

গল্পটা একজন দক্ষ ডুবুরির, নাম ইকবাল হায়দার। স্কুবা ডাইভিংয়ে দারুণ পারদর্শী এক বেপরোয়া যুবক; সিডনির উপকূলবর্তী অঞ্চলে কোরাল সাগরে ডাইভিং পেশায় জড়িত। দীর্ঘদিন পর দেশে ফিরলে মা একরকম জোর করেই তাকে বিয়ে করিয়ে দেন। মায়ের অনুভূতিকে সম্মান জানিয়ে বিয়েটা মেনে নেয় সে। তখনও বুঝতে পারেনি, তার নববধূই সেই মৎসকন্যা যাকে সে আজীবন চেয়ে এসেছে। সজনীর প্রেমে পড়ে যায় হায়দার; তুমুল আর দুর্দান্ত সেই প্রেম! তারপর একদিন বাস্তবতার দাবি মেনে নিয়ে দুজন দুই দিকে চলে যায়। হায়দার চলে আসে সিডনিতে, আর সজনী বাংলাদেশে একা, অরক্ষিত। এরপর শুরু হয় সেই চিরাচরিত পারিবারিক রাজনীতি, যার গ্যাঁড়াকলে পড়ে বহু সুখের সংসার ধ্বংস হয়ে গেছে, প্রেমময় দম্পতি পরস্পরের শত্রু হয়ে গেছে। হায়দার-সজনীও তেমনই এক দুর্ভাগা দম্পতি; পার্থক্য এতটুকুই, হায়দার বাকিদের মতো নয়। সবকিছুর উত্তর চাই তার! তাই একদিন কাউকে না বলে নিখোঁজ হয়ে যায় হায়দার, সবাই ধরে নেয় সে মৃত। কিন্তু দীর্ঘ বিরতির পর একদিন গোপনে দেশে ফেরে সে, সত্য উদ্ঘাটন করতে। ঠিক তখনই একটি সংবাদ হায়দারের বুকে চাবুকের মতো আঘাত করে; সে জানতে পারে, তার বধূ সজনী এখন অন্যের ফিয়াঁসে!

"রুবি আপুর লেখা নিয়ে বলার কিছু নেই আসলে! আপুর লেখা মানেই ফার্স্ট ক্লাস। 'ডুবুরি আর মৎস্যকন্যা'- প্রেম, ভালোবাসা, বাস্তবতা, জীবনের উত্থান-পতনের মিশেলে জাস্ট অসাধারণ এক উপাখ্যান। মিস্টার হায়দার কে আমার বিরক্ত লেগেছে অনেক জায়গায়। অন্ধবিশ্বাস, অন্ধ অভিমান! একজন সুপুরুষের জন্য আরেকটু ঠান্ডা মাথায় চিন্তাভাবনা করে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা উচিত! উনার অন্ধবিশ্বাস আর অন্ধ অভিমান সজনীর জীবনটা কোথায় নিয়ে দাঁড় করালো সেটার খোঁজ রাখলেন না! পড়েছি বেশ কিছুদিন আগে। বিস্তারিত রিভিউ লিখে শেষ পার্ট তথা 'যদি জানতেম' বইয়ের রিভিউ অপশনে শেয়ার করবো ইনশাআল্লাহ। ~সিদ্দিকা ১৩/০৭/২০২৬"
রুবি আপুর লেখা নিয়ে বলার কিছু নেই আসলে! আপুর লেখা মানেই ফার্স্ট ক্লাস। 'ডুবুরি আর মৎস্যকন্যা'- প্রেম, ভালোবাসা, বাস্তবতা, জীবনের উত্থান-পতনের মিশেলে জাস্ট অসাধারণ এক উপাখ্যান। মিস্টার হায়দার কে আমার বিরক্ত লেগেছে অনেক জায়গায়। অন্ধবিশ্বাস, অন্ধ অভিমান! একজন সুপুরুষের জন্য আরেকটু ঠান্ডা মাথায় চিন্তাভাবনা করে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা উচিত! উনার অন্ধবিশ্বাস আর অন্ধ অভিমান সজনীর জীবনটা কোথায় নিয়ে দাঁড় করালো সেটার খোঁজ রাখলেন না! পড়েছি বেশ কিছুদিন আগে। বিস্তারিত রিভিউ লিখে শেষ পার্ট তথা 'যদি জানতেম' বইয়ের রিভিউ অপশনে শেয়ার করবো ইনশাআল্লাহ। ~সিদ্দিকা ১৩/০৭/২০২৬
