

"ওর মতো থার্ড ক্লাস, ডিভোর্সি মেয়েকে আমি…..!" যুবকের আক্রোশবিজারিত বাক্য পূর্ণ হলো না। হঠাৎ করে গালে শক্তপোক্ত হাতের থাপ্পড় পড়তেই একপাশে হেলে পড়ল যুবকের দীর্ঘ অবয়ব। ধীরলয়ে দৃষ্টি উঁচিয়ে সম্মুখে নিপাতিত করতেই চমকে গেল। শুধু রিদ নয়, বরং উপস্থিত প্রতিটি মানুষ এতটাই অবাক হলো যেন তাদের সম্মুখে পৃথিবীর অষ্টম আশ্চর্য দেখলেও তারা এতটা চমকাতো না। রিদের পুরো শরীর অসাড় হয়ে আসে। তার সম্মুখে দণ্ডায়মান তার বিশ্বস্ত বন্ধু, তার অমানিশার দীপ্তি, তার আত্মার আত্মীয় বাবা কারহান তাযিন। যে মানুষটার সামনে রিদের সাত খুনও মাফ হয়ে যায়। যার নিকট রিদ কখনো ভুল করেনি, আজ পর্যন্ত তাযিন তার ছেলের গায়ে ফুলের টোকাও লাগায়নি। এমনকি ছেলের দোষ থাকলেও সেটা বুঝিয়ে শুধরে দিয়েছে, ধমক পর্যন্ত দেয়নি। বাবার দেওয়া একটা থাপ্পড়ই যুবকের চোখে জল আনার জন্য যথেষ্ট ছিল। কাঁপাকাঁপা কণ্ঠে বলল, "বা..বা, তুমি আমাকে ওই মেয়েটার জন্য মারলে!"
"এই গল্প দ্বিতীয় ভালোবাসা রিলেটেড বেস্ট গল্প, আপন বাবা নাহয়েও যে এতো ভালোবাসা যায় তা তাযিনকে না পড়লে বোঝা যাবে না❤️❤️"
গল্পটা সত্যি অনেক সুন্দর ছিল সবচেয়ে বেশি ভালো লেগেছে তটিনি, কাই, এলেক্স, আরজু, তাজিন, ইরিনা ,ওদের ফ্রেন্ডশিপ। তারপরও বলবো সিজন ওয়ান বেস্ট ছিল সবচেয়ে। ❤️❤️🩹
Read all reviews on the Boitoi app
এই গল্প দ্বিতীয় ভালোবাসা রিলেটেড বেস্ট গল্প, আপন বাবা নাহয়েও যে এতো ভালোবাসা যায় তা তাযিনকে না পড়লে বোঝা যাবে না❤️❤️
অসাধারণ একটি গল্প।।। শূন্যতা শুয়ে পূর্ণতা।।। প্রথম গল্পটা অনেক সুন্দর হয়েছে আপু।।। অসাধারণ। শূন্যতা শুয়ে পূর্ণতা ২ গল্প টাই মাত্র কিনলাম এখনো পড়া হয়নি। তবে আশা রাখছি গল্পটা অনেক সুন্দর
মূলত আমি লেখিকার অন্য কোনো গল্প পরিণী এটাই প্রথম ছিল, আমার মুড তখন খুব খারাপ ছিল কিছুতেই মন বসাতে পারছিলাম না কিছুতেই, এরপর ইবুক টা পেলাম শুরুতে কেমন যেনো নায়িকার প্রথম স্বামীর প্রতি রাগ লাগলো কিন্তু পরক্ষণেই যখন ধীরে ধীরে গল্পটা পড়লাম আসল নায়কের এন্ট্রি হলো তখনি গল্পটার মজা বুঝলাম, এতো সুন্দর হয়েছে যেটা বলে বোঝাতে পারছি না, গতকাল সন্ধ্যা থেকে রাত তিন টা পর্যন্ত পড়েছি তার পরেও একটু বাকী ছিলো বাকিটা সকালে ঘুম থেকে উঠে আবারো বাকিটা পরে শেষ করেছি আমি কোনো গল্প পুরোটা না বলেই কিছু বলতে পারি না তবে এখন বলছি সত্যিই গল্পটা খুব সুন্দর ছিল প্রথম সিজন পরা হয়নি তবে দ্বিতীয়টা পরেই আমি আন্দাজ করতে পেরেছি না জানি প্রথমটা কত সুন্দর ছিল। সব শেষে একটাই কথা লেখিকাকে এতো সুন্দর একটা ইবুক দেওয়ার জন্য এতো গুলো ভালোবাসা। অনেক অনেক সুন্দর হয়েছে গল্পটা।
