

রাত অনেক হয়েছে। চিত্রা বিছানা ছেড়ে আয়নার সামনে দাঁড়াতেই ফারাজ পেছন থেকে জড়িয়ে ধরল। "আজকে ভালোবাসা দিবস, তো তুমি আমার জন্য কী আনলে, বউ?" "আকাশটা আনতে চেয়েছিলাম, কিন্তু আপনার চোখের গভীরতার কাছে আকাশটা হার মেনেছে।" সেই কথা শুনে ফারাজ মৃদু হাসল। দু'জনেই চুপ হয়ে গেল। হঠাৎ চিত্রা বলে উঠল, "এত চুপ কেন?" "শব্দ খুঁজে পাই না। তোমাকে দেখলে ভাষাগুলো শব্দ হারায়। একটা কথা জানার ছিল, তুমি বউ আমাকে কতটা ভালোবাসো?" "যতটা নদী সমুদ্রকে চায়… কিন্তু কখনো দাবি করতে পারে না। আচ্ছা, আমি যদি রাগ করি, তাহলে আপনি রাগ ভাঙানোর জন্য কী করবেন?" "তোমার রাগ ভাঙানোর জন্য আমি হাজারটা সন্ধ্যা জমা রাখব।" "তাই নাকি? ভালোবাসা এত সহজ, এলাহী সাহেব?" "না। সহজ হলে মানুষ তাকে এত মূল্য দিত না।" "তাহলে কঠিন কেন?" "কারণ এতে অহংকার ভাঙতে হয়, নিজেকে ছোট করতে হয়।" "নিজেকে ছোট করা কি অপমান?" "না, প্রিয় মানুষের কাছে সেটা সম্মান।" "আচ্ছা, তবে অভিমান কি ভালোবাসার অংশ?" "হ্যাঁ, যদি সেখানে প্রত্যাশা থাকে।" "প্রত্যাশা খারাপ?" "না, প্রত্যাশা না থাকলে যত্নও থাকে না।" "আপনার কাছে ক্লান্তি মানে কী?" "তোমার কাঁধে একটু বিশ্রামের অধিকার। আর তোমার কাছে আমি কী?" "শান্তি।" "কিসের?" "আমার দীর্ঘদিনের অস্থিরতার।"
"চিত্রাঙ্গনা থেকে চিত্ররাজ আমার কাছে এটা শুধু একটা উপন্যাস না এটা একটা অনুভুতিতে মোড়ানো যাত্রা। এখানে লেখিকা ভালোবাসা এবং ভালোবাসার মানুষকে যত্নে আগলে রাখার বিষয়টি দারুনভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। ফারাজ এলাহী এমন একজন মানুষ যে তার স্ত্রীর প্রত্যেকটা ভালো এবং খারাপ সময়ে আগলে রেখেছে, তার পাশে থেকেছে। আর ফারাজ আর চিত্রার বাবার সম্পর্কটা ছিলো অন্যরকম। অনেক সময় এমন হয় যে আমরা কাওকে জ্বালাতন করলে তারা আমাদের প্রতি বিরক্ত হয়না বরং আমাদের প্রতি তাদের ভালোবাসা গভীর হয়, তাদের সম্পর্কটা আমার কাছে এমন মনে হয়েছে। ফারাজ তাকে জ্বালাতন করেই তার মনে সহজেই জায়গা করে নিয়েছে। সব শেষে ফারাজ-চিত্রার একটা সুন্দর পরিনতির মাধ্যমে তাদের সমাপ্তি সুন্দর একটা সম্পর্কের নিদর্শন রেখে গেছে 💗"
চিত্রাঙ্গনা থেকে চিত্ররাজ আমার কাছে এটা শুধু একটা উপন্যাস না এটা একটা অনুভুতিতে মোড়ানো যাত্রা। এখানে লেখিকা ভালোবাসা এবং ভালোবাসার মানুষকে যত্নে আগলে রাখার বিষয়টি দারুনভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। ফারাজ এলাহী এমন একজন মানুষ যে তার স্ত্রীর প্রত্যেকটা ভালো এবং খারাপ সময়ে আগলে রেখেছে, তার পাশে থেকেছে। আর ফারাজ আর চিত্রার বাবার সম্পর্কটা ছিলো অন্যরকম। অনেক সময় এমন হয় যে আমরা কাওকে জ্বালাতন করলে তারা আমাদের প্রতি বিরক্ত হয়না বরং আমাদের প্রতি তাদের ভালোবাসা গভীর হয়, তাদের সম্পর্কটা আমার কাছে এমন মনে হয়েছে। ফারাজ তাকে জ্বালাতন করেই তার মনে সহজেই জায়গা করে নিয়েছে। সব শেষে ফারাজ-চিত্রার একটা সুন্দর পরিনতির মাধ্যমে তাদের সমাপ্তি সুন্দর একটা সম্পর্কের নিদর্শন রেখে গেছে 💗
Read all reviews on the Boitoi app