

পার্বণ এগিয়ে এসে ধপ করে বসে পড়ে পৌষের সামনে। পার্বণের অস্তিত্বে কাঁপন ওঠে নারী কায়াটির। গুটিয়ে নেয় নিজেকে। অথচ এই ছেলেটার কাছেই সে তার সতীত্ব সেই কবেই বিসর্জন দিয়ে বসে আছে। এই ছেলেটার বাচ্চার মা হয়েও এত কাঁপন কোথা থেকে আসে! পুরুষালি হাতটা পৌষের ঘোমটার কাছে নিয়ে যায়। ধীরে ধীরে উন্মোচন করে এক অপার্থিব সুন্দর দৃশ্য। বধূর লাজুক মুখপানে তাকিয়ে বুকের মাঝে তৃপ্তির ঢেউ খেলে যায় পার্বণের। মুখ দিয়ে ওর আপনাআপনি বেরিয়ে আসে, — মাশাআল্লাহ! সুবহানাল্লাহ! আলহামদুলিল্লাহ! পৌষের মুখটা আজলায় ভরে ওর কপালে ঠোঁট ছুঁইয়ে চুমু খায় পার্বণ। বেশ সময় নিয়েই এক গভীর আবেশী চুম্বন আঁকে নিজ বধূর ললাটে। চুম্বন শেষে পৌষের থুতনিতে আঙুল ঠেকিয়ে আলতো করে ওর মুখটা উঁচিয়ে ধরে পার্বণ। পিটপিট করে পার্বণের চোখের দিকে তাকায় পৌষ। লজ্জাবতীর ন্যায় গুটিয়ে যায় পৌষ। তা দেখে গা দুলিয়ে হেসে ওঠে পার্বণ। ওর কানের কাছে মুখ এগিয়ে নেয়। পার্বণের তপ্ত গরম নিঃশ্বাসগুলো আছড়ে পড়ছে পৌষের কর্ণের অগ্রভাগে। শরীরের পশম যেন দাঁড়িয়ে গেল। চোখ বুজে নিল ও। ভারি মজা পেল পার্বণ। লো-ভয়েজে সময় নিয়ে ভেঙে ভেঙে শুধায়, — সব তো শেষ, তোর শরীরের এমন কোনো কোনাও নেই যা আমি দেখিনি। তাও তোর এত লাজ! এত দিনেও বুঝি তোর লাজ ভাঙাতে পারলাম না? — অসভ্য একটা। — সভ্য আমি কোনো কালেই ছিলাম না। তোর ক্ষেত্রে তো তা কানাকড়ি পরিমাণও না। তবে সমস্যা নেই, আজ তোর সব লাজ ভেঙে গুঁড়িয়ে দেব। মুখ লুকায় স্বামীর বুকে। পার্বণও এক দৃঢ় আলিঙ্গনে আগলে নেয় পৌষকে। অতঃপর কিছু একটা মনে পড়তেই জিজ্ঞেস করে, — ছেলে-মেয়ে ওরা কোথায়? পার্বণের বুক থেকে মুখ উঠিয়ে জবাব দিল পৌষ, — ওরা তো সেই ঘুম দিয়েছে। চিন্তা নেই, ওদের ঘুম এত সহজে ভাঙবে না। বাপকে উল্টে এনেছে না, বাপের মতো সব তো পাবেই। — ছি, পৌষ! তুই যে আমার সান্নিধ্য পেতে চাস, এটা বললেই তো হয়ে যেত। পার্বণের দুষ্টুমি করে বলা কথায় পৌষ উঠে যেতে ধরলেই ওর হাত ধরে টেনে ওকে নিজের কোলে বসিয়ে দেয় পার্বণ।

গল্প টা অনেক বেশি সুন্দর হয়েছে সত্যি অসাধারণ🥰
Read all reviews on the Boitoi app
darun ❤️❤️❤️