

হাই স্কুলের সামনে গাড়ির গতি রোধ হলো। জনাবের চোখে সানগ্লাস, পরিপাটি লুকে সে। এখন কলেজে যাবে। পিহু মায়ার্দ্রের কোলে বসেই এলো। জনাব তার কিটেনকে এক মুহূর্তের জন্য ছাড়তে রাজি নয়। অনেক হয়েছে অনুমতি নেওয়ার খেলা। তার ধৈর্য ভেঙে গেছে। পিহু এতক্ষণ মায়ার্দ্রের অ্যাডামস অ্যাপেলে আকিবুকি করছিল। গাড়ি থামতেই হাত নিল মায়ার্দ্রের গালে। মায়ার্দ্র স্বর নিচু করে বলল, “যে জিজ্ঞেস করবে, বলবি আমি তোর ফিয়ন্সে।” পিহুর অনামিকা আঙুলে হিরের আংটি চকচক করছে। সে ঘাড় নেড়ে মায়ার্দ্রের গালে চুমু খেয়ে বলল, “বাই।” মায়ার্দ্র ডোর খুললে পিহু নেমে গেল। আশেপাশে যারা ছিল, সকলে প্রায় দেখল। অনেকের নজরে পিহু আড়ষ্ট হয়ে পড়ল। সে আবার ঘুরে এসে মায়ার্দ্রের কোলে লাফিয়ে উঠল। বুকে মুখ লুকিয়ে নিয়ে বলল, “আমাকে রেখে আসুন।” মায়ার্দ্রের ঠোঁটে প্রশান্তির হাসি ছড়িয়ে পড়ল। যেখানে তার কিটেন বলেছে আর সে মানবে না, তা কি হয়! বাম হাতে বাচ্চাদের মতো পিহুকে কোলে নিয়ে, ডান হাতে স্কুল ব্যাগ নিয়ে মায়ার্দ্র স্কুলের ভেতরের দিকে চলল। সকলে হা করে কপোত-কপোতীকে দেখছে। তাদের চোখ কপালে ওঠার জোগাড়! পিহু নিভু কণ্ঠে আবার আবদার করল, “নিতে আসবেন কিন্তু।” “ইট’স প্লেজার, মাই লেডি।”
"এতটা কিউট হবে ভাবিনি।ভেবেছিলাম ফেইসবুক থেকে এনে আবার এখানে লিখা হবে এলো মেলো হয়ে যাবে কিন্তু এতটা সুন্দর গোছানো হবে ভাবিনি।অসম্ভব সুন্দর লিখেছেন বস।একটা মানুষ কতটা ভালোবাসলে চেতনা হারানোর পর হাতটা শক্ত করে দরে রাখে।মন জুরিয়ে যাওয়ার মত ছিলো দুজনের কেমিস্টি।"
It is a short story, but I really enjoyed reading it. It reminds me of a Rabindranath Tagore short story—"It ended, yet the ending never truly came."
