

অতঃপর একটি পারিবারিক ছবি তোলা হলো। যেটা আদতে কোনো সাধারণ ছবি ছিল না। সেই ছবিটিতে ছিল একটি পরিবার। যেই পরিবারটি হাজার বার ভাঙার পরেও হন্যে হয়ে সুখের খোঁজে মত্ত ছিল। ওই এক ছবিতে ছিল অসম্ভব শক্তিশালী এক মানিয়ে নেওয়ার গল্প। সৎ মা থেকে মা হওয়ার গল্প। সৎ ছেলে থেকে ছেলে হওয়ার গল্প। বিশ্বাসঘাতকতা আর বিচ্ছেদের বিশ্রী গল্প। পাপ থেকে প্রিয়জন হওয়ার গল্প। ছোট পাপা থেকে পাপা হওয়ার গল্প। ভুল থেকে শিক্ষা নেওয়ার গল্প। কিশোরী অনুভূতি থেকে স্বামী-স্ত্রী হওয়ার গল্প। এটাই সরোবর নামক সিকদার বাড়ির গল্প। যেখানে অজস্র তিক্ততা, দুঃখ থাকা সত্ত্বেও তারা ভালো থাকতে চায়। এবং উপসংহারে তারা সবাই ভালো থাকা খুঁজে পায়। উপসংহারেই লুকিয়ে থাকে এক সুখময় সূচনার গল্প। আমরা যেখানে সমাপ্তি খুঁজে পাই, জীবন ঠিক সেই জায়গায় নতুন এক সূচনা খুঁজে নেয়। তপোবন, রূপকথা, মৌনতা, এরোজ—ভেবেছিল প্রভাতের শুরুতেই তাদের জীবন উপসংহার টেনে নিয়েছে। কিন্তু তারা জানত না, অপরাহ্নে আরও একটি স্নিগ্ধ উপসংহার তাদের জন্য অপেক্ষা করছে। যেই উপসংহারের নাম অপরাহ্নে উপসংহার!
"বইটা শেষ করে সর্বপ্রথম যে কথাটি মনে হচ্ছে, এতোদিন এদের সবাইকে পড়ে এতই অভ্যস্ত হয়ে গিয়েছি, এখন দিন কিভাবে কাটবে! একটি পরিবার আর তার আশেপাশের মানুষ গুলোর জীবনের জটিল-কোমল বৃত্তান্ত নিয়ে এই উপাখ্যান। কখনো হাসতে হাসতে ঢলে পড়বেন তো কখনও বুকটা দুমড়ে মুচড়ে ভেঙে যাবে ঘটনা প্রবাহে। দিনের শুরুতে জয়ী হয়ত অপরাহ্ণে হেরে যাওয়া সত্তা। খুবই তাৎপর্যপূর্ণ উপন্যাসের শিরোনামটি। লেখিকা এ বিষয়ে ভূয়সী প্রশংসার দাবি রাখেন, চরিত্রের নামকরনের পাশাপাশি বইটির নামকরও যথাযথ। এতো বড় উপন্যাসের বিস্তারিত রিভিউ লিখতে গেলে আরেকটা ছোট গল্প হয়ে যাবে সন্দেহ নেই। খুবই আবেগময় উপন্যাসটি বিভিন্ন ঘটনা ও জীবনের শিক্ষায় পরিপূর্ণ। লেখনী একটু গুরুগম্ভীর ও জটিল ভাষায় লেখা হয়েছে। কিছু কিছু জায়গায় অতিরিক্ত ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ করা হয়েছে মনে হয়েছে। যেটা আসলে পাঠকদের কাছে ছেড়ে দেয়াই উত্তম। লেখক যখন লেখেন সেটা তার সৃষ্টি, আবার পাঠক যখন সেটা পড়ে তখন পুরোপুরি সেটা পাঠকের কল্পনার জগত হয়। এখানে লেখকের ভাবনা রাখাটা আসলে অবান্তর। সবাইকে ছাপিয়ে তপোবনের কথা না বললেই নয়। শরৎচন্দ্রের স্বামী গল্পের ঘনশ্যামের কথা মনে পড়ে যায় ওকে পড়লে। কি অসম্ভব মায়া দিয়ে জড়িয়ে রাখে সবাইকে! চমৎকার একটি উপাখ্যান ❤️❤️❤️"
