

“এইভাবে না।” “তাহলে কীভাবে?” “আম্মু আগে তরমুজের মাথা কাটে।” ফারিস তরমুজ উল্টেপাল্টে দেখল। তারপর মীরাকে জিজ্ঞেস করে, “এটার মাথা কোনটা আর পাছা কোনটা? সবই তো এক রকম লাগছে।” “বুঁটা আছে না, ওইটা মাথা।” “পেয়েছি।” “এবার পাছা কাটো।” “ইয়াক, কীসব নোংরা কথা বলিস। এসব তোকে কে শেখায়, হু? তোর মা?” “কেন? কী হয়েছে?” “তরমুজের পাছা কাটলে ও হাগু করবে কী করে? বেচারা তো হিসুও করতে পারবে না।” মীরা একটু ভেবেচিন্তে বলে, “তাই তো। তাওলে থাক, পাছা কেটো না।” “তাহলে এরপর কী করব?” “আল্লাহু আকবার বলে জবাই করে দেও।” “তরমুজ কাটতে আল্লাহু আকবার বলতে হয়, জানা ছিল না তো?” “বলেই তো। আম্মু বলে বিসমিল্লাহ, মীরা বলে আল্লাহু আকবার।” “তাহলে আমি কি বলব? ইন্না লিল্লাহ!”
""মিরার পরিবার"গল্প টা অনেক অনেক ভালো লাগলো 🥰 আপুকে অনেক অনেক ধন্যবাদ মিরা ফারিস মার্জিয়া কে একসাথে পূর্ণতা দেওয়ার জন্য ফেসবুক যখন মার্জিয়ার মৃত্যুর পর্ব টা পড়েছিলাম তখন অনেক হতাশ হয়েছি অনেক আশা ছিল আপু তাদের পূর্ণতা দিবে তারমধ্যে ই-বুক ও বের হলো তখন আমি বুঝলাম আপু মেয়বি ফেসবুকে ওদের পূর্ণতা দিবে না আমার কাছে টাকা না থাকায় এতদিন কিনতে পারছিলাম না গতকাল আলহামদুলিল্লাহ "মিরার পরিবার"কিনে ফেলেছিইইইই 🤩😫 পড়ে অনেক অনেক ভালো লাগলো বিশেষ করে মুইন চাতচু চরিত্রটি অনেক ভালো লাগলো আপুর লেখা প্রতিটি গল্প আমার কাছে খুব ভালো লেগেছে 💓 আপুর প্রশংসা না করলেই নয় প্রতিটি গল্পের সব চরিত্র কে উনি নিখুঁত ভাবে ফুটিয়ে তুলেছে যার জন্য অনেক ভালো লাগে গল্পগুলো যাই হোক আপুর জন্য অনেক দোয়া করি তুমি তোমার স্বপ্নের দিকে এগিয়ে যাও তোমার এই লেখিকা জীবনে যেই স্বপ্ন আছে তা যেন পূর্ণ হয় সবশেষে আবারো ধন্যবাদ পাঠক - পাঠিকা দের আবারো সুন্দর একটা মিরার পরিবার উপহার দেওয়ার জন্যওওওওওওওও 😭🫶"
"মিরার পরিবার"গল্প টা অনেক অনেক ভালো লাগলো 🥰 আপুকে অনেক অনেক ধন্যবাদ মিরা ফারিস মার্জিয়া কে একসাথে পূর্ণতা দেওয়ার জন্য ফেসবুক যখন মার্জিয়ার মৃত্যুর পর্ব টা পড়েছিলাম তখন অনেক হতাশ হয়েছি অনেক আশা ছিল আপু তাদের পূর্ণতা দিবে তারমধ্যে ই-বুক ও বের হলো তখন আমি বুঝলাম আপু মেয়বি ফেসবুকে ওদের পূর্ণতা দিবে না আমার কাছে টাকা না থাকায় এতদিন কিনতে পারছিলাম না গতকাল আলহামদুলিল্লাহ "মিরার পরিবার"কিনে ফেলেছিইইইই 🤩😫 পড়ে অনেক অনেক ভালো লাগলো বিশেষ করে মুইন চাতচু চরিত্রটি অনেক ভালো লাগলো