

চারু আলতো হেসে বলল, “আমার প্রাক্তন স্বামী বলেছিল, আমার সাথে তার মানসিকতার মিল নেই। আমি কোনো দিনও তার মানসিক শান্তির কারণ হতে পারিনি। তাই সে তার মানসিক শান্তির জন্য তার প্রাক্তন প্রেমিকাকে দ্বিতীয় স্ত্রী হিসেবে ঘরে নিয়ে এসেছে।” নওরোজ হালকা হেসে বলল, “এই দুনিয়ায় কোনো মানুষের সাথে কোনো মানুষের মানসিকতা মেলে না, চারুলতা। যদি কেউ বলে যে সে কারও সাথে মানসিকতার মিল পেয়েছে, তবে তা ডাহা মিথ্যে কথা। আমরা সবাই ভিন্ন ভিন্ন মানসিকতার অধিকারী। সংসার জীবনে যখন আমরা প্রবেশ করি, তখন আমাদের যা করতে হয় তা হলো অ্যাডজাস্টমেন্ট। তুমি যদি তোমার সঙ্গীর সাথে অ্যাডজাস্ট করে চলতে না পারো, তবে তুমি কোনো দিনও সংসারে সুখী হতে পারবে না। আর এই অ্যাডজাস্টমেন্টটা হতে হবে দুদিক থেকেই। ধরো, তোমার পছন্দ বৃষ্টির দিনে ঘরে বসে ঝাল ঝাল খিচুড়ি খাওয়া। আর আমার পছন্দ বৃষ্টির দিনে রাস্তায় রাস্তায় ঘুরে বেড়ানো। তো, একদিন আমি তোমার পছন্দকে মূল্যায়ন করে বাসায় খিচুড়ি খেলাম। আর আরেক দিন তুমি আমার পছন্দকে মূল্যায়ন করে আমার সাথে বৃষ্টিতে রাস্তায় বেরিয়ে পড়লে; সারাদিন আমরা হাত ধরে বৃষ্টিতে ভিজলাম। সুন্দর না? আর সবচেয়ে বড় কথা কী জানো, চারু? কেউ যদি তোমার সাথে থাকতে চায়, তার কাছে এই মেন্টালিটি ম্যাচ ট্যাচ কিংবা এসব জিনিস ম্যাটার করে না। তুমি যে তার কাছে আছ, পাশে আছ, এটাই তার জন্য যথেষ্ট।”
"বইটা অসাধারণ! সত্যিই অসাধারণ ✨বাস্তব জীবনের অনেকগুলো উদাহরণ এই একটা বইয়েই দেওয়া। আসলে সত্যি কথা বলতে আমরা যারা অন্যকে কষ্ট দিতে কিছু করি তারা তো দিনশেষে কষ্ট পাই না উল্টে আমরা নিজেরাই কষ্টে থাকি। শেষে অয়নের কাজগুলো একদম বিরক্তিকর লেগেছে তবে এটা ভেবে ভালো লেগেছে অয়ন অন্তত মিতুর সাথে সংসারটা করতে চেয়েছিল। আর মিতু হয়তোবা ধরেতার শেষ সংসারটা রাখতে চেয়েছিল,, তবে ভাগ্য হয়তো চাইনি! ভাগ্য হয়তো তাদের বিপরীত ইচ্ছাটাই পূরণ করেছে। আর নুরজাহানের কাহিনীটা বারবার পাল্টে গেছে আমি একদম নোওফরজ এর সাথে একমত। নুরজাহান যতই তার মা হোক দিনশেষে সেও স্বার্থপর। একমাত্র নবাবীই নিঃস্বার্থভাবে তার পাশে থেকেছে। কেউ সুখে নেই, প্রত্যেকটা সংসারে এক একটা অশান্তি থাকবেই। যে এগুলো পেরিয়ে নিজেরটা ধরে রাখার চেষ্টা করবে, দিনশেষে সেই জিতবে। যাইহোক এই বইটার মর্মান্ত মুখে বলা যাবে না অসাধারণ লেগেছে। 🤍🤍🤍👍আমার পরে দ্বিতীয় বিয়ের কাহিনীর মধ্যে এটা বেস্ট।"
এক কথায় দুর্দান্ত
Read all reviews on the Boitoi app
বইটা অসাধারণ! সত্যিই অসাধারণ ✨বাস্তব জীবনের অনেকগুলো উদাহরণ এই একটা বইয়েই দেওয়া। আসলে সত্যি কথা বলতে আমরা যারা অন্যকে কষ্ট দিতে কিছু করি তারা তো দিনশেষে কষ্ট পাই না উল্টে আমরা নিজেরাই কষ্টে থাকি। শেষে অয়নের কাজগুলো একদম বিরক্তিকর লেগেছে তবে এটা ভেবে ভালো লেগেছে অয়ন অন্তত মিতুর সাথে সংসারটা করতে চেয়েছিল। আর মিতু হয়তোবা ধরেতার শেষ সংসারটা রাখতে চেয়েছিল,, তবে ভাগ্য হয়তো চাইনি! ভাগ্য হয়তো তাদের বিপরীত ইচ্ছাটাই পূরণ করেছে। আর নুরজাহানের কাহিনীটা বারবার পাল্টে গেছে আমি একদম নোওফরজ এর সাথে একমত। নুরজাহান যতই তার মা হোক দিনশেষে সেও স্বার্থপর। একমাত্র নবাবীই নিঃস্বার্থভাবে তার পাশে থেকেছে। কেউ সুখে নেই, প্রত্যেকটা সংসারে এক একটা অশান্তি থাকবেই। যে এগুলো পেরিয়ে নিজেরটা ধরে রাখার চেষ্টা করবে, দিনশেষে সেই জিতবে। যাইহোক এই বইটার মর্মান্ত মুখে বলা যাবে না অসাধারণ লেগেছে। 🤍🤍🤍👍আমার পরে দ্বিতীয় বিয়ের কাহিনীর মধ্যে এটা বেস্ট।
