

ট্রেনটি ছুটে চলে গেল। বখাটে ছেলেটির কথা মনে পড়ল মাহিরার। প্রচণ্ড রাগ হলো বদমাশ, গুন্ডাটার ওপর। তাকে হাত ধরে আটকে না রাখলে ঠিকই ফাইলটা পেয়ে যেত। চোখের জল মুছতে মুছতে স্টেশন থেকে বের হয়ে এলো সে। তাকিয়ে দেখল, রাস্তার একপাশে বাইকে বসে ছেলেটি সিগারেট টানছে। বন্ধুরা ওকে যেন কী নামে ডেকেছিল। মনে পড়ল মাহিরার—তুষার নাম। সে খানিক এগিয়ে যেতেই পিছু থেকে ডাকল ছেলেটি, “এই মেয়ে, এদিকে আসো।” মাহিরা রেগে থাকলেও নিজেকে সামলে নিল। এদেরকে কিছু বললে রাস্তাঘাটে চলাফেরা করা মুশকিল হয়ে যাবে। সে ওদের দিকে এগিয়ে গেল। “ফাইল পেয়েছো?” ছেলেটি বাইক থেকে নেমে সিগারেট ফেলে দিয়ে বলল। মাহিরা মলিন মুখে বলল, “না, ট্রেন চলে গেছে।” “ফাইলে কী ছিল?” “সবকিছু—সার্টিফিকেট, আইডি কার্ড এসব।” ছেলেটি চুলে হাত বুলিয়ে কিছু একটা ভেবে বলল, “তোমার ভ্যানিটি ব্যাগে কলম আর কাগজ আছে?” “জি, আছে।” “ট্রেনের নাম, সময়, বগি এবং সিট নাম্বার সব লিখে দাও।” মাহিরার বিশ্বাস হচ্ছে না। এই বখাটে কি ফাইল এনে দেবে? কীভাবে দেবে? বিনিময়ে কত টাকা চাইবে কে জানে! সে ইতস্তত করে বলল, “ফাইলটা কি পাব?” “হ্যাঁ, পাবে।” মাহিরা ব্যাগ থেকে একটা ছোট্ট নোটবুক বের করল। এটায় মূলত ফোন নাম্বার বা বিভিন্ন ঠিকানা লিখে রাখে সে। সবকিছু লিখে দিয়ে সে কাগজটি বাড়িয়ে দিল। ছেলেটি কাগজ নিয়ে বলল, “ফিরে পাওয়ার পর দেবো কীভাবে? তোমার মোবাইল আছে?” “জি না, নেই।” “তাহলে এটা পাওয়ার পর জানাবো কীভাবে?” বলে খানিক ভেবে বলল, “বাড়ি কোথায়?” “চন্দননগর।” “মহুমায়া বাজারে একবার আসতে পারবে না? কাল তিনটার দিকে লতিফ শপিংমলের সামনে আসবে। পেলাম কি না, সেখানে এলে জানতে পারবে।” মাহিরা কী করবে বুঝতে পারছে না। এভাবে আসার থেকে ফাইল পেয়েছে কি না, জেনে আসাই ভালো। সে চাইলে একটা ফোন নাম্বার দিতে পারে। তাদের পাড়ার রুবি ভাবির মোবাইল আছে। উনার স্বামী সৌদিতে থাকেন, যোগাযোগের জন্য নকিয়া ফোন দিয়েছেন। নাম্বারও তার কাছে আছে। কিন্তু এদেরকে নাম্বার দেওয়া কি ঠিক হবে? রুবি ভাবিও বা বিষয়টা কীভাবে নেবে?
"আপনার দুইটা ইবুক আমি পড়েছি দুটোই আমার কাছে ভীষণ ভালো লাগলো সামাজিক গল্প। এই গল্পটায় অনেক কিছুই জানতে পারলাম বিশেষ করে আগেকার মানুষের আর বন্যা নিয়ে ঘটনা গুলো যেন একদম বাস্তব সবসময়ই বাবার মুখের এরকম কাহিনী গুলো শুনেই গেলাম। এই প্রথম কোন গল্প সেভাবেই বলা কাহিনী গুলো পড়লাম ভীষণ ভালো লাগছে আমার কাছে। তবে তুষার জীবন কাহিনী টা অনেক কষ্টের একদিক থেকে সেড এন্ডিং হয়ে গেল।"
আপনার দুইটা ইবুক আমি পড়েছি দুটোই আমার কাছে ভীষণ ভালো লাগলো সামাজিক গল্প। এই গল্পটায় অনেক কিছুই জানতে পারলাম বিশেষ করে আগেকার মানুষের আর বন্যা নিয়ে ঘটনা গুলো যেন একদম বাস্তব সবসময়ই বাবার মুখের এরকম কাহিনী গুলো শুনেই গেলাম। এই প্রথম কোন গল্প সেভাবেই বলা কাহিনী গুলো পড়লাম ভীষণ ভালো লাগছে আমার কাছে। তবে তুষার জীবন কাহিনী টা অনেক কষ্টের একদিক থেকে সেড এন্ডিং হয়ে গেল।
Read all reviews on the Boitoi app