

ভালোবাসা থেকে জন্ম নেওয়া এক বাড়ি—শিকদার কুরিঞ্জ। আকরাম শিকদারের বাবার দেওয়া এই নামের বাড়িটিতে লুকিয়ে আছে একাধিক জীবনের গল্প। “মেজর শিকদার” সিরিজের দ্বিতীয় খণ্ডে মেজর রওনক শিকদারের ব্যক্তিগত সংগ্রাম ছাড়িয়ে উঠে এসেছে সেই বাড়ির প্রতিটি মানুষের অজানা কাহিনি। কর্মক্ষেত্রের ব্যর্থতা কি পেরেছিল রওনককে থামিয়ে দিতে, নাকি সে সকল ব্যর্থতা মুছে আবার ফিরেছে? তৃণার সাথে তার সম্পর্ক কি শুধুই আকস্মিক, নাকি ভাগ্যের অদৃশ্য বন্ধন? মেহরাব কি জায়গা করে নিতে পেরেছিল অহনার হৃদয়ে—নাকি সামাজিক বাস্তবতা তাদের আলাদা করে দেয়? প্রশ্ন, সম্পর্ক, সংগ্রাম আর সময়ের অনিবার্য পরিবর্তনের ভেতর দিয়ে এগিয়ে যায় এক পরিবারের জীবনগাথা। সব উত্তর লুকিয়ে আছে শিকদার কুরিঞ্জে।
গল্পটা খুব সুন্দর ছিল। কিন্তু আমার একটা প্রশ্ন - রাতে গুরুত্বপূর্ণ মুমেন্টে সবসময় কুত্তা কেন ডাকে🥲🥲। মাঝে মধ্যে হুতুম পেঁচা ও তো ডাকতে পারতো🙂🙂। ঝিঁঝিঁ পোকা ও তো ডাকতে পারতো।কিন্তু তা না, একটু পর পর কুত্তা ডাকে😑। তা ছাড়া গল্পটা খুব সুন্দর ছিল। বেশি ভালো লেগেছে যখন তৃণা নিজের জন্য তিন্নির সাথে তর্ক করেছে রওশাকে নিয়ে 😊🩷
Read all reviews on the Boitoi app