ করা যায় না। এজন্য তাদের টেস্ট করতে হয়।" "কীভাবে?" "বিয়ে করে।" "আর না করলে?" "না করলে আমি আছি, তুমি আছো। তাতেই হবে। সমাজে স্বীকৃতি পাবে না এতোটুকু।"
"আপনার গল্প সবসময় আমার অনেক ভালো লাগে। এই সুন্দর।ভালোবাসা, কষ্ট, ভয় আর আবেগ খুব সুন্দরভাবে ফুটে উঠেছে। নাবহান মির্জা চরিত্রটাকে শুরুতেই একটু রহস্যময় ও কঠিন স্বভাবের মনে হলেও তার ভেতরের কোমল দিকটা ধীরে ধীরে প্রকাশ পায়। বাগানের প্রতি তার ভালোবাসা এবং দোলনচাঁপার গাছের প্রতি আলাদা টান গল্পটাকে আরও গভীর অর্থ দিয়েছে। কনকের চরিত্রেও রয়েছে অনেক বাস্তবতা ও আবেগ। নির্জন রাস্তায় একা দাঁড়িয়ে নিজের জীবনের ভয়ংকর বাস্তবতা অনুভব করার অংশটি খুব হৃদয়স্পর্শী। আবার নাবহানের সাথে তার কথোপকথনে রাগ, অভিমান আর ভালোবাসার মিশ্রণ গল্পটাকে জীবন্ত করে তুলেছে। “তুমি আমার বাগানের সেই দোলনচাঁপা” — এই লাইনটি পুরো সম্পর্কের সৌন্দর্যকে এক বাক্যে প্রকাশ করেছে। লেখকের ভাষা সহজ হলেও আবেগপূর্ণ, যা পাঠককে গল্পের সাথে জড়িয়ে রাখে। রোমান্টিক ও আবেগঘন গল্প পছন্দ করলে এই উপন্যাস পাঠকের ভালো লাগবে। সবশেষে এটাই চাওয়া যে, আপনি সুস্থ থাকুন, সাকসেসফুল হন আর আমাদের জন্য সুন্দর সুন্দর গল্প লিখেন।"
আপনার গল্প সবসময় আমার অনেক ভালো লাগে। এই সুন্দর।ভালোবাসা, কষ্ট, ভয় আর আবেগ খুব সুন্দরভাবে ফুটে উঠেছে। নাবহান মির্জা চরিত্রটাকে শুরুতেই একটু রহস্যময় ও কঠিন স্বভাবের মনে হলেও তার ভেতরের কোমল দিকটা ধীরে ধীরে প্রকাশ পায়। বাগানের প্রতি তার ভালোবাসা এবং দোলনচাঁপার গাছের প্রতি আলাদা টান গল্পটাকে আরও গভীর অর্থ দিয়েছে। কনকের চরিত্রেও রয়েছে অনেক বাস্তবতা ও আবেগ। নির্জন রাস্তায় একা দাঁড়িয়ে নিজের জীবনের ভয়ংকর বাস্তবতা অনুভব করার অংশটি খুব হৃদয়স্পর্শী। আবার নাবহানের সাথে তার কথোপকথনে রাগ, অভিমান আর ভালোবাসার মিশ্রণ গল্পটাকে জীবন্ত করে তুলেছে। “তুমি আমার বাগানের সেই দোলনচাঁপা” — এই লাইনটি পুরো সম্পর্কের সৌন্দর্যকে এক বাক্যে প্রকাশ করেছে। লেখকের ভাষা সহজ হলেও আবেগপূর্ণ, যা পাঠককে গল্পের সাথে জড়িয়ে রাখে। রোমান্টিক ও আবেগঘন গল্প পছন্দ করলে এই উপন্যাস পাঠকের ভালো লাগবে। সবশেষে এটাই চাওয়া যে, আপনি সুস্থ থাকুন, সাকসেসফুল হন আর আমাদের জন্য সুন্দর সুন্দর গল্প লিখেন।
Read all reviews on the Boitoi app
ভালো লেগেছে আমার
Awesome story it was!
আপনার গল্প অনেক আগে পড়েছিলাম। হুট করে একদম হুট করেই আপনার এই গল্পটা সামনে এসে পড়লো তাই কিনে ফেললাম। তবে আশানুরূপ মনে হয় পাইনি। পুরো গল্পটা আমার কাছে কেমন খাপছাড়া লেগেছে। প্রিয় লেখিকা হিসেবে আপনার থেকে আরও চমৎকার কিছুর আশায় রইলাম।
এত সুন্দর একটা গল্প কোন ভাষায় এর বর্ননা দিব জানি না। প্রিয়া আপুর গল্প মানেই অসাধারণ কিছু ❤️
খুবই সুন্দর একটি গল্প! এই রকম আরও সুন্দর সুন্দর গল্পের আশায় রইলাম💙 Afsana orpita