

“আমি আন্দালিব বখ্শ। আশা করি এখানে আসার আগে বায়োগ্রাফি মুখস্থ করে এসেছেন। নতুন করে ব্যাকগ্রাউন্ড বলার প্রয়োজন পড়বে না।” কর্পোরেট দুনিয়ায় পরিচিত মুখ আন্দালিব বখ্শ—সংক্ষেপে এবি। আত্মবিশ্বাসী, তীক্ষ্ণ ব্যক্তিত্বের এই মানুষটি নিজের সীমানা ও অবস্থান সম্পর্কে ভীষণ সচেতন। বিয়ের আগে পরিবারের অনুরোধে একটি মেয়ের সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে প্রথম সাক্ষাতেই শুরু হয় তাদের কথার লড়াই। একজনের কাছে সামাজিক অবস্থান আর ব্যক্তিগত সীমারেখাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, অন্যজনের কাছে মানুষকে মানুষ হিসেবেই দেখার বিষয়টি বেশি গুরুত্বপূর্ণ। কথায় কথায় তৈরি হয় তর্ক, ভুল বোঝাবুঝি আর অস্বস্তি। শেষ পর্যন্ত আন্দালিব সাফ জানিয়ে দেয়—তার তরফ থেকে উত্তর “না”। কিন্তু গল্প কি সত্যিই সেখানেই শেষ? “কেউ নাম বললে নিজের নাম বলা ভদ্রতা।” “কী করে বলি, আমরা তো সমান নই। একশত একটি সিঁড়ির উঁচুনিচু দূরত্বে দাঁড়িয়ে নাম বললে কানে পৌঁছবে না।” প্রথম দেখায় যে দুজন মানুষ একে অপরকে পছন্দই করতে পারেনি, ভাগ্য কি তাদের আবারও মুখোমুখি দাঁড় করাবে? একটি অস্বস্তিকর প্রথম সাক্ষাৎ, তীব্র বাক্যবিনিময়, ভিন্ন মানসিকতা আর অদৃশ্য এক আকর্ষণের টানাপোড়েনে ‘আন্দালিব বখ্শ’ হয়ে উঠেছে সমকালীন প্রেমের এক ভিন্ন স্বাদের গল্প।
"কি লিখি,,আমি কেদে ফেলেছি সূর্য কে পড়ে। একটা মায়াময় চরিত্র। এইটুকু মেয়ে কিভাবে অল্পতেই সব বুঝে যায়। মানুষকে খুব তাড়াতাড়ি বুঝতে পারা এক অসীম ক্ষমতা। কি নিদারুণ কস্ট পেয়েছে মেয়েটা। বড় ভাই সকালের কথা কি বলবো। এমন বড় ভাই যার তার আসলেই কিছু চাওয়ার নেই। মা রেবুর অকাল বৈধব্য কঠোর করে তুলেছিলো। আর আন্দালিব বখশ,,,তার কথা আর কি বলবো। আন্দালিবের প্রতি মুগ্ধতা বেড়ে বেড়ে সেটা মহিরুহ হয়ে গেছে। একে ভালো না বেসে কি থাকা যায়। একাপা এত্ত সুন্দর করে প্রতিটি চরিত্র এনেছেন একেবারে মুগ্ধ হয়ে পড়ার মতো। শেষ টা ছিলো অসাধারণ। এক প্যারাতে সব চাওয়া পাওয়া হিসাব নিকাশ মিটিয়ে দিয়েছেন। শেষ টা বোধ হয় এভাবেই সুন্দর হলো। ধন্যবাদ একাপা❤️❤️"
কি লিখি,,আমি কেদে ফেলেছি সূর্য কে পড়ে। একটা মায়াময় চরিত্র। এইটুকু মেয়ে কিভাবে অল্পতেই সব বুঝে যায়। মানুষকে খুব তাড়াতাড়ি বুঝতে পারা এক অসীম ক্ষমতা। কি নিদারুণ কস্ট পেয়েছে মেয়েটা। বড় ভাই সকালের কথা কি বলবো। এমন বড় ভাই যার তার আসলেই কিছু চাওয়ার নেই। মা রেবুর অকাল বৈধব্য কঠোর করে তুলেছিলো। আর আন্দালিব বখশ,,,তার কথা আর কি বলবো। আন্দালিবের প্রতি মুগ্ধতা বেড়ে বেড়ে সেটা মহিরুহ হয়ে গেছে। একে ভালো না বেসে কি থাকা যায়। একাপা এত্ত সুন্দর করে প্রতিটি চরিত্র এনেছেন একেবারে মুগ্ধ হয়ে পড়ার মতো। শেষ টা ছিলো অসাধারণ। এক প্যারাতে সব চাওয়া পাওয়া হিসাব নিকাশ মিটিয়ে দিয়েছেন। শেষ টা বোধ হয় এভাবেই সুন্দর হলো। ধন্যবাদ একাপা❤️❤️
