
“হাউ ইজ দিস পসিবল? আই ক্যান্ট বিলিভ ইট! দিস ইজ আনবিলিভেবল! আদি এখানে কিভাবে হতে পারে? ওও... ও তো লন্ডনে আছে। তাহলে? কে এই ছেলেটি?” জ্বলজ্বলে গভীর চোখের মাঝে কোনোপ্রকার অনুভূতি দেখা গেল না। না আনন্দ, না দুঃখ, না রাগ, না ক্লেশ, না কৌতূহল। শুধু অনুভূতিহীনতা। এক মুহূর্তের জন্য হৃদস্পন্দন থেমে গিয়েছিল। যেন সে বুঝতে পারছে না, সামনের মানুষটার প্রতি তার ঠিক কেমন অনুভব করা উচিত। বুকের মাঝে তীব্র একটা ধাক্কা অনুভব হলো। বুকের ভেতরে অদ্ভুত কাঁপুনি অনুভব করেছে। পুলিশের পোশাকে দাঁড়িয়ে ছেলেটি। বাঁ দিকে বুকের উপর ‘আবরার তৌসিফ’ নামটা জ্বলজ্বল করে উঠেছে। নিজেকে ক্ষণিকের মধ্যে মনে হচ্ছে, সে নিজের ভেতরে নেই। একই রকম মানুষ হয়। তবে এতটা হুবহু কিভাবে? পকেট থেকে ফোন বের করল। দক্ষ হাতে না তাকিয়ে কল দিল। ছেলেটার দিকে তাকিয়েই ফোনটা কানে নিল। “হোয়্যার আর ইউ, বেইবস?” “আই'ম ফ্রম লন্ডন। হোয়াই?” “আর ইউ কিডিং মি?” “হোয়াট?” “প্রুভ ইট!” সাথে সাথে কল কেটে দিল প্রেমা। বুঝে উঠতে কষ্ট হচ্ছে তার। এটা কিভাবে সম্ভব? হুবহু আদির মতো। আদি তো মজা করার ছেলে নয়। সে যথেষ্ট ফর্মালভাবে চলাফেরা করে। কথাবার্তা, চালচলন—সবটুকুতেই ফর্মাল। এক কথায়, হি ইজ স্ট্রেইট-ফরওয়ার্ড, ম্যাচিউর পারসন। ছেলেটা প্রেমার মুখোমুখি দাঁড়িয়ে, একটা হাত বাড়িয়ে দিয়ে বলে উঠল, “ইনট্রোডিউসিং মি, আই'ম আবরার তৌসিফ।” প্রেমা নিশ্চুপ। ছেলেটার বাড়িয়ে দেওয়া হাতটা পরখ করল। ছেলেটা চমকে দিয়ে আবার বলল, “আই নো! ইউ আর ওয়ান অব দ্য মোস্ট কমপ্লিকেটেড পারসন।” প্রেমা ফোঁস করে তপ্ত নিঃশ্বাস ফেলে বলল, “লাইক! সিরিয়াসলি?” বাঁকা হেসে আবরার তৌসিফকে অবাক করে দিয়ে বলল, “The One and Only Mafia bin Hunter, in the Whole World.” অসম প্রেম আলোকে Hunter তৈরি। Mafia bin Hunter আসলে কে? জানতে হলে পাঠক পড়ুন এই উপন্যাসটি।
😀😀😀 সত্যি অনেক সুন্দর হয়েছে। কিন্তু আবরার তৌসিফের রহস্যটা কী আবরার কি প্রেমাকে পছন্দ করছে নাকি তাহলে তো খেলা জমে খির আর আদি যা খেল দেখাচ্ছে সামনের অংশে বোঝা যাবে আসল রহস্য ইশ যদি তুমি পুরো গল্পটা একসাথে দিতা আজকেই পরে ফেলতাম মিস করছি অসাধারণ ছিল প্রেমাকে যে এইভাবে পাবো আশাই করিনি থ্যাকু ❤️❤️❤️❤️❤️😀😀❤️❤️❤️
Read all reviews on the Boitoi app