

পরিবার হচ্ছে সুখের নীড়। মানুষ একা থাকতে পারে না—এটা চিরন্তন সত্য। এই সত্য কেউ শত বলেও খণ্ডন করতে পারবে না, মিথ্যায় বদলাতে পারবে না। মেজর মেজবাহ ইফতেখার ও আকসা খন্দকার দম্পতির জীবন পাঁচমিশালি। টক-ঝাল, মিষ্টি এবং কিঞ্চিৎ তেতো জাতীয় সম্পর্ক তাদের। আকসা মিষ্টি পছন্দ করা মেয়ে এবং একই সঙ্গে ভীষণ জেদি। আর মেজবাহ মিষ্টি চরমভাবে অপছন্দ করা বেপরোয়া পুরুষ। এই দুই বিপরীত সত্তার, বিপরীত স্বভাবের দু’জন একে-অপরকে অদ্ভুত এবং অসম্ভবভাবে ভালোবেসে সংসার গড়েছিল। সেই ভালোবাসার সুন্দর চিহ্ন হিসেবে তাদের জীবনে এলো আরও একটি নতুন অস্তিত্ব, স্নুপি। স্নো-হোয়াইটের অনুরূপ যে! এই স্নুপিকে ঘিরেই তাদের জীবন। সকল ঝড়-ঝঞ্ঝাট পেরিয়ে দিনশেষে তারা একই নীড়ে ফেরে। জনম-জনম ধরে ভালোবাসায় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হয়।
"বইটি শেষ করার পর প্রথম যে অনুভূতিটা এসেছে, তা হলো কৃতজ্ঞতা। এমন একটি গল্প উপহার দেওয়ার জন্য লেখিকাকে আন্তরিক ধন্যবাদ। চরিত্রগুলো অনেক দিন মনে থাকবে।"
বইটি শেষ করার পর প্রথম যে অনুভূতিটা এসেছে, তা হলো কৃতজ্ঞতা। এমন একটি গল্প উপহার দেওয়ার জন্য লেখিকাকে আন্তরিক ধন্যবাদ। চরিত্রগুলো অনেক দিন মনে থাকবে।
Read all reviews on the Boitoi app
দারুনএকটা গল্প পড়লাম,,এর জন্য লেখিকা জিলিক মল্লিক আপুকে অসংখ্য ধন্যবাদ। গল্পের প্রতিটা খন্ড আমি পড়েছি সবগুলো খন্ড ই খুব ভালো হয়েছে অসাধারণ মজার হয়ছে যেটা বলে বুঝানোর মতো না।সীমান্তরেখা,,মেজবাহ ইফতেখার,, জনম-জনম তিনটা পার্ট ই দারুণ লেগেছে,,একটা যাত্রার সুন্দর সমাপ্তি হলো ❤️❤️❤️
হঠাৎ একদিন ফেসবুক স্ক্রোল করতে গিয়ে সামনে একটি গল্প পরে এবং অভ্যাসবসত গল্পটি পড়া শুরু করি।কয়েক লাইন পড়ে দেখলাম গল্পটি ডিফেন্স রিলেটেড অর্থাৎ সীমান্ত রেখা। পরিবারের বেশ কয়েকজন সদস্য ডিফেন্সে জব করার কারণে প্লট টা খুব সহজেই বুঝতে পারি।এভাবে শুরু হলো ঝিলিক আপুর গল্প পড়া।প্রথমে ফেসবুকের পুরনো সব গল্প পড়ে শেষ করি।এবং প্রতিটি গল্প পড়ে খুব ভালো লাগে।এর মধ্যে সীমান্ত রেখার ই বুক বের হয় এবং তা কিনে ফেলি।গল্পটা পড়ে অসম্ভব ভালো লেগেছিল। পরবর্তীতে নিষিদ্ধ শব্দের পত্রলিপি পড়ি এবং এখন পরলাম জনম জনম।এক কথায় অনবদ্য লেখনী। যত পড়ি ততই ভালো লাগে।মেজবাহ এবং আকসাকে নিয়ে গল্প আমি আজীবন পড়ে যেতে পারব এমনটাই মনে হয় আমার। একজন স্টুডেন্ট হওয়ার কারণে এখনো আপনার সব গল্প পড়ে শেষ করতে পারিনি।কিন্তু খুব শীগ্রই মেজবাহ ইফতেখার দিয়ে আবার শুরু করব গল্প পড়া।অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে ঝিলিক আপু এতো সুন্দর সুন্দর গল্প উপহার দেওয়ার জন্য আমাদের ❤️❤️❤️❤️
