

মুসকান ভীষণ গম্ভীর মুখে আরেকটু খাবার দেয়। গুঞ্জন সেটাও মুখে নেয়। ইতোমধ্যে কখন যে আহান পৌঁছে গেছে সদর দরজাটায়, তারপর শব্দহীন পায়ে হেঁটে এসে দাঁড়িয়েছে ওদের নিকটে, তা আর মা-মেয়ের ধারণাতে রইল না। আহান ওদের কাণ্ড দেখছে ঠোঁট টিপে হেসে হেসে। তারপর নিজেও যোগ দিতে চায় এই আদুরে মুহূর্তে। গুঞ্জনের পাশে বসতে বসতে ওদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলে ওঠে, “কই দেখি, আমাকে একটু দিন তো। খেয়ে দেখি কেমন স্বাদ।” গুঞ্জন পাশ ফিরে আহানকে দেখে শুরুতে একটু অবাক হলেও পুনরায় মেয়ের কাজ দেখে। মুসকান একটা গোলাপি রঙের প্লাস্টিকের ছোট প্লেটে অভিনয় করে ভাত, মাছ রাখল। তারপর আহানের সামনে রাখল। আহানও গুঞ্জনের ভঙ্গিগুলো করে খাবার গ্রহণ করে। সবশেষে মেয়ের দিকে হাত বাড়িয়ে দিয়ে কোলে বসিয়ে কপালে চুমু দিয়ে বলল, “দোয়া করি, সংসার জীবনে সুখী হন আম্মা। আমার জামাতা আমার চাইতেও বেশি ভালোবাসুক আপনাকে।”