

বিয়ের দশ বছর পেরিয়ে গেলেও আমি এখনো মা হতে পারিনি। এ নিয়ে আশেপাশের মানুষজন তীক্ষ্ণ চোখে আমার দিকে তাকায়। তবে আমার স্বামী রাশেদের কোনো অভিযোগ ছিল না। সে কখনো আমার দিকে তাকিয়ে প্রশ্ন করেনি, কেন আমি তাকে বাবা হওয়ার পূর্ণতা দিতে পারছি না। কখনো আক্ষেপের স্বরে বলেনি, তার বয়স বাড়ছে কিংবা সংসারটা অপূর্ণ। যত কান্নাকাটি, যত অভিযোগ আমিই করেছি। সমাজ যখন আমাকে দোষী বানাতে ব্যস্ত, রাশেদ তখন আমাকে আগলে রেখেছে নিরবে, নিজের মতো করে। তবে একদিন শাশুড়ি আমাকে ডেকে সোজাসাপ্টা প্রশ্ন করে বসলেন, 'এভাবে আর কতদিন যাবে নিরুপমা? মরার আগে আমি কি নাতি-নাতনির মুখ দেখতে পাব না?'
"‘অপূর্ণতায় পূর্ণতা’—নামটা প্রথমে খুব সাধারণ মনে হলেও গল্পটা পড়ার পর নামটার মানে অন্যরকম লাগে। পুরো গল্পটার সাথেই নামটা বেশ সুন্দরভাবে মিলে গেছে। গল্পটা মূলত নিরুপমাকে ঘিরে। বিয়ের দশ বছর পরও মা হতে না পারায় তাকে যে মানসিক চাপ, কথা আর পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে হয়, সেগুলো পড়তে গিয়ে বেশ কয়েকবার খারাপ লেগেছে। সবচেয়ে বেশি ভালো লেগেছে, গল্পটা শুধু একজন নারীর মা হতে না পারার কষ্টের মধ্যে আটকে থাকেনি; এর সঙ্গে একটা সংসার, স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক আর একটা পরিবারের মানসিকতার দিকটাও এসেছে। রাশেদের চরিত্রটাও আমার ভালো লেগেছে। নিরুপমার জায়গাটা বুঝতে পারা এবং তাকে তার অপূর্ণতার জন্য কখনো ছোট না করা—এই বিষয়টা গল্পে বেশ ভালো লেগেছে। আর ‘অপূর্ণতায় পূর্ণতা’ নামটার সার্থকতাটা আসলে গল্পটা পড়তে পড়তেই বোঝা যায়। যেটাকে শুরুতে অপূর্ণতা মনে হয়, গল্প এগোনোর সঙ্গে সঙ্গে সেটাই অন্য একটা অর্থ পেতে থাকে। এখানে পূর্ণতা বলতে শুধু মা হওয়াকে বোঝানো হয়নি, বরং ভালোবাসা দিয়ে একটা সম্পর্ক পূর্ণ হয়ে ওঠার ব্যাপারটাও আছে। গল্পের শেষটাও আমার ভালো লেগেছে। খুব বেশি নাটকীয় কিছু না করে শান্তভাবেই শেষ করা হয়েছে। শেষ করার পর মনে হয়েছে, কিছু সম্পর্ককে বোঝানোর জন্য অনেক কথার প্রয়োজন হয় না। সব মিলিয়ে ‘অপূর্ণতায় পূর্ণতা’ খুব সহজ একটা গল্প, কিন্তু এর ভেতরের অনুভূতিটা সুন্দর। বিশেষ করে পরিবার, মাতৃত্ব আর ভালোবাসার জায়গাগুলো পাঠকের মনে দাগ কাটবে বলেই মনে হয়েছে। ❤️"
‘অপূর্ণতায় পূর্ণতা’—নামটা প্রথমে খুব সাধারণ মনে হলেও গল্পটা পড়ার পর নামটার মানে অন্যরকম লাগে। পুরো গল্পটার সাথেই নামটা বেশ সুন্দরভাবে মিলে গেছে। গল্পটা মূলত নিরুপমাকে ঘিরে। বিয়ের দশ বছর পরও মা হতে না পারায় তাকে যে মানসিক চাপ, কথা আর পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে হয়, সেগুলো পড়তে গিয়ে বেশ কয়েকবার খারাপ লেগেছে। সবচেয়ে বেশি ভালো লেগেছে, গল্পটা শুধু একজন নারীর মা হতে না পারার কষ্টের মধ্যে আটকে থাকেনি; এর সঙ্গে একটা সংসার, স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক আর একটা পরিবারের মানসিকতার দিকটাও এসেছে। রাশেদের চরিত্রটাও আমার ভালো লেগেছে। নিরুপমার জায়গাটা বুঝতে পারা এবং তাকে তার অপূর্ণতার জন্য কখনো ছোট না করা—এই বিষয়টা গল্পে বেশ ভালো লেগেছে। আর ‘অপূর্ণতায় পূর্ণতা’ নামটার সার্থকতাটা আসলে গল্পটা পড়তে পড়তেই বোঝা যায়। যেটাকে শুরুতে অপূর্ণতা মনে হয়, গল্প এগোনোর সঙ্গে সঙ্গে সেটাই অন্য একটা অর্থ পেতে থাকে। এখানে পূর্ণতা বলতে শুধু মা হওয়াকে বোঝানো হয়নি, বরং ভালোবাসা দিয়ে একটা সম্পর্ক পূর্ণ হয়ে ওঠার ব্যাপারটাও আছে। গল্পের শেষটাও আমার ভালো লেগেছে। খুব বেশি নাটকীয় কিছু না করে শান্তভাবেই শেষ করা হয়েছে। শেষ করার পর মনে হয়েছে, কিছু সম্পর্ককে বোঝানোর জন্য অনেক কথার প্রয়োজন হয় না। সব মিলিয়ে ‘অপূর্ণতায় পূর্ণতা’ খুব সহজ একটা গল্প, কিন্তু এর ভেতরের অনুভূতিটা সুন্দর। বিশেষ করে পরিবার, মাতৃত্ব আর ভালোবাসার জায়গাগুলো পাঠকের মনে দাগ কাটবে বলেই মনে হয়েছে। ❤️
Read all reviews on the Boitoi app