

বাবা ফোন করে জানালেন, আমাকে নিয়ে যেতে তাঁর গুণধর ভাতিজা এসেছেন। ‘প্রীতম দেওয়ান’ ওরফে ফাইয়াজকে সবাই আদর করে প্রীতম ডাকলেও আমি ফাইয়াজ ভাই-ই ডাকি। আমার তো তাঁর প্রতি কোনো আদর-টাদর নেই। ব্যাগপত্র নিয়ে রেগেমেগে নিচে নামলাম। মানুষটা হাত ভাঁজ করে চোখে সানগ্লাস পরে আইফেল টাওয়ারের মতো দাঁড়িয়ে আছে। এত ভাব কোথা থেকে আসে জানি না। ভাব দেখে মনে হয়, আমি তাঁকে নয়, তিনি আমাকে রিজেক্ট করেছেন। সেদিনের পর তিনি নিজ থেকে কখনো আমার সামনে আসতে পারেন, আমি ভাবিনি। পুলিশম্যানের এত সময় থাকে, জানতাম না। ‘আপনি হঠাৎ এখানে কেন?’ ‘তুমি জানো না?’ ‘মানে, আমি কীভাবে জানব?’ ‘তোমার বাবা আমাকে তোমাকে সঙ্গে নিয়ে ফিরতে বলেছেন।’ আমার বিরক্তির মাত্রা বাড়ল। ‘আমার বাবা ঘাস খেতে বললে, আপনি তাই খেয়ে নেবেন নাকি?’ ফাইয়াজ ভাই কঠিন মুখে বললেন, ‘শাটআপ, তাবাসসুম!’
"নতুন নতুন রাইটারদের লেখা পড়ার একটা রিস্ক থাকে, যদি ভালো না লাগে! আমার পড়া লেখিকার প্রথম গল্প এটা, এন্ড ইট ওয়র্থ ইট, রিস্ক নেয়াটা সফল হয়েছে এবং ভালো লেখিকার সন্ধান পাওয়া হল। সাবলীল এবং পরিমার্জিত। খুব ঘটনাবহুল না কিন্তু উপস্থাপনটা এত আকর্ষনীয় যে এক বসায় শেষ। লেখিকার বাকি বইগুলো এড হলো লিস্টে। ❤️❤️❤️"
নতুন নতুন রাইটারদের লেখা পড়ার একটা রিস্ক থাকে, যদি ভালো না লাগে! আমার পড়া লেখিকার প্রথম গল্প এটা, এন্ড ইট ওয়র্থ ইট, রিস্ক নেয়াটা সফল হয়েছে এবং ভালো লেখিকার সন্ধান পাওয়া হল। সাবলীল এবং পরিমার্জিত। খুব ঘটনাবহুল না কিন্তু উপস্থাপনটা এত আকর্ষনীয় যে এক বসায় শেষ। লেখিকার বাকি বইগুলো এড হলো লিস্টে। ❤️❤️❤️
Read all reviews on the Boitoi app