

গ্রামের গরীব, অসহায় এতিম ছেলে শাকের ভাগ্যক্রমে স্বপ্নের দেশ আমেরিকা যাওয়ার সুযোগ পেয়ে যায়। কিন্তু টাকার অভাবে বুঝি সুযোগ হাতছাড়া হয়ে যাবে। এমন অবস্থায় এগিয়ে আসে আহাদ। একসময় অবস্থাপন্ন পরিবার ছিল। বাবা মারা যাওয়ার পরে আট জনের বিশাল পরিবার তার ঘাড়ে। তাই বাধ্য হয়ে একসময় তাদের বাড়িতে কামলা দেওয়া শাকেরের সাথে বোন রাফার বিয়ে দেবে বলে মনস্থির করে। শর্ত, সে শাকেরকে আমেরিকা যাওয়ার খরচ দেবে, বিনিময়ে শাকের তার বোনকে আমেরিকায় নেবে। শাকের চোখ বুজে রাজি হয়। কিন্তু মানতে পারে না সুন্দরী ইউনিভার্সিটি গ্রাজুয়েট রাফা। তবুও বিয়ে করতে বাধ্য হয়। শাকের জানত রাফার মনোভাব। তাই বাসর রাতে রাফাকে কথা দেয়—“তোমার উপর কোনো জোর নাই রাফা। টিকেটের টাকাটা খুব দরকার আছিল। তবে তুমি ভাইবো না। আমি তোমাকে আমেরিকায় নিয়ে যাব। পরে যদি মনে হয়... আমার সাথে তুমি থাকবা না, তাইলে আমরা আলাদা হয়া যাব।” শাকের আমেরিকা আসার দেড় বছর পর রাফাকে আনতে পারে। শুরু হয় তাদের বাধ্যবাধকতার দাম্পত্যজীবন। কিন্তু কতদিন টিকেছিল তাদের সংসার? রাফা কি শেষ পর্যন্ত মেনে নিয়েছিল শাকেরকে? আর শাকের? শেষ পর্যন্ত নিজের দেওয়া কথা কি রাখতে পেরেছিল? জানতে হলে পড়ুন রাফা আর শাকেরের অদ্ভুত প্রেমোপাখ্যান 'তুমি এলে অবশেষে'।

"গল্পটা গতানুগতিক দাম্পত্যের গল্পগুলোর থেকে একেবারেই ভিন্ন তবে পড়তে ভালো লাগছিল, পাঠককে গল্প আটকে রাখার মত তিব্র আকর্ষন ছিল। শাকেরে জন্য আমার সত্যি খুব মায়া লাগছিলো। আহা রে! পুরুষ মানুষ এত এত কষ্ট করেও নিষ্ঠুর মেয়েটার মন পেলো না।শাকেরকে পড়তে সময় আর চোখ ভিজে আসছিলো বারবার। আর রাফাকে যদি গল্পের মধ্যে ডুকে দুইটা কষে থাপ্পড় মারতে পারতাম! ফাজিল মেয়ে, নিমকহারাম 😤 আলিফ চরিত্রটাও ভালো লেগেছে। সাধারণত এইধরনের চরিত্রগুলো হয় স্বার্থপর এবং আত্মাকেন্দ্রিক কিন্তু আলিফ ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন। তবে শেষটায় ওদের কেমিস্ট্রি আরেকটু পড়তে পারলে আরো খুশি হইতাম। সর্বপরি গল্পটা দারুণ।ধন্যবাদ আপু অনেক সুন্দর লিখেছেন।আগামীতে আরো নতুন গল্প পড়ার অপেক্ষায় রইলাম। শুভেচ্ছা আর অভিনন্দন।❣️"
ফারহানা আপুর ই বুক মানেই আমার কাছে কম্ফোর্ট জোন 🤍
Read all reviews on the Boitoi app
গল্পটা গতানুগতিক দাম্পত্যের গল্পগুলোর থেকে একেবারেই ভিন্ন তবে পড়তে ভালো লাগছিল, পাঠককে গল্প আটকে রাখার মত তিব্র আকর্ষন ছিল। শাকেরে জন্য আমার সত্যি খুব মায়া লাগছিলো। আহা রে! পুরুষ মানুষ এত এত কষ্ট করেও নিষ্ঠুর মেয়েটার মন পেলো না।শাকেরকে পড়তে সময় আর চোখ ভিজে আসছিলো বারবার। আর রাফাকে যদি গল্পের মধ্যে ডুকে দুইটা কষে থাপ্পড় মারতে পারতাম! ফাজিল মেয়ে, নিমকহারাম 😤 আলিফ চরিত্রটাও ভালো লেগেছে। সাধারণত এইধরনের চরিত্রগুলো হয় স্বার্থপর এবং আত্মাকেন্দ্রিক কিন্তু আলিফ ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন। তবে শেষটায় ওদের কেমিস্ট্রি আরেকটু পড়তে পারলে আরো খুশি হইতাম। সর্বপরি গল্পটা দারুণ।ধন্যবাদ আপু অনেক সুন্দর লিখেছেন।আগামীতে আরো নতুন গল্প পড়ার অপেক্ষায় রইলাম। শুভেচ্ছা আর অভিনন্দন।❣️
