

“লুক অ্যাট মি।” মেহুল মাথা নিচু করে চুপচাপ বসে রইল। শেরাজ চোয়াল শক্ত করে বলল, “আই সেড, লুক অ্যাট মি, মেহুল।” মেহুল কেঁপে উঠে ভয়ে ভয়ে শেরাজের দিকে তাকায়। শেরাজ তপ্ত নিঃশ্বাস ফেলে প্রশ্ন করে, “কি চাস তুই?” মেহুল ধীর কণ্ঠে বলে, “কি চাইব?” শেরাজ গম্ভীর গলায় বলল, “দ্বিতীয় বিয়ে করতে?” মেহুল ভ্রু কুঁচকে জিজ্ঞেস করে, “মানে?” শেরাজ সোজাসুজি বলে, “মানেটা খুব সোজা। দ্বিতীয় বিয়ে করতে চাস বলেই তো আজ সেজেগুজে পাত্রপক্ষের সামনে গিয়ে বসেছিস।” মেহুল দ্রুত বলল, “আমি বসতে চাইনি, নানাভাই বলেছিল তাই।” শেরাজ এক মুহূর্তের জন্য মেহুলের দিকে চুপচাপ তাকিয়ে থাকে, তারপর ধীরে বলে, “তার মানে, তুই নিজের ইচ্ছায় বসিসনি, তাই তো?” মেহুল মাথা নেড়ে সম্মতি জানায়। শেরাজ চোয়াল শক্ত করে বলল, “কেন চাস না? তুই তো আমাকে নিজের স্বামী হিসেবে মানিস না, তাহলে অসুবিধা কোথায় বিয়ে করতে?” মেহুল গোল গোল চোখে শেরাজের দিকে তাকায়। শেরাজ কোনো জড়তা ছাড়াই সোজাসুজি বলে ওঠে, “বিয়ে করে নে, মেহুল। আমি তোকে ডিভোর্স দিয়ে দেব। তবে এই ডিভোর্স দেওয়ার জন্য আমাকে একটু সময় দিতে হবে। কিন্তু আমি চেষ্টা করব সবটা তাড়াতাড়ি শেষ করতে। চিন্তা করিস না, আমি নিজে দাঁড়িয়ে থেকে তোর বিয়ে দেব, আই প্রমিজ। ততদিন একটু অপেক্ষা কর। আর ডিভোর্সের কথাটা বাড়ির কাউকে বলার দরকার নেই। যখন সব কাগজপত্র ঠিক হবে, আমি নিজেই সবাইকে জানিয়ে দেব।”
"আউট অফ দ্যা বক্স ছিল গল্পটা। মেহুলকে পাত্রপক্ষ দেখতে আসার সময়ে শেরাজের এনকাউন্টারটা দারুন ছিল। ডিভোর্স পার্টিটা আরও জোস ছিল। যা না চাইতে পাওয়া যায় তার মর্ম আমরা বুঝি না। হারিয়ে গেলে তখন খুঁজি। শেরাজের ট্রিকসটা এক্কেবারে জায়গা মত কাজ করেছে। সব মিলিয়ে চমৎকার কিছু সময় কাটলো। ❤️❤️❤️"
আউট অফ দ্যা বক্স ছিল গল্পটা। মেহুলকে পাত্রপক্ষ দেখতে আসার সময়ে শেরাজের এনকাউন্টারটা দারুন ছিল। ডিভোর্স পার্টিটা আরও জোস ছিল। যা না চাইতে পাওয়া যায় তার মর্ম আমরা বুঝি না। হারিয়ে গেলে তখন খুঁজি। শেরাজের ট্রিকসটা এক্কেবারে জায়গা মত কাজ করেছে। সব মিলিয়ে চমৎকার কিছু সময় কাটলো। ❤️❤️❤️
Read all reviews on the Boitoi app