একটি সুন্দর যাত্রার সমাপ্তি হলো... ✨❤️ আজও স্পষ্ট মনে আছে, কীভাবে আমি "সীমান্তরেখা" গল্পটা পড়া শুরু করেছিলাম। 📖 একদিন টিকটকে একটা ভয়েসওভারে গল্পটার কিছুটা অংশ শুনে বেশ আকর্ষণীয় লেগেছিল। এরপর গুগলে সার্চ করে জানতে পারলাম যে গল্পটার নাম "সীমান্তরেখা" আর এর লেখিকা আমাদের কুট্টুস ঝিলিক আপি। 🥰 যেহেতু ডিফেন্স ব্যাকগ্রাউন্ডের গল্প আমার দারুণ লাগে, আর ‘আর্মি’ তো আমার বরাবরের মতোই ভীষণ প্রিয়, 🪖💚 তাই আর দেরি না করে পড়া শুরু করে দিলাম। তখন ১৮তম পর্ব পর্যন্ত আপলোড করা ছিল। এরপর ইউটিউবে অন্য একটি স্টোরিলাইন দেখে কিছুটা বিভ্রান্ত হয়ে পড়েছিলাম—ভাবছিলাম, ব্যাপারটা কী? 🤔 পরে আপির ফেসবুক পেজে জয়েন করে কমেন্টে জানতেও চেয়েছিলাম যে স্টোরিলাইন আলাদা কেন। কিন্তু আপি হয়তো আমার মতো চুনোপুঁটিকে খেয়ালই করেননি, তাই কোনো রিপ্লাই পাইনি। তখন মনে যে কী কষ্ট পেয়েছিলাম! 💔 পরে অবশ্য বুঝতে পারলাম যে ওটা আসলে ই-বুকের স্টোরিলাইন ছিল, যা সাধারণ পর্বগুলো থেকে আলাদা। ✨ এরপর এলো জীবনের প্রথম ই-বুক কেনার সেই মজার অভিজ্ঞতা! 🤭 মজার বিষয় হলো, তখন আমার কাছে বই কেনার মতো টাকা ছিল না। আম্মুকে গিয়ে একটু বানিয়ে বললাম, "আম্মু, একটা অনলাইন কোর্স কিনব, আমাকে ২০০ টাকা বিকাশ করো তো।" 🤫 ব্যস! সেই টাকা দিয়েই জীবনের প্রথম ই-বুকটা কিনে ফেললাম। আম্মু যদি আজ কোনোভাবে এটা জানতে পারেন, আমার যে কী অবস্থা হবে আল্লাহ-ই জানেন! 💀😂 যাই হোক, "সীমান্তরেখা"র পর এলো দ্বিতীয় পার্ট "মেজবাহ ইফতেখার", আর এখন শেষ হলো তৃতীয় তথা সমাপনী খণ্ড "জনম জনম"। সত্যি, সময় কত দ্রুত চলে যায়! ⏳🎈 আজ আমি ঝিলিক আপির লেখনীর মাধ্যমে চিনি সেই নাকউঁচা, দাম্ভিক মেজবাহ ইফতেখার, তার মিষ্টি স্ত্রী আকশা খন্দকার আর তাদের রাজকন্যা 'স্নুপি'কে। 👸🏻 নামটা এতটাই ইউনিক আর কিউট যে মন ছুঁয়ে যায়। এই "জনম জনম" ই-বুকটিতে মেজবাহ আর আকশার খুনসুটি, মান-অভিমান আর ভালোবাসায় ভরপুর টুনাটুনির সংসারটা খুব সুন্দরভাবে ফুটে উঠেছে। 