

তিনটি গল্পের সমন্বয়ে আমার এবারের বই "আনন্দ আয়না"। প্রথম গল্পটি হচ্ছে, টক্সিক ভালোবাসা! অতঃপর (একটি টক্সিক পরিবারের গল্প তুলে ধরা হয়েছে এখানে)। দ্বিতীয় গল্পটি হচ্ছে, স্বাধীনতা ও বিরহ (মুক্তিযুদ্ধের সময়ের একটি গল্প)। তৃতীয় গল্প হচ্ছে, আনন্দ আয়নাঘর (এই গল্পটির নাম দিয়েই বইটির নামকরণ করা হয়েছে)। আশাকরি পুরো বইটি পড়ে আপনাদের অনেক ভালো লাগবে, ইনশাআল্লাহ।

"জান্নাতুন নাহার চাঁদনীর ই-বুক “আনন্দ আয়না”-এর গল্পগুলো পড়ে শেষ করলাম। প্রথম গল্পটির নাম “টক্সিক ভালোবাসা”। আচ্ছা, যারা ভালোবাসে, তারাও কি কখনো টক্সিক আচরণ করতে পারে? ভালোবাসার সম্পর্ক কখন, কীভাবে টক্সিক সম্পর্কে পরিণত হয়—গল্পটি পড়তে পড়তে সেই প্রশ্নটা মনে জেগেছে। আর ছেলে-মেয়ে লালন-পালন করা, ঘর-সংসার সামলে রাখা যে কত বড় দায়িত্ব, সেই শ্রম ও দায়িত্বকে আর কতকাল অবহেলা করা হবে—এই প্রশ্নটাও গল্পের নায়কের কাছে রেখে যেতে চাই। দ্বিতীয় গল্প “স্বাধীনতা ও বিরহ”—মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়কে ঘিরে লেখা একটি সুন্দর গল্প। তবে সন্তান ও বউয়ের এমন পরিণতি একেবারেই আশা করিনি। গল্পটি তাই আলাদা এক ধরনের অনুভূতি তৈরি করেছে। আর শেষ গল্পটি “আনন্দ আয়না”—যে গল্পের নামে পুরো বইটির নামকরণ। গল্পটি পড়ে মনে হলো, যে মানুষটি সাজতে ভালোবাসে, তার সাজের কদর করার মানুষ হয়তো সবসময় পাশে থাকে না। অথচ যে মানুষটি একসময় নিজের সাজের কথাই ভুলে যায়, তাকে সাজিয়ে দিতে ব্যস্ত হয়ে ওঠে তার সন্তান। স্বামী আর সন্তানের ভালোবাসার এই পার্থক্যটুকু গল্পটিকে আরও আবেগময় করে তুলেছে। মায়ের আনন্দের জন্য সন্তানের কত সখ, কত স্বপ্ন—গল্পটি সেই ভালোবাসাটুকুই সুন্দরভাবে তুলে ধরেছে। তিনটি গল্পই আমার ভালো লেগেছে। গল্পগুলোকে পর্ব সংখ্যা না দিয়ে গল্প সংখ্যা হিসেবেও সাজানো যেতে পারত—এটা অবশ্য আমার ব্যক্তিগত মতামত। চমৎকার এই বইটির জন্য জান্নাতুন নাহার চাঁদনীর প্রতি রইলো আন্তরিক শুভকামনা। এরকম আরও সুন্দর লেখা উপহার দিবে—এই প্রত্যাশা রইলো।"
জান্নাতুন নাহার চাঁদনীর ই-বুক “আনন্দ আয়না”-এর গল্পগুলো পড়ে শেষ করলাম। প্রথম গল্পটির নাম “টক্সিক ভালোবাসা”। আচ্ছা, যারা ভালোবাসে, তারাও কি কখনো টক্সিক আচরণ করতে পারে? ভালোবাসার সম্পর্ক কখন, কীভাবে টক্সিক সম্পর্কে পরিণত হয়—গল্পটি পড়তে পড়তে সেই প্রশ্নটা মনে জেগেছে। আর ছেলে-মেয়ে লালন-পালন করা, ঘর-সংসার সামলে রাখা যে কত বড় দায়িত্ব, সেই শ্রম ও দায়িত্বকে আর কতকাল অবহেলা করা হবে—এই প্রশ্নটাও গল্পের নায়কের কাছে রেখে যেতে চাই। দ্বিতীয় গল্প “স্বাধীনতা ও বিরহ”—মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়কে ঘিরে লেখা একটি সুন্দর গল্প। তবে সন্তান ও বউয়ের এমন পরিণতি একেবারেই আশা করিনি। গল্পটি তাই আলাদা এক ধরনের অনুভূতি তৈরি করেছে। আর শেষ গল্পটি “আনন্দ আয়না”—যে গল্পের নামে পুরো বইটির নামকরণ। গল্পটি পড়ে মনে হলো, যে মানুষটি সাজতে ভালোবাসে, তার সাজের কদর করার মানুষ হয়তো সবসময় পাশে থাকে না। অথচ যে মানুষটি একসময় নিজের সাজের কথাই ভুলে যায়, তাকে সাজিয়ে দিতে ব্যস্ত হয়ে ওঠে তার সন্তান। স্বামী আর সন্তানের ভালোবাসার এই পার্থক্যটুকু গল্পটিকে আরও আবেগময় করে তুলেছে। মায়ের আনন্দের জন্য সন্তানের কত সখ, কত স্বপ্ন—গল্পটি সেই ভালোবাসাটুকুই সুন্দরভাবে তুলে ধরেছে। তিনটি গল্পই আমার ভালো লেগেছে। গল্পগুলোকে পর্ব সংখ্যা না দিয়ে গল্প সংখ্যা হিসেবেও সাজানো যেতে পারত—এটা অবশ্য আমার ব্যক্তিগত মতামত। চমৎকার এই বইটির জন্য জান্নাতুন নাহার চাঁদনীর প্রতি রইলো আন্তরিক শুভকামনা। এরকম আরও সুন্দর লেখা উপহার দিবে—এই প্রত্যাশা রইলো।
Read all reviews on the Boitoi app
খুব ভালো লেগেছে আনন্দ আয়না।তিন পর্বের চমৎকার তিনটি কাহিনী।প্রথম কাহিনীর মেয়েটার জন্যে খুব মায়া হলো। টক্সিসিটি যখন একটা মানুষের মনকে বিষিয়ে তোলে,পাশের মানুষটা তখন বাঁচার জন্যে হাসফাঁস করে। ২য় পর্বের নায়ক বিমলের আর তার ভালোবাসার হাত ধরে বাঁচা হলো না,স্বাধীনকেও দেখা হলো না। তবে শেষের পার্টটা ভীষণ সুন্দর লিখেছেন লেখিকা।ছেলেমেয়েরা যখন মায়ের পাশে দাঁড়ায়,মাকে বুঝে তখন সেই মা পুরো পৃথিবীটা হাতের মুঠোয় পেয়ে যান।
সহজ ভাষায় লেখা বইটি পড়ে ভালো লেগেছে। তিনটি গল্পই দাম্পত্য জীবন নিয়ে লেখা হলেও তিনটা তিন রকমের। প্রথম গল্পের চয়নের মতো এরকম টক্সিক পার্সন অনেকেই আছে যারা বুঝতেই চায় না তাদের সমস্যাটা। দ্বিতীয় গল্পের কত নাম না জানা বিনয় ও মালতীর ত্যাগের বিনিময়ে আমাদের স্বাধীনতা পেয়েছি। তৃতীয় গল্পটার শেষটা চমৎকার হয়েছে!