Read all reviews on the Boitoi app
সূর্যমুখী কে পড়বো আর মন কাঁদবে না তাই কি হয়, ছোট একটা মেয়ে যার সহনশীলতা থেকে কত কি শেখার আছে। অল্পতেই মানুষকে পারার বা বুঝতে পারার সক্ষমতা আছে তা অনেক বয়স্ক মানুষের নেই- বাস্তবতা বুঝে যাওয়া যে শৈশবের মধুরতা মলিন করে দেয়। সেই অপরিমিত জীবনে পরিপূর্ণ আন্দালিব যে আসলেও বেমানান- কিন্তু ঐ যে আপনি আমি সমান নয় - ঐ অসমাঞ্জস্য অবস্থানেই কি তবে পরিপূর্ণতা মিলবে! তবে আমি বরাবরের মতোই সকালে ফিদা, মানে ছেলেটা এতো কুটু কেনো।
অসাধারণ , সুন্দর শব্দের ব্যবহার ,ছোট একটা গল্প তবও পরিপূর্ণ । একজন অল্প বয়সি বিধবা মা তিন বাচ্চাদের নিয়ে বেঁচে থাকার কষ্ট ,ভাই বোনের ভালোবাসা আর আন্দালিব অহংকারী জেদী পুরুষ কিভাবে একটা সাধারন মেয়ে সূর্যমুখী সাথে জুরে গেলো ♥️♥️♥️♥️♥️
অদ্ভুত এক মিশ্র অনুভূতি হচ্ছে গল্পটা পড়ে। সকাল এবং সূর্যের ভালোবাসা মন ছুঁয়ে গেল, এমন একটা ভাই থাকলে জীবনে আর কিছুই লাগে না। সকাল সব দিক থেকে আদর্শ একটা ভাই, অতুলনীয়। শাওলী স্বার্থপর, তাও শেষে মনে হলো কিছুটা মনুষ্যত্ব বেঁচে আছে এখনও তার মাঝে। বিশেষ কিছু কথা মা রেবুর জন্য, সৎ মাও বুঝি এমন আচরণ করে না কোন সন্তানের প্রতি!! এতো রাগ আসছিল এই চরিত্রটি পড়তে। কিভাবে সে পারলো বিনা দোষে দোষী করতে সূর্যের মতো একটি মেয়েকে। মায়ের কাছে নাকি তার সন্তানের চেয়ে প্রিয় আর কিছু হয় না। কিন্তু সেই মা-ই তার নিজ সন্তানকে অন্য চোখে দেখে। তার সকল কষ্টের জন্য দায়ী করে সুর্য কে। শুনতে খুব খারাপ লাগলেও, এমন মা কিন্তু আমাদের চারপাশেই আছে। সবশেষে বলতে হয় আন্দালিবের কথা, আত্ম অহংকারী, জেদি, রাগী পুরুষ। যে কিনা কখনও কোন মেয়েকে দ্বিতীয়বার দেখেনি, সেই ভেঙেচুরে ভালোবাসলো সূর্যমুখীকে। হলদে রঙা গায়ের রঙের নিঃস্বার্থ, সরল মেয়ে সূর্য। তার জীবনের গ্রহণ কাটিয়ে আন্দালিব তাকে নিয়ে যাক আলোর উচ্ছ্বাসে। মাহমুদা সুলতানা একা, আপনি অল্প কথায় প্রতিটি অনুভূতি এতো সুন্দর করে সাজিয়েছেন, অসাধারণ। গল্পটি যেখানে শেষ হলো, আমার কাছে না এটাই দারুণ সমাপ্তি। সব চরিত্রই যেন তার পরিণতি পেয়ে গেল। অনেক ভালোবাসা আপনার এবং আপনার লেখনীর প্রতি।
মা শা আল্লাহ্!! অদ্ভুত, অদ্ভুত সুন্দর লাগলো। যদিও ফেইসবুকে পড়েছিলাম কিন্তু মনে হলো আগের সবকিছু ভুলে গিয়েছি এবং নতুন করে পড়ছি। অত্যন্ত চমৎকার ও আকর্ষণীয় হয়েছে। পুরো প্লটটাই এত্তো দারুণ,,কী বলবো!? মনটা ভীষণ তৃপ্ত হলো!! সমাজিক গাঁথুনি তবে সম্পর্কের মূল্যায়ন কিংবা অবমূল্যায়ন, ভালোবাসার জন্ম ও পারিবারিক বন্ধনের দৃঢ়তা... কি নেই? লেখিকা আপু, ভীষণ দারুণ করে দেখিয়েছেন,একজন মা কতোটা অসহায় হলে এমন করতে পারেন? সন্তান সে তো বাবা মায়েরই অংশ বিশেষ করে মায়ের,তবে ___? অনুধাবনের ব্যাপার। নিয়তি -- অমোঘ সত্য নয়? না হলে,জানা নেই শোনা নেই,, তারপরেও এ আকর্ষণ.... এঁর নামই কী অদৃশ্য টান? সম্পর্কের টানাপোড়েন কি রক্তের বন্ধনের দৃঢ়তা কে ছাপিয়ে যেতে পারে? ভাই-বোন এঁর সম্পর্ক তো সব দেখিয়ে দিল। প্রতিটি চরিত্র এত্তো সুন্দর করে উপস্থাপন করা হয়েছে, ভীষণ ভাবে নাড়া দেয়। সূর্য কে ভীষণ অনুভব করেছি। উফ্! লেখিকা আপুর প্রতিটি সৃষ্টিই মন ছুঁয়ে যায়।।