আপুর লেখা প্রতিটি গল্প আমার কাছে খুব ভালো লেগেছে 💓 আপুর প্রশংসা না করলেই নয় প্রতিটি গল্পের সব চরিত্র কে উনি নিখুঁত ভাবে ফুটিয়ে তুলেছে যার জন্য অনেক ভালো লাগে গল্পগুলো যাই হোক আপুর জন্য অনেক দোয়া করি তুমি তোমার স্বপ্নের দিকে এগিয়ে যাও তোমার এই লেখিকা জীবনে যেই স্বপ্ন আছে তা যেন পূর্ণ হয় সবশেষে আবারো ধন্যবাদ পাঠক - পাঠিকা দের আবারো সুন্দর একটা মিরার পরিবার উপহার দেওয়ার জন্যওওওওওওওও 😭🫶
Read all reviews on the Boitoi app
সত্যি বলতে গল্পটা পড়াই শুরু হয়েছে শুধু মীরার জন্য।এই গল্পে আমার জন্য মীরা থাকাই মানে গল্প পরিপূর্ণ।কিন্তু এর মানে এই না যে যা তা গল্প শুধু মীরাকে ভালো লাগে তাই পড়ি।গল্পটি খুবই সুন্দর।কিন্তু একটা কথা বলবো ফারিস মীরার সম্পর্ক থেকেও বেস্ট লাগে মুইন চাতচুকে যে শুধু মীরাকে কে না তার বাবার ও ঢাল।
গল্পটা খুবই সুন্দর ছিল। মীরা এতো আদুরে বাচ্চা একে নিয়ে আসলে বলার কিছু নেই। ওর আদো আদো বুলি বেশি মন ছুঁয়েছে। বাবা আর মেয়ের যেই বন্ধনটা ফুটিয়ে তুলেছেন তা আসলেই অসাধারণ। মেয়েরা বাবা অন্তুপ্রাণ হয়, কাহিনিটাতে খুব সুন্দর করে তুলে ধরেছেন। মীরাকে নিয়ে আরও একটা ই-বুক করবেন রিকুয়েষ্ট রইলো। মীরা কিন্তু অবশ্যই ছোট থাকবে। ছোট্ট মীরাকেই পড়তে বেশি ভালো লাগে।
মীরার পরিবার গল্পটা সত্যি অসাধারণ হয়ছে।বিশেষ করে মীরা কথা এতো সুন্দর কি বলবো,,, মাহির আর মীরার চরিত্র বেশি ভালো লাগছে 🤍🤍 সবার চরিত্র খুব ভালো ছিল,,, ফারিসের তরমুজ পাগলী মেয়ে 🌸যতো পড়ি শুরু পড়তেই ইচ্ছে করে 🌼🌼🌼সবশেষে বলবো ফারিস,মার্জিয়া,মাহির, মীরা সবাইকে খুব ভালো লাগছে ❤️সবমিলিয়ে মীরার পরিবারকে খুব খুব খুব বেশি ভালো লাগছে ❤️❤️
মীরার পরিবার গল্পটার ব্যাপারে কী বলব, বুঝতেই পারছি না! প্রত্যেকটা চরিত্র আপনি এত সুন্দর করে ফুটিয়ে তুলেছেন যে, প্রশংসা করার মতো শব্দই যেন খুঁজে পাচ্ছি না। প্রত্যেকটা চরিত্রই আলাদা করে মনে দাগ কেটে যায়। তবে সবথেকে বেশি ভালো লাগার চরিত্র হলো মীরা। আপনি মীরা নামক এই বাচ্চা চরিত্রটাকে এত সুন্দর করে ফুটিয়ে তুলেছেন যে, সত্যিই প্রশংসা করার ভাষা খুঁজে পাচ্ছি না। ওর ওই বাচ্চা বাচ্চা কথাবার্তা—এতটাই মিষ্টি লাগে আমার যে, ওকে যতটা ভালো লেগেছে, সেটা ঠিকভাবে বোঝানোই কঠিন।পড়তে পড়তে চোখের সামনে যেন মীরার একটা গোলুমোলু ছবি তৈরি হয়ে যাচ্ছিল, কল্পনায় ওকে দেখতে পাচ্ছিলাম। এটাই বলব, আমার সবথেকে প্রিয় চরিত্র হলো তরমুজপ্রেমী মীরা। 🍉❤️