শূন্যতা ছুয়ে পূর্ণতা অসম্ভব সুন্দর একটি গল্প ছিল সেখানে যেমন আরজু,তটিনী, জিমিন,মিরিন,তাযিন,এলেক্স সবার ফ্রেন্ডশিপ মনে রাখার মতো ঠিক তেমন ভাবেই শূন্যতা ছুয়ে পূর্ণতা ২ রিদ,এমির,রিত, তরিনী এদের ফ্রেন্ডশিপ ও অসাধারণ ভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। তাযিন এর মতো বাবা যেন সবাই পায় রিদ তার নিজ সন্তান না হয়েও এত ভালোবাসা দিয়েছে তা সত্যি সুন্দর। রিদের তার বাবার প্রতি এত ভালোবাসা এত টান খুব ভালো লেগেছে। সে ভালো আছে তার বাবাকে নিয়ে, বাস্তবে এমন সুন্দর সংসার পাওয়া যাবে কিনা সন্দেহ। নিলাদ্রি নীলিমার মেয়ে প্রথমে রাগ হলেও পরে মনে হয়েছে মেয়েটা সত্যি অবুঝ, তাযিন তার ছেলের ড্রিম পুরন করেছে এনিমে জোন বানিয়েছে। তাদিলা আর তরিনী এর সাথে আরজু আর তটিণী-র মিল রয়েছে একদম দুজনেই মায়ের কপি পেস্ট অসাধারণ একটা গল্প প্রথম সিজন এর মতো এই সিজন ও অনেক সুন্দর হয়েছে। আরজুরা সুখি আছে তাদের সবার সুন্দর সংসার আছে রিদ ভালো আছে তার বাবার সাথে পরিপূর্ণ একটা সংসার পেয়েছে তারা। গল্পটা সুন্দর হয়েছে, আজীবন টিকে থাকুক তাদের বন্ধন। এই গল্প পরে আমারো লোভ জেগেছে এমন সুন্দর ফ্রেন্ডশিপ পাওয়ার 🥹👀 ভিলেন লেখিকা আপা আপনাকে ধন্যবাদ এত সুন্দর একটা গল্প দেওয়ার জন্য। দোয়া করি আপনারও এত সুন্দর একটা সংসার হোক আর তটিণী-র মতো ফ্রেন্ড হোক। 🤍🕊️
আপুর "শূন্যতা ছুয়ে পূর্ণতা" গল্পটি পড়ার পর খুবই ভালো লেগেছিল। তবে আমার বরাবরই পরবর্তী জেনারেশন মানে বাচ্চাকাচ্চার কাহিনী গুলো বেশি পছন্দের। "শূন্যতা ছুয়ে পূর্ণতা ২" আমাকে নিরাশ করেনি। হাসিয়েছে কাঁদিয়েছে। বিশেষ করে নীলাদ্রির প্রত্যেকটা সিনেই আমার চোখে জল এসে গেছে। তবে অবশেষে সবাই পূর্ণতা পেলো। শূন্যতা পেরিয়ে তাদের জীবন পূর্ণতায় পরিপূর্ণ। গল্পটা সত্যি অনেক অসাধারণ। এমন আরও অসাধারণ গল্পের আশায় থাকবো। আপুকে অনেক অনেক শুভকামনা 💖
সত্যি বলতে বুঝতে পারছি না কিভাবে রিয়াক্ট করব! এই গল্পটা আমার সব থেকে প্রিয় গল্প। তাযিন, আরজু আর রিদের কাহিনি এতোটা সুন্দর প্রথম সিজনে ছিল যে এখনো মনে গেথে আছে। গল্পটা পড়ে বরাবরই মনে হতো তাযিনের মতো বাবা হওয়া আদেও সম্ভব কি-না? কিভাবে সম্ভব যেখানে কত বাবা নিজের সন্তানকেও ভালোবাসে না সেখানে রিদ তো তার সন্তানই না। তবুও তাযিন রিদকে নিজের জীবনের থেকেও বেশি ভালোবাসে!পুরো উপন্যাস জগতে তাযিনের থেকে বেস্ট কেউ নেই,আপুকে ধন্যবাদ এতো সুন্দর একটা গল্প আর বাবা-ছেলের সম্পর্ককে আমাদের উপহার দেওয়ার জন্য