🏡💞 যদিও পাঠক হিসেবে আমার মনে হচ্ছিল তাদের মিষ্টি রসায়ন আর রোমান্স যদি আরও কিছুটা পেতাম—বিশেষ করে মেজবাহ যেভাবে আকশার চঞ্চলতা আর অ্যাটিটিউড সামলায়, সেই মিষ্টি মুহূর্তগুলো দেখতে দারুণ লাগত (If you know, you know, হেহেহে! 😉🔥)। পরিশেষে এটাই বলব, গল্পটা এক কথায় অসাধারণ ছিল। তৃতীয় পার্ট "জনম জনম" যেন পুরো গল্পটাকে এক পূর্ণতা দিয়েছে, মাশাআল্লাহ! 👑 শেষ অংশটুকু ছিল পুরো কাহিনীর একদম পারফেক্ট একটি সমাপ্তি, যেখানে মেজবাহ আকসা আর স্নুপিকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরে আকসার কপালে আলতো চুমু খেয়ে বলে— “তোমাদের সাথে এই জীবনের সব ইদ থেকে শুরু করে শেষ ইদ পর্যন্ত কাটাতে চাই। তোমাদেরকে সবচেয়ে বেশি ভালোবাসি যে!” 🥹❤️🌙 মেজবাহ একদম সত্যি বলেছে—একটা পুরুষের জীবনে তার স্ত্রী আর সন্তানই তো সব, তার পুরো পৃথিবী। 🌎👨👩👧 মেজবাহ, আকশা আর তাদের ছোট্ট রাজকন্যা স্নুপিকে নিয়ে তাদের এই টুনাটুনির সংসার আজীবন এভাবেই সুখে-শান্তিতে ভরে থাকুক। 🤲🏻✨ ঝিলিক আপির জন্য অনেক অনেক শুভকামনা। 🌟 আপি, তুমি সামনে আরও এমন চমৎকার সব ই-বুক লিখে আমাদের উপহার দাও। আল্লাহ তোমাকে সবসময় সুস্থ রাখুন এবং তোমার লেখনীর ধার আরও বাড়িয়ে দিন। 📝 আমিন। আমার পক্ষ থেকে তোমার জন্য রইল অজস্র ভালোবাসা ও শুভকামনা! 💞🌸✨
অনেক অনেক ভালো লাগছে গল্পটা,, মেজবাহ আকসার কেমিস্টিটা আমার বরাবরই ভালো লাগে,, কোলে তুলে আছার মারাটা কিন্তু দারুন ছিল সাথে আকসার রিয়েকশনটাও
আকসার চরিত্রটি পছন্দ করতে পারলাম না, বেপরোয়া আর সংসার বিমুখ লেগেছে। দাম্পত্য জীবনে দুপাশ থেকেই এফোর্ট দেয়া লাগে। এখানে মেজবাহ একাই ঠেলছে মনে হল। যাই হোক পড়তে মন্দ লাগেনি। মেজবাহ সেরা সন্দেহ নেই।
সীমান্ত রেখা'—নামটির মাঝেই কেমন যেন একটা টানটান উত্তেজনা আর একই সাথে এক বুক বিরহের আভাস পাওয়া যায়। মেজবাহ ও আকসা অভিনীত এই গল্পটি পাঠককে এক আবেগঘন ও মন ছুঁয়ে যাওয়া অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে নিয়ে যায়। প্রধান চরিত্র: মেজবাহ ও আকসা 'সীমান্ত রেখা' শুধু দুটি হৃদয়ের গল্প নয়, এটি মূলত সম্পর্কের মাঝে গড়ে ওঠা অদৃশ্য কিছু দেয়াল বা সীমানার গল্প। গল্পের নায়ক মেজবাহ চরিত্রটি অত্যন্ত গম্ভীর, দায়িত্বশীল এবং কিছুটা বাস্তববাদী। অন্যদিকে, নায়িকা আকসা যেন একরাশ তাজা বাতাস—আবেগপ্রবণ, চঞ্চল এবং