এইমাত্র পড়া শেষ করলাম আর চলে আসলাম নিজের মনোভাব জানাতে। কুট্টু মীরা আমাকে এই পর্যন্ত নিয়ে এসেছে। বাচ্চা চরিত্র ফুটিয়ে তোলা এত সহজ না। সবাই পারেও না। আমি অল্পসংখ্যক লেখিকা পেয়েছি যারা বাচ্চা চরিত্র গুলোকে এত প্রাণবন্ত করে তুলতে পারে আর সেই তালিকা লেখিকা আপু আপনিও যোগ হলেন। এই পুরোটা গল্প জুড়ে আমার অনেকগুলো অনুভূতি কাজ করেছে। মার্জিয়ার উপর রাগ উঠেছে ওর বাবাকে চরম বিরক্তিকর লেগেছে আবার মীরা ও তার বাবা মন কেড়েছে। সবচেয়ে বেশি মন কেড়েছে ফারদিন ও মহিন চরিত্রটি। একদম পারফেক্ট দুজন মানুষ। শেষদিকে তো আমার লোভ লেগেছে মহিন আর মিরার তরমুজ আন্টিকে পড়ার। অনুরোধ রইলো তাদের নিয়ে ও কিছু আনার। আমি এই মহিন চরিত্রটিকে আলাদা চাই। এই গল্পে নিজের প্রিয় দিক গুলো বললাম এবার কিছু হতাশাজনক দিক বলি কেমন। আমি মিরা ও তার বাবার বন্ডিংটা ঠিক তেমন করে পেলাম না হ্যাঁ তাদের জুটি এখানে ও সুন্দর কিন্তু প্রিয় বাবার প্রত্যেকটা পর্ব না হলে ও আমি কয়েকবার রিপিট করেছি সেই জায়গা থেকে ইবুক আমাকে কিছুটা হতাশ করেছে। হ্যাঁ জানি গল্প বিস্তর আকারে ফুটানো যায় তবুও বলবো মহিন মিরা ফারিস এদের মূহূর্ত গুলো কিছুটা হতাশ করেছে । কিন্তু তাই বলে এটা না যে আমার পছন্দ হয়নি। বইটার সাথে সময়টুকু দুর্দান্ত কেটেছে। লেখিকার জন্য শুভকামনা রইলো। আর অনুরোধ রইলো মহিন চরিত্র কে নিয়ে ও একটু ভাবার। তরমুজ আন্টি কিন্তু মন্দ না।
"মীরার পরিবার" গল্পটা সত্যিই খুব সুন্দর। পড়ে মন ছুঁয়ে গেলো। ❤❤❤❤
"মিরার পরিবার" 🥰 এমন একটি গল্প, যা পড়তে শুরু করলে শেষ না করে ওঠা যায় না। ছোট্ট মিরার নিষ্পাপ কথা, দুষ্টুমি আর পরিবারের মায়াময় মুহূর্তগুলো মনটা ভরে দেয়। প্রতিটি পর্বেই নতুন এক ভালো লাগা কাজ করে। লেখিকার লেখনী সত্যিই অসাধারণ। মিরার কিউটনেসে বারবার মুগ্ধ হয়েছি। অনেক অনেক ভালোবাসা গল্পটির জন্য। 🥰💖❤️❤️❤️
টুকু মিরা 🥰 একটি বাচ্চা চরিত্র, মিরার টুকুর টুকুর কথা বলা, বাচ্চা বাচ্চা চঞ্চলতা এতো ভালো লাগে মনে হয় পড়তেই থাকি। (মিরার পরিবার) গল্প টি এতোটাই কিউট হইছে, আমার কাছে মনে হয় লেখিকা সাহেবা সত্যিই সার্থক এটা লিখে। বাচ্চা চরিত্রের কুটুর মুকট মিরা, 🥰🥰💝💝
মীরার কুটুর কুটুর কথা গুলো সেরা লাগে,মন চায় সারাদিন পড়তে থাকি,আর এই(মীরার পরিবার)এই পুরো ইবুক টাতে ওর দুষ্টু মিষ্টি কাহিনি দিয়ে পরিপূর্ণ🥹❤️🩹