

ধারার চোখের কোণে এবার আর এক ফোঁটা জলও এল না, বরং এক রাশ তৃপ্তির হাসি ফুটে উঠল। এই মানুষটার সেই ‘তুই’ ডাকটা হারিয়ে গেছে। মেয়ে হওয়ার পর মাঝে মধ্যে ‘তুমি’ বলে সম্বোধন করলেও, ছেলে হওয়ার পর পুরোপুরি এখন পার্মানেন্ট তুমিতেই সম্বোধন করে। এই মানুষটার মুখে ‘তুই’ এবং ‘তুমি’—দুটো শব্দই ধারার কানে চমৎকার শোনায়। ও ওয়াসিফের বুকে মাথা রাখল। বাইরে তখন গানের মিষ্টি সুর বাজছে, মনে হয় লোপা বাজাচ্ছে, ‘পুরানো সেই দিনের কথা, ভুলবি কি হায়...।’ আর ঘরের ভেতরে সাড়ে ছয় বছরের পুরনো ভালোবাসার বন্ধনটা দুই সন্তানের হাত ধরে আরও হাজার গুণ শক্ত হয়ে ডানা মেলছে। ওদের এই সাজানো-গোছানো ছোট্ট পৃথিবীটা এখন সম্পূর্ণ, একদম নিখুঁত।
কিউটনেসেরও তো একটা সীমা থাকে ভাই! 🙈 এই গল্পটা একেবারে সব মিষ্টিতার মাত্রা ছাড়িয়ে গেছে... 🥹 আল্লাহ, এত কিউট কেন!!? ❤️✨ এটা আপুর ৩য় গল্প যেটা আমি পড়লাম। প্রত্যেক বারই সন্তুষ্ট আমি তোমার গল্প পড়ে। 🥰 কত সহজ-সরল ভাষায় লেখা, অথচ তার গভীরতা অনেক বেশি। 💖 প্রথম ২টা পর্ব পড়ে আমি হেসে শেষ! 😂 প্রথম পর্বে ধরা 'আউট অফ নো হোয়্যার' ওয়াসিফকে বলছে— "আপনি ২য় বিয়ে করবেন, আমাকে আর ভালো লাগে না!" 😅 বেচারি পুরোপুরি ইনসিকিউর হয়ে গিয়েছিল। 🥺 অবশ্য প্রত্যেক মেয়েরই বিয়ের পর বাচ্চা হওয়া, ওজন বৃদ্ধি পাওয়া, স্ট্রেচ মার্ক থাকা আর চেহারা মলিন হয়ে যাওয়ার পর এমনটা হয়। 💔 কিন্তু ওয়াসিফ যেভাবে ধরাকে বলল— আয় তোকে দেখাই তুই কতটা মোটা হয়েছিস, আমি তোর দিকে তাকাই না..."— লাইক আআআহহহ, আই ওয়াজ ব্লাশিং সো হার্ড! 🙈🫣 কী কিউট! আর তারপর ওয়াসিফ বলল— "তুই আমার কাছে সেই ৬ বছর আগের ধরা-ই আছিস। আর তোর এই শরীর ভারী হওয়ায় তোকে আরও মোহনীয় লাগে— একজন পরিপূর্ণ মা এবং আমার সংসারের রানি।" 👑❤️ ধরা-র সাথে আমিও গলে জল! 🫠 এইভাবেও যে কারও মনের দ্বিধা-সংকোচ দূর করা যায়, সেটা গল্পটা না পড়লে বোঝাই যেত না। 🥹 ২য় পর্বে আমাদের ওয়াসিকার একটা মানুষওয়ালা বেবি ডল (ছোট ভাই/বোন) চাই। 👶🏻🧸 হায় আল্লাহ! তা নিয়ে কী কান্না! 😭 ধরাকে বলিহারি, কী বলল ওয়াসিকাকে— মানুষওয়ালা ডল নাকি বাজারে কিনতে পাওয়া যায়! 🤦🏻♀️ কিন্তু তার মাকে এতবার বলার পরও যখন কিনে দিচ্ছে না, তখন তার সব অপেক্ষা বাবার জন্য। 🥹 তার বাবা ফিরলে তাকে নিয়ে কিনতে যাবে তার বেবি ডল। 🛍️ বেচারা ওয়াসিফও না বুঝে তার রাজকন্যার আবদার পূরণের জন্য সোজা মার্কেটে যায় বেবি ডল কিনতে। 🏃♂️🛒 এরপর ওয়াসিফকে নিয়ে ওয়াসিকা ১ ঘণ্টা খুঁজেও যখন তার মানুষওয়ালা ডল খুঁজে পেল না, তখন বেচারা ওয়াসিফের টনক নড়ল— তার প্রিন্সেস কোন পুতুলের আবদার ধরেছে! 🤯😂 এরপর ওয়াসিফ-ধরা-র ছোট ছোট ঝগড়া, খুনসুটি আর তাদের ছোট রাজপুত্র ওয়াসিনের জন্ম দিয়ে পুরো একটা ছোট টুনটুনির সংসার পূর্ণতা পেল। 🕊️🏡 শেষের অন্তিম পর্বটা ছিল সত্যি ভীষণ সুন্দর। 💕 তাদের ছোট্ট বাড়ি "ধরা কুঞ্জ"— যেখানে সব কোলাহল শেষে একটুখানি শান্তির নীড় মিলবে। 🌿✨ ৩টা রুম তাদের— একটা ওয়াসিফ-ধরা-র, একটা ওয়াসিকার আর অন্যটা ছোট ওয়াসিনের, ছোট কিচেন আর গেস্ট রুম নিয়ে তাদের এক বাবুই পাখির বাসা! 🪺 আর কত সুন্দর করে ড্রয়িং রুমের দেওয়ালে লেখা— "ধরা-র সংসার"। 🖼️❤️ খুবই পূর্ণতা আর ভালোবাসায় গড়া ওয়াসিফ-ধরা-র সংসার। তাদের এই সংসারের বয়স বাড়ুক, ওয়াসিকা ও ওয়াসিন বড় হোক, আর ওয়াসিফ-ধরা-র বার্ধক্য কাটুক "ধরা কুঞ্জে"-ই। 👴🏻👵🏻💖 পরিশেষে এটাই বলব, আমি একদম তৃপ্ত তোমার গল্প পড়ে। ✨ ভীষণ সুন্দর ছিল গল্পটা— শুধু ভালোবাসা, পূর্ণতা আর সুখ! 🌸 আমাদের আরও এমন সুন্দর সুন্দর গল্প উপহার দাও। 🎁 God bless your hands! 🙏📱 অনেক ভালোবাসা নিও। ❤️ ইতি, তোমার বাচ্চা পাঠিকা ফারিয়া হাসান ✒️
Read all reviews on the Boitoi app
অনেক সুন্দর একটা উপন্যাস আমার খুব ভালো লেগেছে 😌😌