

নীল নদের হাজার ফুট গভীরে লুকিয়ে আছে এক রহস্যময় জীন রাজ্য। সেই সাম্রাজ্যের রাজদণ্ড যার ইশারায় চলে, সে হলো জীন রাজত্বের সবচেয়ে চতুর ও মহাশক্তিশালী রাজপুত্র আশিক। ক্ষমতা আর রাজপ্রাসাদের ষড়যন্ত্রে ক্লান্ত হয়ে আশিক যখন মর্ত্যের তীরে নিজের অস্তিত্ব বিলীন করতে আসে, ঠিক তখনই চাঁদের আলোয় এক মায়াবী সুবাসে থমকে যায় তার সময়। নদীর ঘাটে বসা এক অপরূপা মানবকন্যাকে দেখে সে নতুন করে বাঁচবার বাহানা খুঁজে পায়। নিজের আসল পরিচয় আড়াল করে এক সুদর্শন মানবরূপ ধারণ করে আশিক জায়গা করে নেয় সেই মেয়ের মনে। মেয়েটির নাম আয়াত। কিন্তু যাকে সবাই সাধারণ এক রূপবতী মানবকন্যা ভাবছে, তার আড়ালে লুকিয়ে আছে কোন মহাজাগতিক সত্য? ঘড়ির কাঁটায় রাত ১২টা ছুঁয়ে আয়াতের বয়স ১৮ বছর পূর্ণ হতেই কেন তার শরীরে একসঙ্গে জেগে উঠছে শ্বেত-পরী আর কৃষ্ণ-পরীর আলো-আঁধারির এক ভয়ঙ্কর অলৌকিক ক্ষমতা? আয়াতকে কেন ছোটবেলায় মেঘ রাজ্যের 'মারিদ রাজ্য' থেকে চুরি করে এনেছিল অভিশপ্ত আজাজিল বংশের নিষ্ঠুর সম্রাট? জীন, পরী আর মানুষ—সবাই যে এক মহান আল্লাহরই সৃষ্টি এবং তাঁরই ইবাদতকারী বান্দা, সেই পবিত্র সত্যকে বুকে ধারণ করে শুরু হয় এক মহাজাগতিক যুদ্ধ। একদিকে আজাজিলদের মরণঘাতী কালো জাদু, অন্যদিকে জীন রাজা আইনস্টাইনের কঠোর নিষেধাজ্ঞা। সমস্ত বাধা-বিপত্তি উপেক্ষা করে, চতুর রাজপুত্র আশিক কি পারবে তার ভালোবাসাকে রক্ষা করে পুরো জীন রাজ্যকে সাক্ষী রেখে এক শ্রেষ্ঠ রাজকীয় পরিণতির দিকে নিয়ে যেতে? রহস্য, অলৌকিক রোমাঞ্চ আর আত্মিক ভালোবাসার এক অনন্য উপাখ্যান: "আশিকজ্বীন ও আয়াতপরি"
"''আশিকজ্বীন ও আয়াতপরী'' নামটা শুনলেই অদ্ভুত লাগে যে এটা কি হয় জ্বীন আর পরী,,, কহনো প্রেম হয়,,?? কিন্তু এই নাম টা দেখেই পরতে আসলাম অদ্ভুত এক অনুভূতি নিয়ে,, এক কৌতূহল নিয়ে,, যে এটা আসলে সম্ভব কি না,,,,,, এটা পরে এতটা ভালো লাগছে যা বলার বাহিরে,,,,, জ্বীন আর পরীর এই প্রেম কাহিনি অনেক ভালো লাগছে আমার কাছে,,,,,, প্রতিটা অধ্যায় প্রতিটা কথা হৃদয় ছুঁয়ে যায়,,,,, এতো সুন্দর করে উপস্থাপন করার জন্য, আপুকে অসংখ্য ধন্যবাদ এবং ভালোবাসা,,,,,, লাভ ইউ আপি,,,,,,,,এই গল্পে সবচেয়ে বেশি আকর্ষন হচ্ছে,, আয়াত এর মানব থেকে পরী হওয়া টা,, এই টুইস্ট টা সেই লাগছে,,,,,,,যাতে পরার আগ্রহ আরো বেড়ে গেলো,,,,,,সত্যি এটার মতো এতো আকর্ষন নিয়ে,,,এতো আগ্রহ নিয়ে কোনো গল্প পরি নি,,,নাম টা যেমন,,,,তেমন গল্পের প্রতিটা অধ্যায় প্রতিটা কথা তেমন,,,ভালো লাগছে,,কল্পনার প্রতিটা চরিত্র নতুন নতুন অনুভূতির সাথে মিশে গেছে,,,,,, এক কথায় ''''অসাধারণ একটা গল্প''',, কেও মিস না করলে তাড়াতাড়ি পড়ে ফেলুন,, বইটই এ্যাপে,,,,"
