

নূরানী ভয়ার্ত চোখে আশপাশে নজর বুলিয়ে নিল। এত রাতে সে এই অচেনা শহরে কীভাবে যাবে বাড়িতে? সে তো ঠিকানাই জানে না। শুধু মামার সঙ্গে এসেছিল বিয়েতে। কিন্তু এখন নিজেরও বিয়ে হয়ে গেল। তাও এই জঘন্য গুন্ডার সঙ্গে। কিন্তু এখন সে একা একা যাবে কীভাবে? সে তো এই জায়গাটাও চেনে না। আর না তো বাড়ির পথ চেনে। — কী হলো? দাঁড়িয়ে আছো কেন? যাও, যাও! কাজিনের বাড়ি যাও। নয়তো উড়ে উড়ে গ্রামে চলে যাও। ভয়ে নূরানীর হাত-পা কাঁপছে। সে বারবার শুকনো ঢোক গিলে অন্ধকার সরু পথের দিকে তাকিয়ে আছে। মনে মনে একটু সাহস সঞ্চয় করে সামনের দিকে পা বাড়াল। যতই ভয় হোক, তবুও এদের কাছে সাহায্য চাইবে না। নূরানী দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে আনমনে হাঁটার সময় নিজেকে শূন্যে অনুভব করল। চমকে উঠে আত্মরক্ষার জন্য দুই হাতে আঁকড়ে ধরল সদ্য বিয়ে করা স্বামীর গলা। ডাগর ডাগর আঁখি জোড়া ইয়া বড় বড় করে সুন্দর মুখশ্রীর পানে তাকায়। জিসান তার নূরেজানকে আরেকটু উঁচু করে মুখের দিকে ঝুঁকে এসে ফিসফিসিয়ে আওড়ায়, — এই মেয়ে? খাবার খাও না? এত পাতলা কেন? মনে হচ্ছে কোনো মানুষকে নয়, তুলোর বস্তাকে নিয়েছি। চোখেমুখে গরম নিঃশ্বাস আছড়ে পড়তেই নূরানীর সর্বাঙ্গ কেঁপে উঠল। এই প্রথম কোনো পুরুষ তার এত কাছে এসেছে এবং অবলম্বনে ছুঁয়ে দিচ্ছে কটিদেশ। — ক-কোথায় নিয়ে যাচ্ছেন? ছাড়ুন আমায়। নয়তো চিৎকার-চেঁচামেচি কর... নূরানীর হার্টবিট থেমে গেল। শ্বাসপ্রশ্বাস আঁটকে গেল গলায়। পুরুষালী পুরু ঠোঁটের কোমল ছোঁয়ায় স্তব্ধ হয়ে যায়। কিছুক্ষণ পর জিসান ঠোঁট ছেড়ে কপালে কপাল ঠেকিয়ে ফিসফিস করল, — বিয়ের পর স্বামীর তরফ থেকে ফার্স্ট কিস উপহার দিলাম তোমায়, নূরেজান।
অনেক সুন্দর হইছে আপু ❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️
Read all reviews on the Boitoi app
সিন্ডারেলার গল্প যেন। ভীষণ রোমান্টিক ছিল। নুরেজান কি একটু বোকা নাকি ন্যাকা? মামীটার আরও শাস্তি হওয়া দরকার ছিল। সবমিলিয়ে দারুন লাগল।