অসাধারণ সুন্দর ও বাস্তব জীবনের গল্প।পড়ে মনটা ভলো হয়ে গেলো।
খুবই সুন্দর হয়েছে।আমি আজকে বইটই অ্যাপ নিয়েছি এবং প্রথম ই-বুক হিসেবে এটা পড়েছি।
গল্পটা অসম্ভব সুন্দর বলার বাইরে হয়েছে আপু তোমার লেখা গল্পগুলো আমার খুবই পছন্দ চারুর জীবনটা আসলে সুন্দর হয়েছে ❤️🧡
খুবই সাদামাটা একটা গল্প। অতিরঞ্জিত কিছুই নেই, তারপরও ভালো লাগার একটা রেশ থেকে গেলো। সংসার তখনই সুখের হয় যখন দুজন মিলে চেষ্টা করে। একজনের চেষ্টায় কখনোই সংসার টিকে না। যেমনটা চারুলতা, তার একার চেষ্টায় সংসারটা পাঁচ বছর টিকে ছিলো ঠিকই কিন্তু সেখানে সুখ ছিল না, ভালোবাসা ছিল না, সম্মান ছিল না, বোঝাপড়া ছিল না। অয়নকে চারু ভালোবেসে সবটা করেছে, কিন্তু অয়ন শুধুই নিজের চাহিদা অনুযায়ী চলে গেছে। নওরোজও একজন পুরুষ! তার জীবনটা মোটেই সহজ স্বাভাবিক ছিল না। মায়ের পালিয়ে যাওয়া, বাবার আত্মহত্যা, ফুপুর বিয়ে ভাঙ্গা, নিজের মানুষিক অসুস্থতা সব মিলিয়ে এই মানুষটার জীবন যাপন মোটেই সহজ ছিল না। কিন্তু সে একজন ভালো মনের মানুষ হয়েছে যা অয়ন বাবা মায়ের সাথে জীবন যাপন করে হতে পারেনি। একজন নারী এবং পুরুষ চাইলেই সংসার জীবন সুন্দর করতে পারে আবার চাইলেই সব কিছু ধ্বংস করতে পারে। চারু সংসার সুন্দর করতে নিজের সবটা দিয়ে চেষ্টা করে অয়নের মতো মানুষের সাথে পাঁচ বছর সংসার করেছে, সেখানে মিতু পারেনি অয়নের সাথে সংসার করতে। মিতু সুখ চেয়েছে একটা সংসার চেয়েছে এটা কোনো পাপ নয়, কিন্তু আরেকটা মেয়ের সাজানো গোছানো জীবন নষ্ট করে নিজের সুখ খোঁজাটা পাপ, আর কিছু পাপের শাস্তি পৃথিবীতেই পেতে হয়! যেমনটা মিতু আর অয়ন পেয়েছে। অয়নকে অবশ্য ধন্যবাদ দিতেই হয় কারণ সে মিতুকে বিয়ে না করলে চারু সারাজীবন একটা অসুস্থ সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার যুদ্ধ করতে হতো, আর এতে করে জীবন তার নিজের কাছেই নরক হয়ে যেত। এই নরক থেকে অয়ন তাকে মুক্ত করেছে মিতুকে বিয়ে করে। মিতুকে বিয়ে না করলে চারু কখনোই অয়নকে ছাড়তে পারতো না। নওরোজ চমৎকার একটা মানুষ। চারুকে সে এমনভাবে আগলে রেখেছে যাতে পৃথিবীর কোনো কষ্ট তাকে ছুঁতেও না পারে। নওরোজের বিয়ে না করার কাহিনিটা পড়ে আমার হাসি পেয়েছে, মানে ভাবা যায় বিয়ে করবে না বলে নিজের বদনাম নিয়ে ঘুরছে যে সে বাবা হতে পারবে না। কিন্তু লাভের লাভ তো কিছুই হলো না তার ফুফি তার জন্য বাচ্চা সহো বউ নিয়ে এসেছে। একবারেই সে বাবা, স্বামী দুটোই হয়ে গেছে। সব মিলিয়ে গল্পটা সুন্দর ছিল।
অনেক অনেক সুন্দর একটা গল্প। কথায় আছে না পাপ ছাড়ে না বাপকেও। প্রকৃতির বিচার এতটা সুন্দর, এতটা! তবে মাঝে মাঝে বাবা মায়ের করা পাপের মাসুল সন্তানদের দিতে হয়। সবটাই যেন এই গল্পে ফুটে উঠেছে।
চারুলতা, অয়ন, মিতু, নওরোজ, নুরজাহান, নবনী——-সবাইকে নিয়ে সুন্দর গল্প!
ভালো লেগেছে।
এক বসায় পড়ে ফেললাম। দারুন লেগেছে পড়তে। সহজ ভাষা আর সাবলীল লিখার চমৎকার মিশেল।