

“বিয়ে করব না আমি। আপনার মতো রাক্ষসকে আমি বিয়ে করব না। ছাড়ুন আমাকে। যেতে দিন আমাকে। যেতে দিন।” মিশকার চিৎকার পুরো কক্ষে প্রতিধ্বনিত হয়ে উঠল। নিকোলাস ঠোঁটের কোণে বাঁকা হাসি ফুটিয়ে তুলল। এরপর মুখের এক পাশে হাত রেখে সাইকোদের মতো বিকট শব্দে হেসে উঠল। সেই হাসিতে কোনো উন্মাদ আনন্দ ছিল না, ছিল কেবল ভয়, নিষ্ঠুরতা আর ধ্বংসের প্রতিশ্রুতি। পরমুহূর্তেই সে এগিয়ে এসে এক হাতেই মিশকার গলা শক্ত করে চেপে ধরল। কাটা ছাগলের মতো ছটফট করে উঠল মিশকা। নিকোলাসের স্পর্শে তার পুরো শরীর জ্বলে উঠছিল। সেই স্পর্শে এমন এক অসহনীয় যন্ত্রণা লুকিয়ে ছিল, যা সে আগে কখনো অনুভব করেনি। নিকোলাসের চোখে তখন মানবতার লেশমাত্র ছিল না। সেখানে জ্বলছিল এক উন্মত্ত শিকারির ক্ষুধা। “তুই বিয়ে করবি না, তোর সঙ্গে সম্পূর্ণ মানবজাতি ধ্বংস হবে। তুই জানিস না আমি কত কষ্টে নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করেছি। যদি তুই আমার না হস, তাহলে মানুষের কথা আমি কেন ভাবব। আমি সবাইকে বলে দেব, ওরা মানুষের মাঝে গিয়ে নিশুতি রাতে সবার রক্ত পান করে নেবে। ভ্যাম্পায়াররা আর কষ্ট করে শিকার করবে না। মানুষের রক্তে স্নান করবে। এরপর সম্পূর্ণ পৃথিবী ভ্যাম্পায়ারদের দখলে চলে যাবে।” মিশকা নিজের সমস্ত শক্তি দিয়ে নিকোলাসের কবল থেকে মুক্ত হওয়ার চেষ্টা করল। কিন্তু তার প্রতিটি চেষ্টা ব্যর্থ হয়ে গেল। নিকোলাসের অমানবিক শক্তির সামনে সে ছিল একেবারেই অসহায়।

অনেক অনেক বেশি সুন্দর ছিল গল্পটা .
Read all reviews on the Boitoi app