বইটা শেষ করে সর্বপ্রথম যে কথাটি মনে হচ্ছে, এতোদিন এদের সবাইকে পড়ে এতই অভ্যস্ত হয়ে গিয়েছি, এখন দিন কিভাবে কাটবে! একটি পরিবার আর তার আশেপাশের মানুষ গুলোর জীবনের জটিল-কোমল বৃত্তান্ত নিয়ে এই উপাখ্যান। কখনো হাসতে হাসতে ঢলে পড়বেন তো কখনও বুকটা দুমড়ে মুচড়ে ভেঙে যাবে ঘটনা প্রবাহে। দিনের শুরুতে জয়ী হয়ত অপরাহ্ণে হেরে যাওয়া সত্তা। খুবই তাৎপর্যপূর্ণ উপন্যাসের শিরোনামটি। লেখিকা এ বিষয়ে ভূয়সী প্রশংসার দাবি রাখেন, চরিত্রের নামকরনের পাশাপাশি বইটির নামকরও যথাযথ। এতো বড় উপন্যাসের বিস্তারিত রিভিউ লিখতে গেলে আরেকটা ছোট গল্প হয়ে যাবে সন্দেহ নেই। খুবই আবেগময় উপন্যাসটি বিভিন্ন ঘটনা ও জীবনের শিক্ষায় পরিপূর্ণ। লেখনী একটু গুরুগম্ভীর ও জটিল ভাষায় লেখা হয়েছে। কিছু কিছু জায়গায় অতিরিক্ত ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ করা হয়েছে মনে হয়েছে। যেটা আসলে পাঠকদের কাছে ছেড়ে দেয়াই উত্তম। লেখক যখন লেখেন সেটা তার সৃষ্টি, আবার পাঠক যখন সেটা পড়ে তখন পুরোপুরি সেটা পাঠকের কল্পনার জগত হয়। এখানে লেখকের ভাবনা রাখাটা আসলে অবান্তর। সবাইকে ছাপিয়ে তপোবনের কথা না বললেই নয়। শরৎচন্দ্রের স্বামী গল্পের ঘনশ্যামের কথা মনে পড়ে যায় ওকে পড়লে। কি অসম্ভব মায়া দিয়ে জড়িয়ে রাখে সবাইকে! চমৎকার একটি উপাখ্যান ❤️❤️❤️
Read all reviews on the Boitoi app
আপনার প্রায় সব লেখাই পড়া হয়ে গেছে এত সুন্দর আপনার লেখনী প্রতিবার প্রতিটা লেখাই মন্ত্রমুগ্ধের মত পড়ি আর অপরাহ্নে উপসংহার নিয়ে যায় বলব তাই কম হয় এত সুন্দর প্রতিটা চরিত্রের বিশ্লেষন.. সত্যি বলতে আমি বর্তমান সময়ে খুব কম লেখকের লেখা পড়েই মুগ্ধ হই কোনো লেখকের সব গল্প পড়িনি.. but আপনার লেখা এতই সুন্দর যে আপনার একটা লেখাও না পড়ে থাকতে পারি না ... কিভাবে লেখেন এত সুন্দর তা জানি না তবে এটুকুই বলব আরও আরও লেখা দিয়ে আমাদের মুগ্ধ করুন..অনেক ভালোবাসা ♥️
অসাধারণ একটি গল্প, গল্পটা পড়ার সাথে সাথে যেন মনের ভেতর গেঁথে যাচ্ছিল। আপুকে ধন্যবাদ এমন একটি সুন্দর সৃষ্টি উপহার দেওয়ার জন্য ❤️❤️
golpo tar moddhe just dube gesi ... Atto vlo likhoni upohar er jonne onk dhonnobad tonima apu ♥️😘
