

সম্পূর্ণ নতুন একটা নাম, নতুন সম্বোধন। চন্দ্রজা প্রতিউত্তর করল না। নিরবে আঁধারের দিকে শুধু এগিয়ে গেল। আঁধার শক্ত বাঁধনে বউকে ধরল। এলোমেলো চুলগুলো কানের পেছনে গুঁজে গালে হাত রাখল। গভীর দৃষ্টিতে তাকিয়ে থেকে বিবাহের পর এই প্রথম আঁধার তার বউয়ের কপালে ওষ্ঠ ছোঁয়ায়। তৎক্ষণাৎ চন্দ্রজা ভিন্ন জগতে হারিয়ে যায়। চোখের পাতা অনিচ্ছা সত্ত্বেও হয়ে যায় বন্ধ। আঁধার দীর্ঘক্ষণ চন্দ্রজার কপালে চুমু দেয়। ধীরে ধীরে নিজেকে সামলে সোজা হয়। চন্দ্রজার দুই গালে হাত রেখে বলে, আমি তোমার প্রতি চরম দুর্বল, বউ। তোমার ধারণার ঊর্ধ্বে। এতটাই দুর্বল যে, তোমাকে হারানোর ভয় পাচ্ছি। পাগল হয়ে যাই, তোমাকে হারানোর খেয়াল মস্তিষ্কজুড়ে বিচরণ করলে। তুমি বুঝতে পারছ ঠিক কতটা অসহায় আমি? তোমার ফেলে আসা পিছুটান আজ থেকে ভুলে যেতে হবে। সবকিছু ভুলে আমার হয়ে বাঁচতে হবে। মতামত চাইছি না, এটাই তোমার নিয়তি। শুধু আমার বাধ্য হয়ে থেকো। বাকিটা আমি সামলে নেব। বাবার কঠোর শাসন এবং বন্দিজীবন থেকে মুক্তির স্বপ্ন চন্দ্রজার জীবনে ঠিক কী কী মোড় নিয়ে আসবে? ডেস্টিনি কোথায় নিয়ে যাবে চন্দ্রজাকে? মিথ্যা পরিচয় কি আদৌ চন্দ্রজার জন্য মঙ্গলজনক হবে? নাকি নিজের সঙ্গে সঙ্গে ভেঙেচুরে ফেলবে কঠোর ব্যক্তিত্বের অধিকারী আঁধার চৌধুরীকেও?
"আমি আপনার সব গুলো গল্প পড়েছি। আপনি আমার পছন্দের লেখিকাদের মধ্যে একজন। আপনার লেখা খুবই সুন্দর গুছানো।তবে গল্পটি আরেকটু বড় হলে ভালো হতো।৩য় খন্ডে অপেক্ষায় রইলাম।"
আমি আপনার সব গুলো গল্প পড়েছি। আপনি আমার পছন্দের লেখিকাদের মধ্যে একজন। আপনার লেখা খুবই সুন্দর গুছানো।তবে গল্পটি আরেকটু বড় হলে ভালো হতো।৩য় খন্ডে অপেক্ষায় রইলাম।
Read all reviews on the Boitoi app
ভীষণ সুন্দর হয়েছে। আমার খুব পছন্দের চরিত্র আঁধার আর চাঁদ.. তৃতীয় খন্ডের জন্য অপেক্ষায় থাকলাম তাড়াতাড়ি দিবেন ❤️