''আশিকজ্বীন ও আয়াতপরী'' নামটা শুনলেই অদ্ভুত লাগে যে এটা কি হয় জ্বীন আর পরী,,, কহনো প্রেম হয়,,?? কিন্তু এই নাম টা দেখেই পরতে আসলাম অদ্ভুত এক অনুভূতি নিয়ে,, এক কৌতূহল নিয়ে,, যে এটা আসলে সম্ভব কি না,,,,,, এটা পরে এতটা ভালো লাগছে যা বলার বাহিরে,,,,, জ্বীন আর পরীর এই প্রেম কাহিনি অনেক ভালো লাগছে আমার কাছে,,,,,, প্রতিটা অধ্যায় প্রতিটা কথা হৃদয় ছুঁয়ে যায়,,,,, এতো সুন্দর করে উপস্থাপন করার জন্য, আপুকে অসংখ্য ধন্যবাদ এবং ভালোবাসা,,,,,, লাভ ইউ আপি,,,,,,,,এই গল্পে সবচেয়ে বেশি আকর্ষন হচ্ছে,, আয়াত এর মানব থেকে পরী হওয়া টা,, এই টুইস্ট টা সেই লাগছে,,,,,,,যাতে পরার আগ্রহ আরো বেড়ে গেলো,,,,,,সত্যি এটার মতো এতো আকর্ষন নিয়ে,,,এতো আগ্রহ নিয়ে কোনো গল্প পরি নি,,,নাম টা যেমন,,,,তেমন গল্পের প্রতিটা অধ্যায় প্রতিটা কথা তেমন,,,ভালো লাগছে,,কল্পনার প্রতিটা চরিত্র নতুন নতুন অনুভূতির সাথে মিশে গেছে,,,,,, এক কথায় ''''অসাধারণ একটা গল্প''',, কেও মিস না করলে তাড়াতাড়ি পড়ে ফেলুন,, বইটই এ্যাপে,,,,
Read all reviews on the Boitoi app
দাম অনুযায়ী ঠিকাছে তবে আমি শিওর এই গল্প টার প্রায় ৮০% চ্যাপজিটি দিয়ে লেখা। গল্পে তেমন মজা পাই নি। তবে প্লট টা ভালো লেগেছে। লেখিকা যদি নিজেকে জ্ঞানে পুরাটা লিখতো তবে হয়তোবা ই -বুক টাতে প্রাণ ফিরে আসতে। ওভারওল মোটামুটি ভালো লেগেছে।
amr onk onk vlo laglo ata podte
‘আশিকজীন ও আয়াতপরী’—নাম দেখেই পড়তে বসেছিলাম, আর শেষ না করে উঠতে পারলাম না! আমার লাইফে ফাস্ট গল্প এত সুন্দর লাগছে বলে বোঝাতে পারবো না।লেখিকা আপি তোমাকে আই লাভ ইউ এত সুন্দর বুক গিফ্ট করার জন্য।জীন-পরীর চিরচেনা রূপকথার বাইরে এক দারুণ আধুনিক ও মন ছুঁয়ে যাওয়া গল্প। প্রতিটি অধ্যায়ে ছিল নতুন চমক আর উপচে পড়া অনুভূতি। এক বসায় পড়ার মতো অসাধারণ একটি ইবুক।বইটির রিভিউ এক শব্দে দিলে বলতে হবে—'অসাধারণ'। মিস করতে না চাইলে আজই পড়ে ফেলুন! 🌟✨
Nishita jannat urmi Apur Facebook page a ashik jin o mayabhi konna golper onek boro fan ami e bok a jkhon Apu ashik o ayat k nie rr o akta sundor golpo likhesen jante pere ami ei boi toi teke e bok tao pore nei bolte gele duto golpo tei ashiker kuno jobab nei just ossam se nijer balobasa r ayat er Jonno sobh Korte pare Jara akhono boi toi teke ashik jin o ayatpori golpo ta poroni Tara tari pore nao.r seshe akta kota Nishita jannat urmi Apu osadaron babe golpo ti likhesen