Read all reviews on the Boitoi app
এক বসায় পড়ে ফেলার মতো আদুরে আদুরে গল্প কিউট সুইট সুন্দরী গল্প
গল্পটি অনেক সুন্দর ছিল অনেক ভালো লেগেছে পড়তে।
মায়াদ্রকে সম্পুর্ন এক নতুন রুপে পেলাম। খুব সুন্দর হয়েছে। লেখনীও দারুন ছিল। মায়াদ্র সত্যিই খুব অসাধারণ একটি চরিত্র।
অসাধারণ একটি বই 🤍🌷
এতটা কিউট হবে ভাবিনি।ভেবেছিলাম ফেইসবুক থেকে এনে আবার এখানে লিখা হবে এলো মেলো হয়ে যাবে কিন্তু এতটা সুন্দর গোছানো হবে ভাবিনি।অসম্ভব সুন্দর লিখেছেন বস।একটা মানুষ কতটা ভালোবাসলে চেতনা হারানোর পর হাতটা শক্ত করে দরে রাখে।মন জুরিয়ে যাওয়ার মত ছিলো দুজনের কেমিস্টি।
অসাধারণ ♥️♥️♥️♥️♥️♥️♥️
আজকে 'বইটই' অ্যাপে ঢোকার পর হঠাৎ করেই "ঐকান্তিক নেশা" বইটা সামনে এলো। নামটা দেখেই বেশ আকর্ষণীয় লেগেছিল, তাই কৌতূহল সামলাতে না পেরে রিভিউগুলো দেখতে ঢুকলাম। সেখানে লেখক নাহিদ হাসান-এর প্রশংসা দেখে উনার প্রথম বইটা দিয়েই শুরু করলাম। কিন্তু পড়তে বসে আমি যা অনুভব করলাম, তা এক কথায় অবর্ণনীয়! সত্যি বলতে, আজকে গল্পটা পড়া শুরু করার পর থেকে আমার শরীরের অ্যাড্রেনালিন রাশ আর হরমোনের ব্যালেন্স যেন পুরোপুরি ওলটপালট হয়ে গেছে! 🤯🔥 এটা যে আমার প্রত্যাশাকে এতটা ছাড়িয়ে যাবে, আমি ভাবতেই পারিনি। এত চমৎকার, এত নিখুঁত লিখনশৈলী! মনের ভেতর এখনো একটা ঘোর লেগে আছে। সবচেয়ে বড় চমক আর ভালো লাগার জায়গাটা ছিল—আমাদের বাঙালি সমাজেই একজন পুরুষ লেখক হয়েও তিনি এতটা মার্জিত আর অনন্য সব বাংলা শব্দের ব্যবহারে এমন একটা দুর্দান্ত, বোল্ড ও 'ডার্ক রোমান্স' (Dark Romance) গল্প লিখতে পারেন, তা আমার কল্পনার বাইরে ছিল! সত্যি, লেখকের প্রতি অন্তরের অন্তস্তল থেকে গভীর শ্রদ্ধা আর হ্যাটস অফ! 🎩✨ গল্পটাতে রোমান্স, ফ্যান্টাসি এবং মেয়েরা সাধারণত যে ধরণের ফ্যান্টাসি পছন্দ করেন—তার সবকিছুরই এক অনবদ্য মিশ্রণ ছিল। তবে ব্যক্তিগতভাবে পুরো গল্প জুড়ে 'আজরাফ খান মায়ার্দ্র' চরিত্রটি আমাকে একবারে বুঁদ করে রেখেছিল। উফ, কী মারাত্মক লেভেলের আকর্ষণীয় আর 'হট' একটা ম্যান! 🖤 গল্পের ওই দুষ্টু-মিষ্টি আর চরম রোমান্টিক মুহূর্তগুলোর বর্ণনা... উফ, কী বলব! Ahhhhhhhh! 🫣 পড়তে পড়তে আমি পুরো লাল হয়ে যাচ্ছিলাম, ব্লাশ করছিলাম আর একা একাই হাসছিলাম! 🥰 খেয়াল করলাম, লেখক এমন কিছু চমৎকার বোল্ড শব্দ আর ইউনিক রোমান্টিক বিষয় ফুটিয়ে তুলেছেন যা আগে কখনো ওভাবে পড়িনি। বেশ কিছু নতুন 'দুষ্টু দুষ্টু' শব্দ আর দারুণ সব রোমান্টিক এলিমেন্ট শিখলাম, যা ফিউচারে বেশ কাজে দেবে, কী বলেন? 😉 উইংক উইংক! লেখকের কাছে একটাই অনুরোধ—আপনি এভাবেই আপনার অসাধারণ লেখনী দিয়ে আমাদের মুগ্ধ করে যান। আপনার গল্পগুলো যেন সবসময় আমাদের মনে এমন ভালোবাসার প্রজাপতি উড়িয়ে দেয় (Butterflies in the stomach)। 🦋✨ মহান আল্লাহ আপনার মঙ্গল করুন এবং আপনাকে আরও লেখার শক্তি দিন। অনেক অনেক ভালোবাসা রইল! ❤️
অনেক সুন্দর হয়েছে গল্পটা ভাইয়া🥰
ভীষণ সুন্দর হয়েছে। ভাইয়ার লেখাগুলো এত ভালো লাগে। ❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❣️❣️❣️❣️❣️❣️❣️❣️❣️❣️❣️❣️