

‘হাই খুশি? এখনো বেঁচে আছো? অবশ্যই বাঁচবে। টাকার দরকার পড়বে নিশ্চয়ই? ডোন্ট ওরি সুইটহার্ট! তোমার লাঙ্গ তোমার অ্যাকাউন্টে বেশ বড় একটা অ্যামাউন্ট পাঠিয়েছে। তোমার লাঙ্গ থাকতে তোমার টাকার অভাব হবে না। আফটার অল, তার বিছানা গরম করেছ—সে তোমায় টাকা দেবে না তো কাকে দেবে? বাই দ্য ওয়ে, কনগ্র্যাচুলেট মি! ফাইনালি নেক্সট উইক আমাদের ডিভোর্স কার্যকর হবে। এখন তোমার লাঙ্গ তোমার ভাতার হবে। অভিনন্দন সুইটহার্ট!’ খুশি বিস্ময়ে কোনো কথা বলতে পারল না। জীবন নেহার কাছ থেকে ফোনটা কেড়ে নিয়ে বলল, ‘খুশি, কথা শোন আমার। ওর কথায় কান দিস না।’ ‘তুমি আমার অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠিয়েছ?’ ‘হ্যাঁ।’ ‘কেন?’ ‘তোর জন্য। তোর এখন টাকার দরকার। নিজের চিকিৎসা কীভাবে করবি?’ ‘আমি কি টাকা চেয়েছি?’ ‘আমার কাছে তোর চাইতে হবে কেন? এটা তোর প্রাপ্য।’ ‘কিসের প্রাপ্য? আমি কী করেছি? ও, সে রাতে তোমার সাথে বিছানায় গিয়েছি বলে দিয়েছ বুঝি? সে কারণেই আপনার প্রেজেন্ট ওয়াইফ আমাকে এসব বলল?’ ‘এসব কী বলছিস খুশি?’ খুশি বেশ উত্তেজিত হয়ে বলল, ‘লাঙ্গ রাখা মেয়েরা এর চেয়ে ভালো কথা বলতে পারে না।’ ‘খুশি, এমন করিস না। তোর শরীর খারাপ। প্লিজ শান্ত হ।’ নেহা আবার জীবনের হাত থেকে ফোনটা ছিনিয়ে নিয়ে বলল, ‘এই খার মেয়ে! তোর শরম-লজ্জা কিছু নাই? এত কিছু বলার পরও লাঙ্গের সাথে কথা বলছিস! তোর এত বিষ? এত গরম তোর শরীরে! বেশি গরম থাকলে সন্ধ্যার পর বরিশাল লঞ্চঘাটে গিয়ে বসিস। সেখানে তোর ব্যাডার অভাব হবে না। তোর শরীরের কুরকুরানিও কমাবে, আর তোরে টাকাও দেবে।’ রাগের মাথায় খুশি মনে মনে কঠিন সিদ্ধান্ত নিল। আর কোনো দিন জীবনের সাথে কোনো সম্পর্ক রাখবে না। তার জন্য যদি ওকে দ্বিতীয় বিয়ে করতে হয়, তা-ও করবে ও। কিছুক্ষণ পর তাশফিন কেবিনে এল। খুশির দিকে তাকিয়ে চমকে উঠল সে; চোখ দুটো টকটকে লাল ওর। তবুও স্থির হয়ে বসে আছে। তাশফিন ওর কাছে এসে বলল, ‘আর ইউ ওকে খুশি?’ ‘ইয়েস, আই অ্যাম। ডু ইউ লাভ মি?’ তাশফিনের অকপট স্বীকারোক্তি, ‘ইয়েস।’ ‘দ্যান ম্যারি মি নাউ।’ ‘হোয়াট?’ ‘ইয়েস, ম্যারি মি। আপনার কাছে দুটো অপশন—হয় আজকের মধ্যে আমাকে বিয়ে করুন, না হয় সারাজীবনের জন্য আমাকে ভুলে যান। রাজি?’ তাশফিন লম্বা একটা নিঃশ্বাস নিয়ে বলল, ‘রাজি। বাট আমাকে দুদিন সময় দাও। তাশফিন হোসেনের বিয়ে এত সাদাসিধা হবে? পুরো শহর জানবে না?’ ‘আপাতত বিয়ে করুন। পুরো শহরকে পরেও জানাতে পারবেন।’ ‘রাইট। আমি এখনি অ্যারেঞ্জমেন্ট করছি।’