

তূর্য চোখ সরিয়ে আতশির দিকে তাকাল। মুহূর্তেই তীক্ষ্ণ কঠোর চোখদুটোয় একরাশ কমনীয়তা নেমে এল। “এতক্ষণ ধরে দাঁড়িয়ে আছ কেন? কিছু খেয়েছ?” আতশি মাথা নাড়ল। “না! টাইম পাইনি।” তূর্য চোয়াল শক্ত করে বলল, “নিজের দিকে কোনো খেয়াল আছে তোমার? সারাক্ষণ শুধু টইটই করে ঘুরে বেড়াও!” আতশি আস্তে করে তূর্যের শার্টের স্লিভস টেনে ধরে ঠোঁট উল্টে বলল, “বকছেন কেন এভাবে? আপনি না বললেন আমাকে বেশি বেশি ভালোবাসবেন?” তূর্য ফোঁস করে একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে নিজের আহ্লাদি বউকে বুকে জড়িয়ে নিল। “সরি জান! চলো, কিছু খেয়ে নেবে। তুমি অসুস্থ হলে আমাকে হ্যান্ডেল করবে কে?” ওদের কথোপকথন দেখে রাফিন অবাকের চূড়ান্ত শীর্ষে পৌঁছে গেল। এই গম্ভীর, কঠোর মানুষটা যে এতটা নমনীয় আচরণ করতে পারে—ভাবতেও পারেনি সে। তা ছাড়া দুজনকে বেশ হ্যাপি কাপলও মনে হচ্ছে। তূর্য ট্রেটা আতশির হাত থেকে নিয়ে পাশের টেবিলে রেখে দিল। তারপর ওর হাতটা শক্ত করে ধরে কিচেনের দিকে এগোল। আতশিও বাধ্য মেয়ের মতো তূর্যের সঙ্গে হাঁটতে লাগল। এদিকে রাফিন বারকয়েক চোখের পলক ঝাপটে তাকিয়ে রইল ওদের যাওয়ার পানে। এখনো পুরো বিষয়টা হজম করতে পারেনি বেচারা।
খুব সুন্দর গল্পটা ❤️❤️❤️❤️
Read all reviews on the Boitoi app