গল্পটা সুন্দর ছিল। আন্দালিব কে ভাল লেগেছে ভীষণ। কিন্তু আন্দালিব সূর্যের আর কোনো অংশ কি পাবো না? ফেসবুকে দেখলাম আরও অংশ ছিল🙂, কিন্তু এখানে খুব সামান্যই। সম্ভবত সকালের মায়ের বিয়েতে শেষ হয়েছিল বোধহয়। এছাড়া আন্দালিব সূর্যের আরও কিছু মুহূর্ত ছিল। আশা করেছিলাম সেসবও পাবো। যাই হোক, একা আপুনি, আপনি খুব সুন্দর লেখেন। দোয়া করি লেখার হাত এমনই সুন্দর থাকুক। ভবিষ্যতে আন্দালিবকে আরও বড় করে চাই আপু।
গল্পের কেন্দ্রীয় চরিত্র আন্দালিব বখ্শ, কর্পোরেট দুনিয়ার আত্মবিশ্বাসী ও ব্যক্তিত্বসম্পন্ন একজন মানুষ।আর সূর্যমুখী হচ্ছে সহজ সরল পরোপকারী একটা মেয়ে যে নিজের চেয়ে অন্যকে নিয়ে বেশি ভাবে। আন্দালিব সাহেব আর তার সূর্যমুখীর প্রথম সাক্ষাতের কথোপকথনগুলো বিশেষভাবে নজর কাড়ে। দুজনের বাক্যবিনিময়ে যেমন অহংকার ও আত্মসম্মানের সংঘাত আছে, তেমনই আছে সূক্ষ্ম রসবোধ এবং চাপা আকর্ষণ।কিন্তু দ্বিতীয় সাক্ষাতে ঠিকই “একশত একটি সিঁড়ির উঁচুনিচু দূরত্ব” তারা পাড় করে দুজনের মনের গভীরে চলে এসেছে। ‘আন্দালিব বখ্শ’ শুধু প্রেমের গল্প নয় এখানে ভাই বোনের সম্পর্ক এবং বন্ধুত্বের সম্পর্কটা বিশেষভাবে আমার নজর কেরেছে। এত সুন্দর মধুর সম্পর্ক সচরাচর দেখা যায় না। গল্পটা জাস্ট অসাধারণ। একাপ্পি যেমন অসাধারণ মিষ্টি মেয়ে তার প্রত্যেকটা লেখাও অসাধারণ সুন্দর,মিষ্টি মিষ্টি😘😘😘
আরেকটি মনোমুগ্ধকর গল্পের জন্য একাপুকে ধন্যবাদ। আপু এখন আমার হট ফেভারিট লেখিকা। উনার লেখা তুলনাহীন। প্রতিটি গল্প একটির চেয়ে আরেকটি আলাদা। এখানে যেমন প্রথম দেখায় না বলে দিলো অহংকারী আন্দালিব। সূর্যমুখীর চরিত্রটি অসাধারণ, ১০০ তে ১০০। ভাইবোনের মিল মহব্বত এত মধুর, শত শত বছর বাঁচুক এমন ভালবাসা ❣️❣️❣️। মা রেবু যেন টিপিক্যাল নারীদের মত যারা স্বামীর মৃত্যুর দায় বিনা দ্বিধায় সন্তানের উপর চাপিয়ে দেয়, সন্তানের মাঝে ভেদাভেদ করে। সকালের মত বলতে চাই, আপনাকে কাঁদতে হবে, প্রচুর কাঁদতে হবে আজকের দিনটির জন্য। শাওলি তথাকথিত হিংসুটে সুন্দরী। গল্পটি সংক্ষিপ্ত মনে হল। বিস্তৃত পরিসরে পেলে ভালো লাগত। নামতা, জাবির, সকাল সবাইকে নিয়ে।
আন্দালিব বখস,সূর্যের আন্দালিব বখস।একাপুর লেখার প্রথম পুরুষ যাকে আমার সম্পূর্ণ মনে ধরেছিল।আমি তার মনে সূর্যের ও আগে তার প্রেমে মজেছি।যতো বার সূর্যকে পড়ি ততোবার কেঁদে চোখ বাসাই।মনে হয় আমি চোখের সামনে সব জীবন্ত দেখছি,নিজে অনুভব করছি।আন্দালিবের প্রেমে পড়বে না এমন মানুষ কে বা আছে