

স্বপ্ন যখন দুঃস্বপ্নে বিলীন... ২০০৬ সাল। মফস্বলের মেধাবী মেয়ে নিম্মি, যার দুচোখ ভরা স্বপ্ন ছিল পড়াশোনা করে বাবার মুখ উজ্জ্বল করার। মা-হারা মেয়ে নিম্মি, সংসারে বাবা নাজিমুদ্দিনই ছিলেন তার পুরো পৃথিবী। কিন্তু শ্রাবণের এক তপ্ত দুপুরে হঠাৎ করেই যেন কালবৈশাখী ঝড় নেমে আসে নিম্মির জীবনে। অপরাধ? স্রেফ মুঠোফোনে মেসেজ বিনিময়। আবেগের বশে করা একটি ভুলের চড়া মাসুল দিতে হয় তাকে। বাবার জেদ আর সম্মানের ভয়ে নিম্মির বিয়ে হয়ে যায় ফুপাতো ভাই সবুজের সাথে। কিন্তু যে সংসারে সে ঠাঁই নিতে চেয়েছিল, সেখানে আগে থেকেই অপেক্ষা করছিল চরম বিশ্বাসঘাতকতা। বিয়ের মাত্র এক মাসের মাথায় সবুজ তার প্রেমিকা মিলিকে বিয়ে করে ঘরে তুলে আনলে নিম্মির জীবন হয়ে ওঠে বিভীষিকাময়। একদিকে স্বপ্নভঙ্গের বেদনা, অন্যদিকে সংসারের অবহেলা আর বঞ্চনা—সব মিলিয়ে নিম্মি যখন এক অতল অন্ধকারে তলিয়ে যাচ্ছে, ঠিক তখনই তার জীবনে আবির্ভাব ঘটে রিফাতের। যে রিফাত কোনো একভাবে এই ধ্বংসস্তূপের জন্য দায়ী ছিল, সেই কি পারবে নিম্মির ধূসর জীবনে নতুন করে রঙের ছোঁয়া দিতে? অপরাধবোধ থেকে কি জন্ম নিতে পারে কোনো নিঃস্বার্থ ভালোবাসা? হারিয়ে যাওয়া সত্তা আর নতুন করে বাঁচার আকুতি নিয়ে এক মফস্বল কন্যার জীবনের করুণ অথচ রোমাঞ্চকর উপাখ্যান— “শ্রাবণের মধ্যদুপুর”।
"উফ, এমন জায়গায় এসে কেউ গল্প থামায়? তারানা আপু, প্লিজ গল্পের কাহিনি মনে থাকতে থাকতে দ্বিতীয় পর্বটা দিয়েন। আমি আজকে নাইতে না যেয়ে, লাঞ্চ না করে একটানে গল্পটা পড়তেছিলাম, আর এখন প্রথম পর্বের সমাপ্তি মেনে নেয়া যায়? নিম্মিকে যেন প্রকৃত সম্মানের জায়গায় পাই! ওর দু:খের দিন যেন শেষ হয়, যেন সুখী হয় ভালোভাবেই। চমৎকার একটা গল্প পড়লাম একদম বুঁদ হয়ে!"
বারবার পড়ার মতো বই।
Read all reviews on the Boitoi app
উফ, এমন জায়গায় এসে কেউ গল্প থামায়? তারানা আপু, প্লিজ গল্পের কাহিনি মনে থাকতে থাকতে দ্বিতীয় পর্বটা দিয়েন। আমি আজকে নাইতে না যেয়ে, লাঞ্চ না করে একটানে গল্পটা পড়তেছিলাম, আর এখন প্রথম পর্বের সমাপ্তি মেনে নেয়া যায়? নিম্মিকে যেন প্রকৃত সম্মানের জায়গায় পাই! ওর দু:খের দিন যেন শেষ হয়, যেন সুখী হয় ভালোভাবেই। চমৎকার একটা গল্প পড়লাম একদম বুঁদ হয়ে!
প্রথম খন্ড টা যেখানে শেষ হলো, সেখান থেকেই মন টানছে দ্বিতীয় খন্ডের জন্য। নিম্মিকে দেখতে চাই এক শক্তিশালী রূপে। ভীষণ ভালো লেগেছে গল্পটা