

পলাশবাড়ী থেকে নাবিদের হাত ধরে শহরে পাড়ি দেওয়া জরীর গল্প বলা হয়েছে লাজুকপাতায়। এই আখ্যানে জরী তার নিজের জীবনের উত্থান, পতন, ভালোবাসা, আনন্দ, দুঃখের গল্প বলে গেছে। সেই সঙ্গে আছে জরীর ভালোবাসার মানুষ নাবিদ, পরী আপা, লিপি ভাবী, সুবর্ণা এবং দুই চঞ্চলাবতী টাপুর-টুপুর। জরী জীবনে দুঃখ দেওয়ার মানুষও আছে। আপনজন নিষ্ঠুর, নির্মম হয়ে যাওয়ার গল্পও আছে। কিছু দুঃখ, কিছু আক্ষেপ আর বাকিটা ভালোবাসা নিয়েই জরীর জীবনের একটা অধ্যায়।
"২০২৩ সালে লাজুকপাতা গল্পটা রানিং পড়তাম।তখন ফেসবুকে গল্পের এন্ডিং আমার একদম ভালো লাগেনি।নাবিদের মতো স্বামী পেয়ে কেন জরি অন্য একজনকে নিয়ে ভাবতো তাই জরি উপর ভীষণ রাগ লেগেছিল।আজকে ই-বুক টা পড়ে এত শান্তি লাগছে। এত সুন্দর এন্ডিং দেওয়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ নিপা আপু। 🌸"
২০২৩ সালে লাজুকপাতা গল্পটা রানিং পড়তাম।তখন ফেসবুকে গল্পের এন্ডিং আমার একদম ভালো লাগেনি।নাবিদের মতো স্বামী পেয়ে কেন জরি অন্য একজনকে নিয়ে ভাবতো তাই জরি উপর ভীষণ রাগ লেগেছিল।আজকে ই-বুক টা পড়ে এত শান্তি লাগছে। এত সুন্দর এন্ডিং দেওয়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ নিপা আপু। 🌸
Read all reviews on the Boitoi app
এত মুগ্ধতা নিয়ে জরী আর নাবিদকে পড়েছি। কত কিছু লিখার ইচ্ছে ছিল কিন্তু লিখার সময় কিছুই লিখতে পারছি না। অনেক অনেক ধন্যবাদ আপু ❤️অনেক ভালোবাসা নিবেন❤️
এত সুন্দর বই, মন ভালো হয়ে গিয়েছে।
ভীষণ সুন্দর একটা লেখা,একবসায় শেষ করেছি🤍
অসাধারণ একটি গল্প, যা শুধুই মুগ্ধতা ছড়ায়।
অসাধারণ জাস্ট অসাধারণ! সুবর্নার মতো বন্ধু, নাবিদের মতো বর আর পরীর মতো বোন থাকলে আর কি চাই ! জরীর জন্য এত্ত ভালোবাসা।
ভীষণ ভালো লাগলো। মিষ্টি একটা পারিবারিক, সামাজিক গল্প। জরী চরিত্রটা অনেক সুন্দর সেইসাথে আদর্শ স্বামী হিসেবে নাবিদ চমৎকার। সাংসারিক কূটচাল, কলহ, পারিবারিক মনোমালিন্য সবকিছু খুবই সুন্দর বিশ্লেষণ ছিলো গল্পটায়। টাপুর টুপুর চরিত্র দুটো ভীষণ মিষ্টি। টুম্পা জামিল চরিত্রগুলো ভালো, মন্দ মিলিয়ে হলেও মা-বাবা হিসেবে হয়ত ব্যর্থ তারা। লিপি ভাবি আর পরি আপাকে ভালো লেগেছে। সবমিলিয়ে ১০/১০।
Excellent 🫶
ভীষণ সুন্দর গল্পের প্লটটা। এ যেন সব মেয়েরই জীবনের চিত্র তুলে ধরেছে লেখিকা আপু। একটা মেয়ের বিয়ের আগে বাবার বাড়ির জীবন ও বিয়ের পর শশুর বাড়ির জীবন বাস্তবে তো এমনই হয়। আর যার নাবিদের মত হাসবেন্ড আাছে সেই মেয়েতো সবচেয়ে ভাগ্যবতী। জরীকে অনেক ভালো লেগেছে। জরীর ওর বড় বোনের সাথে বন্ধন দারুণ ছিল। লেখিকা আপুর লেখা এটা আমি প্রথম গল্প পড়লাম। ভীষণ ভালো আপনার লেখা। আপনার লেখা পড়ে আমি মুগ্ধ। অনেক শুভকামনা ও ভালোবাসা। ❤️❤️❤️
এটা আমি ফেইসবুকে পড়ছিলাম তারপরও কিনছি। ভীষণ ভালো লেগেছে। জরীর মতো মেয়েরা আমাদের সমাজের অনেক আছে। একদম যেন বাস্তব চিত্র। এমন শাশুড়ী আর ননদের জন্য কত সংসার ভেঙে যায় সেদিকে জরী অনেক ধৈয্যশীল। খুব ভালো লেগেছে।