প্রায় ৫ বছর ধরে উপন্যাস পড়ছি। ফেসবুক, বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্ম এবং বই কিনে অসংখ্য গল্প পড়েছি। কিন্তু Boitoi অ্যাপে এটাই ছিল আমার প্রথম পড়া গল্প। জিন রাজপুত্র আশিক এবং পরী রাজকন্যা আয়াতকে নিয়ে সাজানো এই ফ্যান্টাসি গল্পটি সত্যিই ভালো লেগেছে। বিশেষ করে আয়াতের মানবকন্যা থেকে পরী রাজকন্যা হয়ে ওঠার বিষয়টি গল্পকে আরও আকর্ষণীয় করেছে। কাহিনির প্রতিটি অংশ সুন্দরভাবে সাজানো ছিল, যা পড়ার সময় একটুও বিরক্তি আসতে দেয়নি। Boitoi-তে আমার প্রথম অভিজ্ঞতা এত সুন্দর হবে ভাবিনি। লেখিকাকে অসাধারণ একটি গল্প উপহার দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ। ❤️📖✨
Boitoi অ্যাপে লেখিকা নিশিতা জান্নাত উর্মি-র 'আশিকজ্বীন ও আয়াত পরী' ইবুকটি পড়লাম। এক কথায় বলতে গেলে-বইটি আমার মন ছুঁয়ে গেছে! পড়ার পর থেকে এক অদ্ভুত সুন্দর ভালোলাগা মনের ভেতর কাজ করছে। অনেকদিন পর এত চমৎকার, সাবলীল এবং হৃদয়স্পর্শী একটি ফ্যান্টাসি রোমান্স গল্প পড়লাম। গল্পের মূল আকর্ষণ ছিল জীন ও পরীর মধ্যকার এক স্বর্গীয় ও সুন্দর ভালোবাসা। লেখিকা এত নিখুঁতভাবে তাদের সম্পর্কের গভীরতা ফুটিয়ে তুলেছেন যে, প্রতিটি পৃষ্ঠা পড়ার সময় এক মায়াবী জগতের অনুভূতি হচ্ছিল। বিশেষ করে, গল্পের মূল চরিত্র 'আয়াত' এর সাধারণ এক মানবকন্যা থেকে হঠাৎ করে পরীতে রূপান্তর হওয়ার টুইস্টটি ছিল এককথায় অসাধারণ! এই আকস্মিক পরিবর্তন কাহিনীর মোড়কে সম্পূর্ণ বদলে দেয় এবং পাঠকের মনে কৌতূহল ও রোমাঞ্চ বহুগুণ বাড়িয়ে তোলে। 'আশিকীন' এবং 'আয়াত পরী' চরিত্র দুটির মধ্যকার রসায়ন, আবেগ এবং কথোপকথন এতটাই নিখুঁত ও সুন্দর ছিল যে পাঠক হিসেবে গল্প থেকে চোখ সরানো অসম্ভব ছিল। মানব রূপ থেকে পরী রূপে আয়াতের এই রূপান্তর এবং এরপর তাদের ভালোবাসার যে টানাপোড়েন ও মধুর বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে, তা সত্যিই প্রশংসনীয়। লেখিকার সহজ-সরল অথচ গভীর লেখনী শৈলী গল্পটিকে আরও প্রাণবন্ত করেছে। যারা ফ্যান্টাসি, রহস্য এবং মন ভালো করে দেওয়া জীন-পরীর নিখাদ ভালোবাসার গল্পের খোঁজে আছেন, তাদের জন্য Boitoi অ্যাপের এই ইবুকটি একদম পারফেক্ট। এমন একটি অসাধারণ সৃষ্টি উপহার দেওয়ার জন্য লেখিকা নিশিতা জান্নাত উর্মি-কে অসংখ্য ধন্যবাদ। বইপ্রেমী সবাইকে গল্পটি পড়ার জোর রেকমেন্ডেশন রইল!
