

স্কুলের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে নাচের জন্য প্রথমবার শাড়ি পরল লাবণ্য। স্কুলের সব শিক্ষক-শিক্ষার্থী তার রূপে মুগ্ধ হয়ে প্রশংসায় ভাসিয়ে দিল। কিন্তু লাবণ্যের মন সেসবে ছিল না। তার চোখ দুটো ব্যাকুল হয়ে খুঁজল সেই চেনা কঠোর ভাস্কর্যটিকে। সে চাচ্ছিল, তার অঙ্ক স্যার অন্তত একবার তার দিকে তাকাক, একটু প্রশংসা করুক। কত বাহানায় যে সে উজায়ের সিদ্দিকীর সামনে দিয়ে হেঁটে গেল, তার ইয়ত্তা নেই। কিন্তু উজায়ের বরাবরের মতোই উদাসীন, যেন লাবণ্য নামের কেউ তার সামনেই নেই। শেষে আর কোনো উপায় না পেয়ে, সমস্ত লজ্জা-সংকোচ বিসর্জন দিয়ে লাবণ্য বেহায়ার মতো স্যারের মুখোমুখি দাঁড়াল। বুকের ঢিপঢিপানি চেপে কাঁপা কাঁপা গলায় বলল, “আমি আজ প্রথমবার শাড়ি পরেছি, স্যার। শাড়িতে আমাকে কেমন লাগছে?” উজায়ের তখন হাতে অনুষ্ঠানের প্রোগ্রাম শিডিউল আর অতিথি তালিকা নিয়ে গম্ভীর মুখে কী যেন মেলাচ্ছিল। লাবণ্যের প্রশ্নে তার হাতের কাগজগুলো এক মুহূর্তের জন্য থমকে গেল। তার ললাটের সেই চেনা বিরক্তির ভাঁজটা আরও গভীর হলো। লাবণ্যকে আপাদমস্তক একবার অবহেলার দৃষ্টিতে পরখ করে নিয়ে শ্লেষাত্মক গলায় বলল, “জঘন্য।”
"আপনার লেখা সবসময় অসাধারণ এবং চমকৃত বিষয়বস্তু থাকে। এ বইয়ে সেটা ভরপুর। আগামীতে আরও এরকম বই চাই। ♥️ দো'আ রইলো অনেক অনেক। ♥️"
আপনার লেখা সবসময় অসাধারণ এবং চমকৃত বিষয়বস্তু থাকে। এ বইয়ে সেটা ভরপুর। আগামীতে আরও এরকম বই চাই। ♥️ দো'আ রইলো অনেক অনেক। ♥️
Read all reviews on the Boitoi app
গল্পের শেষটা একদমই ভালো লাগে নি।গল্পটা অসম্পূর্ণ রয়ে গেছে।
আরেকটু গুছিয়ে লিখলে ভালো হতো।শেষটা ভালো লাগলনা।অংক স্যারের সাথে লাবন্য এর মিল দিতেন
ending ta ar ektu shundor hote parto.