

“আপনার ছোট পাখিটা কে আমার হাতে তুলে দেবেন আম্মাজান? বিশ্বাস করুন তাকে অতিথি পাখির ন্যায় মুক্ত করে দেব না, ছুটে পালাতে দূর অজানায়, বরং আজীবনের জন্য তাকে আমার শিয়রে বেঁধে রাখব সযত্নে।” সুনামধন্য ভার্সিটির আচরণ-ব্যবহারে বিনয়ী, নিয়মে কঠোর, চেহারায় সুদর্শন, সুপুরুষ আর চমৎকার ব্যক্তিত্বের প্রফেসর জাওয়াদ পাটোয়ারী হাঁটু গেড়ে বসল তার একমাত্র হবু শাশুড়ি মা তৃপ্তি’র সামনে। সে বোধহয় প্রথম যে কিনা পাত্রীর বদলে পাত্রীর মাকে বিয়ের প্রপোজাল দিচ্ছে অনায়েসে। আমি অদিতি। আবার কারো অতিথি পাখি। কারো লিটল বার্ড। আবার কারো এক কাপ চায়ে কয়েকটা অপরাজিতা ফুল। এই ঘটনার সূচনা হয়েছিল কয়েক মাস পূর্বে। আমার ভার্সিটি থেকে। আমার নির্মল, দুঃখভারাক্রান্ত জীবনেও যে এমন গাম্ভীর্য ধারণকারী চমৎকার সুপুরুষ হানা দেবে কে জানত? যেমন সুপুরুষ পাওয়ার প্রতিটি মেয়ের স্বপ্ন, তীব্র আশা, আকাঙ্ক্ষা। সে সুপুরুষের হাতে হাত রেখে পাড়ি দেওয়া যায় যে কোনো বিষাক্ত, সরু পথ। যার কাঁধে ঠাঁই গুঁজে নেওয়া যায় স্বস্তির নিঃশ্বাস। যার বুকে মাথা রেখে কাটিয়ে দেওয়া যায় পুরো একটা দুঃখের জনম। যাকে চোখ বুঁজে বিশ্বাস করা যায়। সে সুপুরুষটি আমায় কোনোদিন কোনো ক্ষতির মুখোমুখি হতে দেবেই না। সকল বিপদে-আপদে আমার ঢাল হয়ে দাঁড়াবে। দাঁড়িয়েছে তো, প্রফেসর জাওয়াদ পাটোয়ারী আমার জীবনে ঢাল হয়ে এসেছে। চলুন তবে এই সুপুরুষ আর আমার গল্পটাই নাহয় আজ পড়ুন, জানুন। সম্পূর্ণ গল্পটি পাবেন শুধুমাত্র বইটই অ্যাপে।
গল্পটা অনেক ভালো লাগছে, এমন সুন্দর গল্প দেয়ার জন্য ধন্যবাদ, যেহেতু অসমাপ্ত তাই সমাপ্ত হওয়ার অপেক্ষায় থাকবো।
Read all reviews on the Boitoi app
পুরোটা পড়ার আগেই রিভিউ দিচ্ছি। কারণ আমি জানি মাহী পাখির গল্প মানেই বেস্ট আর ধামাকা☺️।