

মায়ের মৃত্যুর পর উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া শতবর্ষের পুরোনো শীতলবাড়িতে ফিরে আসে জুলি। সে জানত না, এই বাড়ির দেয়াল শুধু স্মৃতি নয়, সময়েরও গোপন ইতিহাস আগলে রেখেছে। শীতলবাড়িতে একটি রহস্যময় রুপার ঘড়ি আছে, যেটি প্রতি রাতে ঠিক ১১টা ৫৯ মিনিটে থেমে যায়। আর সেই এক মুহূর্তেই বাস্তবতার পর্দা সরে গিয়ে খুলে যায় সময়ের অদেখা দরজা। অতীত, বর্তমান আর ভবিষ্যৎ একে অপরের ভেতর মিশে যেতে থাকে। আর সেই অন্ধকারের ওপারে অপেক্ষা করে এক ছায়ামূর্তি—যার মুখ অবিকল জুলির নিজের। মায়ের অসমাপ্ত রহস্য, বহু বছর আগে হারিয়ে যাওয়া মানুষদের আর্তনাদ, আর সময়ের বুকজুড়ে জমে থাকা এক অভিশাপ—সবকিছুর কেন্দ্রবিন্দুতে দাঁড়িয়ে এখন জুলি। কিন্তু সময়ের সবচেয়ে নির্মম নিয়ম হলো, সে কখনো কাউকে ঋণী রাখে না। এখন প্রশ্ন শুধু একটাই, জুলি কি সময়ের অভিশাপ ভেঙে সত্যকে মুক্ত করতে পারবে? নাকি শেষ পর্যন্ত সেও হারিয়ে যাবে রুপার ঘড়ির কাঁটায় বন্দি এক অভিশপ্ত ছায়া হয়ে? শেষটা জানতে হলে আপনাকে অবশ্যই রহস্যে ভরপুর টাইম ট্রাভেল-রিলেটেড গল্প "রূপার ঘড়ি ও অভিশপ্ত ছায়া" পড়তে হবে।