আশিক জ্বীন ও আয়াতপরী উপন্যাসটিতে শুধু জ্বীন আর পরীর প্রেম কাহিনী তুলে ধরা হয়নি দুটি জগতকে তুলে ধরা হয়েছে। আমার কাছে এটি অনেক সুন্দর লেগেছে একেবারে হৃদয় স্পর্শ করে গেছে। আশিকের এই একটা কথা আমার অনেক ভালো লেগেছে,, "তোমার এই ফর্সা দেহের সমস্ত উষ্ণতা, এই হৃদয়ের তীব্র অবাধ্য কাঁপুনি... আজ রাতে আমি আমার নিজের মাঝে শুষে নেব আয়াত। নীল নদের রাজপুত্র কখনো অর্ধেক ভালোবাসতে শেখেনি!" আমি তো ভাবছিলাম গল্পটা যেন এখানেই শেষ না হয়ে যাই আরো যেন বড় হয় কিন্তু কি করার শেষ হয়ে গেল। গল্পটি পড়ে খুব ভালো লেগেছে। লেখক সুন্দরভাবে আবেগ ও সম্পর্কের গভীরতা তুলে ধরেছেন। চরিত্রগুলো কাল্পনিক ছিল এবং শেষের অংশটি বেশ হৃদয়স্পর্শী। তবে মাঝের কিছু অংশ একটু ধীরগতির মনে হয়েছে। সব মিলিয়ে গল্পটি আমাকে ভাবিয়েছে এবং পড়ার পরও এর অনুভূতি অনেকক্ষণ মনে ছিল।
Boitoi অ্যাপে লেখিকা নিশিতা জান্নাত উর্মি-র ‘আশিকজ্বীন ও আয়াত পরী’ ইবুকটি পড়লাম। এক কথায় বলতে গেলে—বইটি আমার মন.. ছুঁয়ে গেছে! পড়ার পর থেকে এক অদ্ভুত সুন্দর ভালোলাগা মনের ভেতর কাজ করছে। অনেকদিন পর এত চমৎকার, সাবলীল এবং হৃদয়স্পর্শী একটি ফ্যান্টাসি রোমান্স গল্প পড়লাম।গল্পের মূল আকর্ষণ ছিল জীন ও পরীর মধ্যকার এক স্বর্গীয় ও সুন্দর ভালোবাসা। লেখিকা এত নিখুঁতভাবে তাদের সম্পর্কের গভীরতা ফুটিয়ে তুলেছেন যে, প্রতিটি পৃষ্ঠা পড়ার সময় এক মায়াবী জগতের অনুভূতি হচ্ছিল। বিশেষ করে, গল্পের মূল চরিত্র ‘আয়াত’ এর সাধারণ এক মানবকন্যা থেকে হঠাৎ করে পরীতে রূপান্তর হওয়ার টুইস্টটি ছিল এককথায় অসাধারণ! এই আকস্মিক পরিবর্তন কাহিনীর মোড়কে সম্পূর্ণ বদলে দেয় এবং পাঠকের মনে কৌতূহল ও রোমাঞ্চ বহুগুণ বাড়িয়ে তোলে।‘আশিকীন’ এবং ‘আয়াত পরী’ চরিত্র দুটির মধ্যকার রসায়ন, আবেগ এবং কথোপকথন এতটাই নিখুঁত ও সুন্দর ছিল যে পাঠক হিসেবে গল্প থেকে চোখ সরানো অসম্ভব ছিল। মানব রূপ থেকে পরী রূপে আয়াতের এই রূপান্তর এবং এরপর তাদের ভালোবাসার যে টানাপোড়েন ও মধুর বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে, তা সত্যিই প্রশংসনীয়। লেখিকার সহজ-সরল অথচ গভীর লেখনী শৈলী গল্পটিকে আরও প্রাণবন্ত করেছে।যারা ফ্যান্টাসি, রহস্য এবং মন ভালো করে দেওয়া জীন-পরীর নিখাদ ভালোবাসার গল্পের খোঁজে আছেন, তাদের জন্য Boitoi অ্যাপের এই ইবুকটি একদম পারফেক্ট। এমন একটি অসাধারণ সৃষ্টি উপহার দেওয়ার জন্য লেখিকা নিশিতা জান্নাত উর্মি-কে অসংখ্য ধন্যবাদ। বইপ্রেমী সবাইকে গল্পটি পড়ার জোর রেকমেন্ডেশন রইল!