ভালোবাসায় কোনো হিসেব না রাখা এক চরিত্র। দুটি ভিন্ন মানসিকতার মানুষের এক হওয়া এবং তাদের জীবনের নানা ঝড়-ঝাপ্টাই গল্পটিকে এগিয়ে নিয়ে গেছে। নামের সার্থকতা বজায় রেখে পুরো গল্প জুড়েই মেজবাহ ও আকসার ভালোবাসার মাঝে বারবার বাঁধা হয়ে দাঁড়িয়েছে পরিস্থিতি কিংবা তাদের নিজস্ব জেদের কোনো না কোনো 'সীমান্ত রেখা'। তারা কি পারবে সব সীমানা পেরিয়ে এক হতে, নাকি সেই রেখার ওপারেই থমকে যাবে তাদের গল্প—এই নিয়েই কাহিনীর মূল রোমাঞ্চ। মেজবাহ: তার ভেতরের নীরবতা আর চাপা কষ্ট পাঠককে মুগ্ধ করবে। সে মুখে সব প্রকাশ করতে না পারলেও, আকসার প্রতি তার ভালোবাসা ও সুরক্ষার তাড়না দারুণভাবে ফুটে উঠেছে। আকসা: আকসার চরিত্রটি গল্পে প্রাণ জুগিয়েছে। তার মান-অভিমান, মেজবাহর ওপর অধিকার খাটানো এবং ভালোবাসার জন্য লড়ে যাওয়ার মানসিকতা পাঠককে সহজেই তার প্রতি সহানুভূতিশীল করে তোলে। মেজবাহর পরিপক্বতা আর আকসার আবেগের এই বিপরীতধর্মী রসায়নই গল্পটিকে এক মুহূর্তের জন্যও একঘেয়ে হতে দেয়নি। তাদের মিষ্টি সংলাপগুলো মনের কোণে দাগ কেটে যায়। লেখকের লেখনী শৈলী গল্পের সবচেয়ে বড় শক্তি এর সহজ-সরল অথচ হৃদয়স্পর্শী ভাষা। প্রতিটি অধ্যায়ের শেষে লেখক এমন কিছু টুইস্ট ও আবেগ ধরে রেখেছেন, যা পাঠককে পরবর্তী পাতার জন্য ব্যাকুল করে তোলে। বিশেষ করে মেজবাহ ও আকসার মানসিক দ্বন্দ্বগুলো খুব সূক্ষ্মভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। "কিছু রেখা ম্যাপে থাকে না, কিন্তু মানুষের মনে এমনভাবে দাগ কেটে যায় যা চাইলেও মুছে ফেলা যায় না।" — গল্পটির মূল ভাব যেন এই একটি লাইনেই লুকিয়ে আছে। চূড়ান্ত মন্তব্য আপনি যদি এমন একটি গল্প পড়তে চান যা আপনাকে হাসাবে, কাঁদাবে এবং ভালোবাসার গভীরতা নতুন করে উপলব্ধি করাবে, তবে 'সীমান্ত রেখা' আপনার জন্য একটি চমৎকার পছন্দ। এর রয়েছে একে একে আরো দুটি পার্ট। মেজবাহ ইফতেখার এবং জনম জনম। মেজবাহর নীরবতা আর আকসার মুখরতার এই যুগলবন্দী অনেকদিন পাঠকের মনে গেঁথে থাকবে। রেটিং: ৪.৯৯/৫ (অবশ্যই পড়ার মতো একটি গল্প এর তিনটি অধ্যায় ই!) আমার এই মন্তব্য এই গল্পটির তিনটি অধ্যায়কে ঘিরেই❤️
Onak onak onak bashiiiiii shoundhor hoise golpo tahh😭. Mon jurai gace puraiiiiii😭❤️.
বরাবর মতো মেজবাহ আকসার গল্প আমার অনেক ভালো লাগে সুন্দর হয়েছে গল্প টা
ভালো লেগেছে ❤️