

সেই অলুক্ষণে দিনটা আজই ছিল। ঘণ্টাখানেক আগে কবুল বলে এসে এই ভরদুপুরে ছাদে বসে বসে রৌদ্রে পুড়ছিলাম। গায়ে বেনারসি শাড়ি আর গা-ভর্তি সোনার গহনা পরা আমিটার মুখের মেকআপ শ্রাবণের রৌদের ভ্যাপসা গরমে গলে গলে গাল চুইয়ে গলা বেয়ে নামছে। এমন অবস্থায় নিপু ভাইয়া কোত্থেকে ছাদে এসে হাজির। তখুনি সব রাগের ঝাল একবারে মেটাতে মাথার ঘোমটা ফেলে কোমড়ে আঁচল বেঁধে, মনের তিক্ত মেজাজ, তিরিক্ষি কথাবার্তা নিপু ভাইয়ার ওপর ঝাড়তে শুরু করেছি। সে চুপচাপ শুনলেন এতক্ষণ। আমি একটানা কথা বলা শেষ করে জোরে জোরে দম ফেলে শ্বাস নিচ্ছি আর হাতের উল্টো পিঠ দিয়ে চোখের জিদ্দি অশ্রু মুছছি। আচমকাই ভারী গলায় নিপু ভাইয়া বলল, —‘আমার সাথে পালাবি স্বর্ণলতা? চল না পালাই? সত্যি ভালোবাসি তোকে। থেকে যা না আমার কাছে।’ দ্বিতীয় বারের মতো মাথায় বাজ পড়ার অনুভূতি নিয়ে নির্বাক তাকিয়ে আছি—শৌর্যে-বীর্যে তুখোড় অভিব্যক্তিসম্পন্ন নিপু ভাইয়ার বেদনামিশ্রিত অভিমানী মুখের দিকে।
"এক কথায় এত মিস্টি একটা বই, যা না পড়লে সবাই মিস করবেন। সুমন্ত স্বর্ণর এই মিস্টি বইটার জন্য লেখিকা আপাকে অনেক অনেক।ধন্যবাদ। সু"
দারুন উপভোগ্য ছিল। পড়ে মনের আশ মিটলো না। আরেকটু বড় হলে কি হত?
Read all reviews on the Boitoi app
এক কথায় এত মিস্টি একটা বই, যা না পড়লে সবাই মিস করবেন। সুমন্ত স্বর্ণর এই মিস্টি বইটার জন্য লেখিকা আপাকে অনেক অনেক।ধন্যবাদ। সু
এই গল্প সুমন্ত আর স্বর্ণলতার। যাদের পরিবার বেধে দেয় এক পবিত্র বন্ধনে। কিন্তু অপরিণত স্বর্ণলতা সেই বন্ধন চায়নি, সে কী শেষমেশ মেনে নেয় সুমন্ত কে!!! পরিবার তার সন্তানের জন্য সবসময় ভালোই চায়, কিন্তু সেই সন্তানেরা সেটা বুঝতে অনেকসময় দেরি করে ফেলে। আর নিজের জন্য চিন্তা করতে গিয়ে তারা পরিবারের সম্মানহানির কথাও ভাবে না। তবে সেই বুঝটা হয় কিছু হারানোর মাধ্যমেই। অমিয় গল্প শুধু ভালোবাসার গল্প নয়, এটা পরিবারের গল্প, একা একা নিজেকে গড়ে নেয়ার গল্প, আর সব শেষে পবিত্র এক বন্ধনের গল্প।
আআআআআ কতদিন পর একা আপুর নতুন ই-বুক। সম্পর্ক ব্যাপারটা যত সহজ ততটাই জটিল ও। বয়স, অভিজ্ঞতা কিংবা মানসিকতা সবটাই এর ভিত্তিতে। বাবা-মা সন্তানের ভালো থাকার প্রয়াসেই সিদ্ধান্ত নেন, কখনো তা সঠিক আবার কখনো হিতে বিপরীত ও। অমিয় সম্পর্কের এমন কিছুই তুলে ধরে, রক্তের সম্পর্কে আলাদা অনুভূতির প্রয়োজন নেই। তবে কবুলে জোড়া সম্পর্কে ঐ মধুর তৃপ্তি না থাকলে প্রাণের আনন্দ কোথায়। সুমন্ত-স্বর্ণ-শর্মি-নিপু কে কোথায় বয়সে না মানসিকতায় নিজের জীবনের অমিয় হাসি হেসেছে তা জানতে হলে ডুবতে হবে #অমিয় তে।
সুমন্ত আর স্বর্ণলতা খুব প্রিয় একটি জুটি ।জীবনের বাস্তবতা সহজ ভাষায় তুলে ধরেছেন। আবেগময় কাহিনি ও প্রাণবন্ত চরিত্র, অনুভূতি ও মানসিক টানাপোড়েন ছোট এই উপন্যাসে সুন্দর ভাবে প্রকাশ পেয়েছে ।
সতেরো বছরের কিশোরি যে কিনা বড় হয়েছে এলিট সোসাইটিতে।কাউবয় সুমন্ত এই ক্ষেপাটে মেয়েকে কীভাবে সামলাভে।
মা শা আল্লাহ্!! অনেক অনেক দিন পর লেখিকা আপুর ই-বুক এলো। ভীষণ আকর্ষণীয় হয়েছে,সাথে উঠে এসেছে কিছু সমাজের নির্মম বাস্তবতা! একটি যুগলবন্দী -- দু'টি ভিন্ন পরিবেশের, ভিন্ন বয়সের,হয়তো ভিন্ন মতাদর্শের কিন্তু নিয়তি তাঁদের মিলিয়ে দিল। দেখলাম একটি পবিত্র সম্পর্ক, তাঁদের একাত্মতার আকাঙ্ক্ষা। উফ্, এক অমিয় ও তাঁর জলফড়িংয়ের ভালোবাসা! কিন্তু, সবকিছু কি খুব সহজ ছিল? কন্টকময় এ সমাজ ও বন্ধুর পথ!! নিয়তি যেখানে তাঁদের ভার নিয়েছেন, সেখানে সমাজের কোনো অন্ধকারের কী সাধ্য, তাঁদের বাঁধা হয়ে দাঁড়ায়!? আমার ভীষণ মন ছুঁয়েছে, সমাজের একটি বিতর্কিত দিক উপন্যাসে তুলে ধরা হয়েছে। আসলেই খুব লক্ষ্য রাখা দরকার, উঠতি বয়সের সন্তানদের। সমাজের দোষ, যেখানে শুরু হয়ই আপনজনদের থেকে? প্রতিটি চরিত্র, শব্দ বিন্যাস এত্তো সুন্দর হয়েছে যে, আমি বের হতেই পারছিলাম না। দারুণ!! আরও ই-বুক এর আশায় এ পর্যন্ত....
সুমন্তের জলফড়িং আর স্বর্ণলতার অমিয় দুজনের মান অভিমান আর ভালোবাসা মিলেমিশে টইটম্বুর। কতটা পাগল হলে কন্ঠস্বর শুনার জন্য তালাক শুনতেও রাজি হয় সেটা স্বর্ণকে না পড়লে বুঝতেই পারতামনা। নিপু আর শর্মির জন্যও খারাপ লেগেছে। ঋদ্ধটাকে ঢিসুমঢিসুম দিতে ইচ্ছে হচ্ছিল। সবকিছু মিলে দারুণ হয়েছে গল্পটা।আরো পড়ার সাধ জেগেছে মনে।