

নীলা ক্লাসরুমে একা থাকতেই হঠাৎ শুনতে পায় এক নেশাময় কণ্ঠস্বর—যে কণ্ঠ তাকে উদ্দেশ্য করে বলে, “সুন্দর লাগছে, সুইটহার্ট। আজ কি তুমি নিজেকে এভাবে সাজিয়েছ শুধু আমার জান নেওয়ার জন্য?” কিন্তু চারপাশে তাকিয়েও সে কাউকে দেখতে পায় না। আতঙ্কিত নীলা দ্রুত ক্লাসরুম থেকে বেরিয়ে আসে। বাইরে তৌহিদকে দেখে তার মনে আরও গভীর সন্দেহ ও ভয় তৈরি হয়। ঠিক তখনই তৌহিদ তার হাত ধরে একটি রহস্যময় চিঠি এগিয়ে দেয়। চিঠির প্রতিটি শব্দ যেন নীলার অজানা কোনো সত্যের ইঙ্গিত দেয়—“বাড়ি যাও, আর মনে করে কিছু খেয়ে নিও। তোমার এই ছোট্ট মাথাটা এখন শুধু আমাকে নিয়েই চিন্তা করছে।” তবে এই রহস্যময় কণ্ঠস্বরের আড়ালে কে? নীলাকে কে অনুসরণ করছে? আর তৌহিদের হাতেই বা কীভাবে পৌঁছাল সেই বার্তা? উত্তর জানতে পড়তে হবে ‘প্রফেসর রুদ্র তালুকদার শান’।