

সবার কাছে মৃত ঘোষিত ইকবাল হায়দার হঠাৎ করেই ফিরে আসে। সবার অগোচরে নিজের অবস্থান জেনে ফিরে যাওয়ার ইচ্ছে তার। তখনই জানতে পারে প্রিয়তমা স্ত্রী সজনী নতুন জীবন শুরু করতে চলেছে। তাকে অপহরণ করে নিজের কাছে নিয়ে আসে। তখনও বুঝতে পারে না তার শরীরের একটি অংশ তার থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যেতে বসেছে। একমাত্র মেয়ে টুকটুকি তাকে ছবিতে বাবা হিসেবে চিনলেও বাস্তবে সে বাবা মনে করে হায়দারেরই মৃত বোনের স্বামী পিয়াশ আহমেদকে। যে অনুপস্থিতির দিনগুলিতে সজনী আর টুকটুকির অলিখিত অভিভাবক হয়ে ছিল। সে কেবল তাদের রক্ষাই করেনি, ভালোবাসা, সম্মান ও নিরাপত্তাও দিয়েছে। টুকটুকির চাওয়ার কাছে হেরে যায় হায়দারের পিতৃত্ব। এমনকি সজনীর মাতৃত্বও। সব পেয়েও নতুন করে সব হারাতে বসে হায়দার। ভালোবাসা, অধিকার, দায়িত্ব আর ত্যাগের এই গল্পে শেষ পর্যন্ত সজনীর ভাগ্যে কী হয়েছিল তা জানতে হলে পড়ুন—
"মাশাআল্লাহ, খুব ভালো লাগলো ইবুকটি। রুবি আপুর গল্প মানেই নতুন নতুন চমক, তিন খন্ডের ইবুকের শেষ খন্ড সজনী গো পড়ে আমি আবেগাপ্লুত। গল্পটি পড়ে আমি কখনও আনন্দিত হয়েছি আবার কখনও কষ্টে চোখের কোন ভিজে গেছে। পারিবারিক রোমান্টিক এই প্রেমের গল্পে হায়দার, সজনী, পিয়াস ফয়সালসহ প্রতিটি চরিত্র আমার খুব কাছের মনে হয়েছে।"
মাশাআল্লাহ, খুব ভালো লাগলো ইবুকটি। রুবি আপুর গল্প মানেই নতুন নতুন চমক, তিন খন্ডের ইবুকের শেষ খন্ড সজনী গো পড়ে আমি আবেগাপ্লুত। গল্পটি পড়ে আমি কখনও আনন্দিত হয়েছি আবার কখনও কষ্টে চোখের কোন ভিজে গেছে। পারিবারিক রোমান্টিক এই প্রেমের গল্পে হায়দার, সজনী, পিয়াস ফয়সালসহ প্রতিটি চরিত্র আমার খুব কাছের মনে হয়েছে।
Read all reviews on the Boitoi app