

‘আই নিড ইউ। ডোন্ট গো।’ বলা শেষ হওয়ার পূর্বেই কায়েল তার ওষ্ঠদ্বয় দ্বারা চেপে ধরল এলারার ওষ্ঠজোড়া। প্রখর শক্তিতে তার ওষ্ঠজোড়া আয়ত্তে করে নেওয়ার ফলে এলারা তাকে সরাতে পারছে না। সেখান থেকে তাকে জড়িয়ে ধরে বিছানায় এসে ফেলল সে একই অবস্থায়। এলারার কোমরে হাত রেখে নিজের খুব কাছে টেনে নিল। এক ইঞ্চিও দূরত্ব নেই এখন তাদের মাঝে। কায়েলের প্রত্যেকটা স্পর্শে এলারা কেঁপে উঠছিল বারবার। তাকে সরানোর চেষ্টা করলেও এক চুল নড়াতে সক্ষম হচ্ছে না এলারা। হাত তার উন্মুক্ত বক্ষে পড়ার ফলে সে কায়েলের শরীর ভীষণ ঠান্ডা অনুভব করল। তবে সেসব ভাবার সময় এ মুহূর্তে তার ছিল না। ইতিমধ্যে এলারা তার বক্ষে স্পর্শ পেতে আরম্ভ করল। সে নিজেকে সরানোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে একইভাবে। তবে কায়েল যেন উন্মাদ হয়ে গেছে এলারার ভেতরে প্রবেশ করার জন্য। তার রক্ত যেন তীব্রভাবে তাকে টেনে আনছে তার নিকটে। এলারার ওষ্ঠজোড়া ছেড়ে ঘাড়ে মুখ রাখতেই কায়েল রক্তের তীব্র গন্ধে উন্মাদ হয়ে গেল ভীষণভাবে। চোখ নীল বর্ণ ধারণ করল। দুই পাশের ধারালো দাঁত বেরিয়ে এল। এলারার ঘাড় স্পর্শ করার পূর্বেই সে নিজেকে সরিয়ে নিল। এই প্রথম সে নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে পেরেছে রক্তের পিপাসা মেটানো থেকে। চোখ বন্ধ করে নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করার সময় এলারা তার সর্বশক্তি প্রয়োগ করে কায়েলকে ধাক্কা দিয়ে পাশে ফেলে দিল। কোনোমতে নিজের পরনের শার্ট ঠিকঠাক করে কামরা থেকে বেরিয়ে এল। সিঁড়ি দিয়ে জোরে জোরে নামার সময় কেলেনের মুখোমুখি হলো। এলারার ভীতিকর চোখমুখ দেখে বুঝে নিল সে খুব ভয় পেয়ে গেছে। দ্রুত পাশ কাটিয়ে নেমে গেল এলারা, এক মুহূর্তে সে বাড়িতে সময় নষ্ট করল না। সোজা ট্যাক্সি নিয়ে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হলো।