

শহরের কর্মজীবী মেয়ে লতা। তিনি ‘প্রথম আলো’ পত্রিকায় কর্মরত। ছোট বোন নদী আর ছোট ভাই জয়কে নিয়ে একটি ফ্ল্যাটে তাঁর বসবাস। তবে নদী বা জয়—কেউই তাঁর আপন ভাই-বোন নয়। এই পৃথিবীতে তাঁর আপন বলতে আছেন শুধু দিদা; যদিও তিনি লতার সাথে থাকেন না। বেশ কিছুদিন যাবত লতা অসুস্থতায় ভুগছিলেন। ডাক্তার অনেক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেও রোগের সঠিক কারণ উদ্ঘাটন করতে পারলেন না। মাঝেমধ্যেই শরীরে জ্বর আসে, অথচ বড় কোনো রোগের আলামত নেই। শেষমেশ ডাক্তার পরামর্শ দিলেন ঢাকা শহর থেকে দূরে কোথাও কিছুদিন কাটিয়ে আসতে, যাতে পরিবেশ পরিবর্তনের মাধ্যমে তিনি সুস্থতা লাভ করেন। ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী লতা একদিন বাসে চড়ে বেরিয়ে পড়লেন অজানার উদ্দেশ্যে। তবে তিনি ঠিক কোথায় গিয়েছিলেন, লেখিকা অত্যন্ত সতর্কতার সাথে সেই স্থানটির নাম গোপন রেখেছেন। বর্ণনায় মনে হয়, জায়গাটি সিলেট, চট্টগ্রাম বা তার আশেপাশের কোনো পাহাড়ি এলাকা হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। সেখানে গিয়েই লতার পরিচয় হয় তনু নামের এক যুবকের সাথে।