Read all reviews on the Boitoi app
একনিশ্বাসে শেষ করলাম!! কি নেই গল্পটা তে। বর্তমান সমাজের চিরাচরিত রুপ প্রকাশ পেয়েছে। "সংসার ভাঙন" যে মা নিজে পছন্দ করে ছেলের জন্য বউ এনেছে সেই পরে পুত্রবধুর হাসিমাখা মুখ দেখে জ্বলে পুড়ে ছারখার হয়ে যায়।বাস্তব হলেও এটাই সমাজের সত্য রুপরেখা। আমি মোর্শেদা হোসেন রুবি লেখিকা আপুর সব বই,ইবুক,ফেসবুকের গল্প পড়েছি তবে এটা ব্যতিক্রম। এই প্রথম আমার মনে হলো আমি উনার লেখা একটি রোমান্টিক গল্প পড়ছি।যদি ও পুরোপুরি রোমান্টিক বলা যায় না,তবে অন্তত অন্যান্য লেখা থেকে এটা এগিয়ে। আরেকটা বড় দিক যেটা আমাকে খুব বেশি আমোদিত করেছে সেটা হচ্ছে এই পুরো গল্পটার বিন্যাসের ধারাবাহিকতা। যেটার কাহিনী পুরোটা সমান্তরাল ধারায় সামনে এগিয়ে গেছে। গল্পটার ছন্দ কখনো ই আপস ডাউন করেনি (আমার দৃষ্টিতে ছন্দ পতন এক আর ছন্দের আপস ডাউন আরেক)। অর্থাৎ পাঠক যত পড়েছে তার চাহিদা তত বেড়েছে এবং সেই অনুযায়ী পাঠকের চাহিদা পূরণ করতেও সক্ষম হয়েছে লেখক। পড়তে গিয়ে কোথাও কোনো বাড়তি বর্ণনা বা বহুল আলোচনা পায় নি।কিন্তু লেখকের কিছু কিছু লেখাতে এমন হয় অনেক জায়গায় বেশি বর্ণনা এসে যায় কিন্তু শেষে এসে তাড়াহুড়োর ছাপ পড়ে যেখানে পাঠকের মূল আকর্ষণ থাকে অথচ সেখানে পাঠকের আকাঙ্ক্ষা মেটে না ফুল সেটিসফেকশন পূরণ হয়না। সেখানে ডুবুরি আর মৎসকন্যা সম্পূর্ণ আলাদা।। যাইহোক এটার পরবর্তী পার্টের অপেক্ষায় রইলাম। আশা করি এই রানীর এবং রানীর পুত্রের একটা শিক্ষা দিবে লেখক।
শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত একটা আকর্ষণ নিয়ে গল্পটা পড়ে শেষ করলাম কিন্তু সেকি গল্প তো শেষ হয় নাই। অপেক্ষায় রেখে আমাদের প্রিয় লিখিকা নিজেই ডুব দিলেন। এখন কতোদিন যে অপেক্ষা করতে হবে মৎসাকন্যার জন্য। দ্বিতীয় খন্ডের অপেক্ষায় রইলাম।
চমৎকার হয়েছে গল্পটা।
Waiting for last part.
ডুবুরি আর মৎসকন্যা অসাধারণ রোমান্টিক গল্প।প্রথম খন্ড শেষ করে দ্বিতীয় খন্ডের জন্য অপেক্ষ করা এখন কষ্টসাধ্য। অপেক্ষা দীর্ঘ না হোক সেই আশায়। রইলাম।
চমৎকার লেখা। কিন্তু আগে বুঝিনি যে এটা প্রথম পর্ব। আশা করি দ্বিতীয় পর্ব তাড়াতাড়ি আসবে। ফেসবুকে অনেক সময় পর্ব খুঁজে পড়া হয় না দেখেই একবারে বইটই তে কিনে ফেলি। রূদ্ধশ্বাস অপেক্ষায় রইলাম।