

“আমি ইফতির খোঁজ পেয়েছি।” হাফিজা খাতুন চরম বিস্ময় নিয়ে মেয়ের দিকে তাকিয়ে বললেন, “ইফতি?” “হম... যাকে তুমি জন্মের পরই মায়ের কাছ থেকে আলাদা করে দিয়েছ!” চট করে মেয়ের মুখে হাত দিলেন হাফিজা খাতুন। চোখদুটো বড়ো বড়ো করে বললেন, “খবরদার, আর একবার ওর কথা মনে করবি না। ভুলে যা ওকে। ও তোর কেউ না।” স্বাগতা ঝাড়া মেরে মায়ের হাত সরিয়ে বলল, “পারব না ভুলতে। ও আমার সন্তান। আমার। আমি ওকে জন্ম দিয়েছি! দশ মাস দশ দিন গর্ভে রেখেছি। যে আমাকে মাতৃত্বের স্বাদ দিল, সে-ই সন্তানকে ভুলে যাই কী করে, বলো? পারব না আম্মা। পারব না। আমার বাচ্চাটাকে ছাড়া আমি আর একটা দিনও থাকতে পারব না।” “চুপ, হারামজাদি চুপ। নির্লজ্জ মেয়ে, এসব যদি জামাই জানে, মানসম্মান নিয়ে টানাটানি হবে। ঘর-সংসার সব ভাঙবে।” স্বাগতা চিৎকার করে উঠল, “ভাঙুক। ভেঙে যাক সব। তবুও আমি বলব, ও আমার সন্তান। ও আমার বাচ্চা। আমি কালই ঢাকায় গিয়ে ওকে নিয়ে আসব আমার কাছে।” একদিকে সমাজের ভয়, পারিবারিক সম্মান আর সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার চাপ; অন্যদিকে একজন মায়ের বুকের ভেতর থেকে উঠে আসা সন্তানের জন্য অদম্য আকুতি। এত বছর পর নিজের সন্তানকে ফিরে পেতে স্বাগতা কি পারবে সব বাধা পেরিয়ে এগিয়ে যেতে? নাকি সমাজ ও পরিবারের নির্মম বাস্তবতা আবারও কেড়ে নেবে তার মাতৃত্বের অধিকার?
সাধারণ এর মধ্যে অসাধারণ! সমাপ্তি টুকুন ও অনেক সুন্দর
Read all reviews on the Boitoi app