ফেইসবুকে এই গল্পটি আগেই পড়েছি।তবে রূপকথার সংসার তার তানশানের পাপা তপোবন এর ছানাদের পড়ার লোভে অপরাহ্নে উপসংহার গল্পটির ইবুক কিনা।আর এরোজ এর মৌনতার প্রতি নিভূল ভালবাসার জন্যই পড়া গল্পটি।সব চরিত্র আমার কাছে বেস্ট।তবে রূপকথা আর রূপকথার বর তপোবন সিকদারকে পড়তে আমার খুব ভালো লাগে।লেখিকা আপুর কথা কি বলবো।অসাধারণ আপুর লেখনী যা ভাষায় প্রকাশ করার মত না। ফেইসবুক ও ইবুকের আপুর সব গল্প পড়া শেষ।রিভিউ লিখতে আলসেমি লাগে।আমি খুব অলস।আর গুছিয়ে লিখতে পারিনা।আপু আরো সুন্দর সুন্দর গল্প উপহার দাও এই দোয়া করি।ভালো থেকো সবসময় ❤❤❤❤❤
অসাধারণ একটি বই আর তোনিমা খান তোমার জন্য ভালোবাসা রইলো
অসম্ভব সুন্দর একটা উপন্যাস ছিল, খুবই সুন্দর এবং আরামদায়ক একটি গল্প। জীবন নামক নদী বা সমুদ্র কখন যে কীভাবে বয়ে যায় সেটা একমাত্র সৃষ্টিকর্তা ছাড়া আমরা কিছুই জানি না,মাঝে মাঝে জীবন খুবই বরফ শীতল আবার মাঝে মাঝে খুবই উষ্ণ অভ্যর্থনা দিয়ে আমাদের স্বাগত জানিয়ে দেয়। যাই হোক লেখিকার লেখনী নিয়ে কোনো কথা নেই, তিনি বরাবরই একজন অসাধারণ বাচনভঙ্গি সম্পন্ন লেখিকা, খুবই চিন্তাশীল লেখনী।ফেসবুক এ্যাপস এ উপন্যাসটা পড়েও এখানে সংরক্ষণ করে রেখে দিলাম।
আপু বরাবরই দারুণ গল্প লিখে। আপু গল্পে শব্দচয়ন গুলো দারুণভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন যা গল্পের জন্য মাননসই। আমি প্রথম তোমার মৃগাঙ্ক গল্প পড়ে মুগ্ধ হয়েছিলাম।তারপরই অপরাহ্নে উপসংহার গল্পটি পড়ি।তপোবন-রুপকথার ছানাপোনাদের দারুণ মেলবন্ধন ও এরোজ-মৌনতার নায়েল ও শেহরোজ তাছাড়া রোজ সহ গল্পের সবারই চরিত্র সুন্দর করে তুলে ধরেছেন।আমি ভীষণ মুগ্ধ হয়েছি এ গল্প পড়ে। যারা এ ই-বুক কিনতে চাচ্ছেন তারা কিনতে পারেন। এক টাকাও লস হবে না সব টাকা উসুল। এত বড়ো ই-বুক বইয়ের দাম এমনিতেই অনেক কম পড়ছে। শুভকামনা রইলো আপু।এবার মৃগাঙ্ক গল্প টা বই রুপে আনো প্লিজ।।
গল্পটা আমাদের খুব কাছের। প্রচন্ড ভালবাসা, বিশ্বাসঘাতকতা, অপরিনামদর্শীতা, কর্মফল, মেনে নেয়া মানিয়ে নেয়ার সংসারের সুন্দর সুস্থ সম্পর্কের পরিনতি, একাগ্রতা, সৃষ্টিকর্তার উপর অগাধ বিশ্বাসের চমৎকার পুরষ্কার, প্রতিটা বয়সের সৌন্দর্য, বাহ্যিক সৌন্দর্য্যের থেকে মানবিক সৌন্দর্য্যের গুরুত্ব, প্যারেন্টিংয়ের প্রতিটা ধাপ বিশ্লেষণ, সম্পর্কে আপন সৎ থেকে আত্মার বন্ধন কতটা গুরুত্বপূর্ণ ...... কী নেই এই গল্পে! লেখিকা তনিমা খানের অসাধারণ লেখনী এই অপরাহ্নে উপসংহার 🥰 আমাদের জন্য পুরোটাই একটা ভালবাসা 💙💙💙
এক কথায় অসাধারণ একটা গল্প। আমি ফেসবুকে আগেই পড়েছি। ইবুক আকারে আসার পর আমার ইচ্ছে ছিলো কেনার আমি কিনেছি। গল্পটা অসাধারণ। যে পড়বে লেখিকার লেখার প্রতি মুগ্ধ হবে। কোনো কিছু অতিরিক্ত নেই। সব কথায় একটা পারফেক্ট পারিবারিক গল্প এবং ভালো লাগার গল্প। 🫰🫰🫰❤️