“Love is composed of a single soul inhabiting two bodies.” — Aristotle জীবনসঙ্গী হচ্ছে মানুষের জীবনের সবচেয়ে প্রিয় এক অধ্যায়ের নাম।ছেলেবেলা হতেই মানবমনে জীবনসঙ্গী নিয়ে একটি অবয়ব আঁকা থাকে মনের ভেতরে।কিন্তু সময়ের ফেঁড়ে রাজার অবর্তমানে যদি বাড়ির কামলা হয় রাজকন্যার সঙ্গী? নিজের শিক্ষা, আভিজাত্য,নিজের মানসিকতার সাথে প্রিয় পুরুষের ধ্যান জ্ঞান যদি কিছুই না মিলে? মন আর শরীর কার কথা শুনবে রাজকন্যা? নিজের ইগো বিসর্জন দিয়ে পবিত্র ভালোবাসা,ভালোলাগাকে কি এক করে নিবে? দুটি ভিন্ন সামাজিক স্তরের দুটি মানুষের এক অসম্ভব মিলন স্রষ্টা সম্ভব করেছেন।কিন্তু এদের রসায়ন ও ভালোবাসা কি পারবে নিজের দ্বিধা,বিভেদ ভুলে ফুল ফুটতে? আমার পাঠ অনুভূতি হলো দুটি মানুষের মিলনে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন ভালোবাসা,সহমর্মিতা ও Adjustments. জীবনে একজন loving, caring and understanding partner পাওয়া গেলে বাবার রাজকন্যাদের জীবন যাপন হয় সহজ।পৃথিবীতে যার বাবা মা থাকে তার চেয়ে বড় সৌভাগ্যবান কেউ নয়।কিন্তু যদি কারো বাবা মা না থাকে তবে?তার এই পৃথিবীর বুকে নিজের কষ্ট বলবার কেউ থাকে না।তাই সে মানুষ গুলো প্রিয়জন রূপে আঁকড়ে ধরে সঙ্গীকে।নিজের ত্যাগ তিতিক্ষার মাধ্যমে প্রিয় মানুষকে ভালো রাখতে চায়। এই গল্পে লেখিকা খুব চমৎকারভাবে দূর প্রবাসে থাকা মানুষের দিনাতিপাত ও তাদের যে প্রতিনিয়ত চলমান সংগ্রাম তার চিত্র অঙ্কন করেছেন।এছাড়াও প্রবাসে নিজের জীবনের ভাগ্যের চাকা ঘুরাতে এসে মানুষ শর্ট ম্যারিজ বা বিভিন্ন প্রতারণার আশ্রয় নেয় তা যেন গল্পের মধ্যে দুই চরিত্রের রসায়নে ফুটে উঠেছে।
গল্পটি ভীষণ ভালো লেগেছে.... শাকের আর রাফা দুজন ভিন্ন মেরুর মানুষ বিয়ে নামক একটি সম্পর্কে জড়িয়ে অনেক চড়াই-উতরাই পার করে সুখের ঠিকানা খুঁজে পায়। শাকের নিঃস্বার্থভাবে নিজের ভালোবাসার মানুষ টি আগলে রাখাতে যেমন মুগ্ধ হয়েছি তেমনি শাকের প্রতি রাফার একরোখা মনোভাব পড়ে ভীষণ রাগও লেগেছে। তবে দেখতে গেলে আমাদের সমাজে এমন অনেক রাফা বিদ্যমান যারা বাবার রাজকন্যা হয়ে জীবনের ব্যাপারে রঙ্গিন সব ন্যারেটিভ তৈরি করে ফেলে এবং ঐ অনুযায়ী জীবনে কিছু না ঘটলে তা সে মানতেই পারে না। তখন তাদের মধ্যে ভালো আর মন্দের পার্থক্য করা ক্ষমতা ও হারিয়ে যায়.... ফারহানা ইয়াসমিন আপুর লেখা বরাবরই ভীষণ ভালো লাগে আমার । ই-বুকটি ভালো লেগে❤। তবে গল্পের মাঝে মাঝে সামান্য কিছু টাইপিং মিসটেক আছে আশা রাখবো লেখিকা আপু এই ব্যাপারে পরবর্তীতে খেয়াল রাখবেন।
যে কয়জন লেখিকার বই বইটইয়ে প্রকাশিত হওয়ার পর আমি রিভিউ না দেখেই চোখ বন্ধ করে কিনে নেই তার মধ্যে ফারহানা আপু অন্যতম।সত্যি বলতে ইদানিং ওভার হাইপড রাইটারদের বই আর সেল দেখে বই কিনে আমি রীতিমতো হতাশায় নিমজ্জিত।এতো চমৎকার আর সাবলীল লেখনী আপুর,সেই তুলনায় ফ্যান ফলোয়ারবেশ কম।তারপর আপুর পাঠকদের ম্যাক্সিমামই আমার মতোই নিরব পাঠক,এন্ড হয়তোবা আমার মতো অলস ও😃😃!যাই হোক গল্পের রিভিউয়ে আসি।বরাবরের মতোই মানসম্মত আর সাবলীল লেখনী। গল্পের ৯০% সময় পর্যন্ত আমি তৃপ্ত। কিন্তু আপুর লেখনীর একনিষ্ঠ সমর্থক হিসেবে কেন জানি পুরোপুরি তৃপ্ত হতে পারছিনা।কেন জানি মনে হচ্ছে শাকেরের প্রতি রাফার অনুভূতির আরেকটু সচ্ছতা থাকা উচিৎ ছিলো মনে হয়। পাঠক হিসেবে আমি হয়তো আরেকটু বেশী খুশী হতাম,যদি বেবী হওয়ার পরপরই গল্প শেষ হয়ে যেত,আর গল্পের দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ আসতো। শাকের ডিজার্ভ টু গেট আ বেটার লাইফ এন্ড লাভিং ফ্যামিলি। আমি খুব করে চাই এই গল্পের দ্বিতীয় পরিচ্ছদ আসুক,আর রাফা একটু একটু করে শাকেরের প্রেমে ডুবে মরুক😃😃।