

ঋণ ও রক্তজবার ঘ্রাণ বাবার দেওয়া শেষ ৫০০ টাকার নোট আর এক অজেয় লড়াইয়ের গল্প... মহেশপুরের ধুলো-ওড়া বাসস্ট্যান্ডে দাঁড়িয়ে বাবা মেয়ের হাতে শেষ ৫০০ টাকার নোটটা গুঁজে দিয়ে বলেছিলেন, শহরে গিয়ে ভালো করে পড়াশোনা করে ডাক্তার হতে। কিন্তু রুমি ভাবতেও পারেনি, ওই হাত নাড়াটাই হবে বাবার সঙ্গে তার শেষ দেখা! শহরে পৌঁছাতে না পৌঁছাতেই মায়ের বুকফাটা হাহাকারে জানতে পারে, বাবাকে কারা যেন তুলে নিয়ে গেছে। ঋণের বোঝা, চরের জমির ক্রূর রাজনীতি, আর স্থানীয় প্রভাবশালী চেয়ারম্যান লতিফ শিকদারের ক্ষমতার দাপটে হারিয়ে যান এক অসহায় কৃষক। কিন্তু রুমি তো শুধু এক কৃষকের মেয়ে নয়, সে একজন হবু চিকিৎসক! যখন প্রশাসন মুখ ফিরিয়ে নেয়, তখন রুমির পাশে এসে দাঁড়ায় তার সাদা অ্যাপ্রন পরা বিশাল এক পরিবার—তার সহপাঠী মেডিকেল শিক্ষার্থীরা। চরের তপ্ত বালু আর ‘যার লাঠি তার চর’-এর নির্মম আইনের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে রুমি। লতিফ শিকদারের অন্ধকার আড়তের পেছনে লুকিয়ে থাকা এক ভয়ংকর সত্যের বিরুদ্ধে শুরু হয় তার দুর্ভেদ্য লড়াই। বাবার দেওয়া সেই শেষ ৫০০ টাকার নোটটাকে সম্বল করে রুমি কি পারবে চরের মাটির অধিকার আর তার নিখোঁজ বাবাকে ফিরিয়ে আনতে? অন্যায় আর গ্রামীণ রাজনীতির বেড়াজাল ছিঁড়ে এক মফস্বল কন্যার অধিকার আদায়ের তীব্র ও রোমাঞ্চকর উপাখ্যান—“ঋণ ও রক্তজবার ঘ্রাণ”।
"আপু, এটা কী লিখলেন! আপনি যে সিনেমার স্ক্রিপ্টও লিখতে পারেন, তা তো জানা ছিল না। গ্রাম্য রাজনীতির পটভূমিতে এমন টানটান উত্তেজনায় ভরা গল্প পড়ে যেন একটি দুর্দান্ত অ্যাকশন-থ্রিলার সিনেমাই উপভোগ করলাম। এতটা শ্বাসরুদ্ধকর অনুভূতি শেষ কবে পেয়েছি, মনে হয় মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন ভাইয়ের কোনো থ্রিলার, অথবা Sidney Sheldon ও Agatha Christie-র রহস্য উপন্যাস পড়ার সময়। সবচেয়ে ভালো লেগেছে গল্পের গতি, রহস্য আর বুদ্ধিদীপ্ত উপস্থাপন। আমার কাছে তো মনে হয়েছে, এ যুগের একজন 'লেডি ফেলুদা' বললেও অত্যুক্তি হবে না! এমন দুর্দান্ত প্লটের আরও গল্প চাই। আপনার পরবর্তী লেখার অপেক্ষায় রইলাম।"
আপু, এটা কী লিখলেন! আপনি যে সিনেমার স্ক্রিপ্টও লিখতে পারেন, তা তো জানা ছিল না। গ্রাম্য রাজনীতির পটভূমিতে এমন টানটান উত্তেজনায় ভরা গল্প পড়ে যেন একটি দুর্দান্ত অ্যাকশন-থ্রিলার সিনেমাই উপভোগ করলাম। এতটা শ্বাসরুদ্ধকর অনুভূতি শেষ কবে পেয়েছি, মনে হয় মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন ভাইয়ের কোনো থ্রিলার, অথবা Sidney Sheldon ও Agatha Christie-র রহস্য উপন্যাস পড়ার সময়। সবচেয়ে ভালো লেগেছে গল্পের গতি, রহস্য আর বুদ্ধিদীপ্ত উপস্থাপন। আমার কাছে তো মনে হয়েছে, এ যুগের একজন 'লেডি ফেলুদা' বললেও অত্যুক্তি হবে না! এমন দুর্দান্ত প্লটের আরও গল্প চাই। আপনার পরবর্তী লেখার অপেক্ষায় রইলাম।
Read all reviews on the Boitoi app