

আজলান শেখ জানালেন, তার স্ত্রী কথায় কথায় তার মতো বড়মাপের মানুষকে দামড়া, হলদে গন্ডার, বুড়ো খেঁচড় ডাকে। গালিগালাজ করে। উচ্চস্বরে কথা বলে। অকারণে হাসে। ভীষণ অগোছালো। পরিস্থিতি না বুঝে কথা বলে। মানসম্মানবোধ নেই। এমনকি বিবেচনাবোধও কম। আজলান শেখ তার এসব আচরণ সহ্য করতে পারেন না। কারণ, একটা সুস্থ-স্বাভাবিক মানুষের আচরণ কখনোই এমনটা হতে পারে না। আজলান শেখ আরও বললেন, "ধরুন, আপনি তাকে বললেন, 'তুমি একটু চুপ করো।' সে বলবে, 'চুপ করে থাকলে আমার পেটের ভেতর কথাগুলো বুদবুদ করতে থাকে। সেই থেকে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা হয়। গ্যাস্ট্রিক থেকে আলসার, আলসার থেকে ক্যান্সার, ক্যান্সার থেকে কবর। আর আমি কবরে গেলে নিশ্চয়ই তুমি আরেকটা বিয়ে করবে? ওই বউয়ের সাথে ঘুমাবে। বাচ্চা দেবে। তোমার ওই বউয়ের পেটটা এত বড় হবে। সে তোমাকে দেখামাত্র ন্যাকামি করবে। তুমিও তার সাথে ন্যাকামি করবে। কিন্তু মনে রেখো, আমি মরেও তোমাকে শান্তিতে সংসার করতে দেব না। মরে ভূত হয়ে ফিরে এসে তোমাদের সংসার আগুন জ্বালাবো।
"একদম পয়সা উসুল একটা বই। পড়ে এতো মজা পেয়েছি কি বলবো!!প্রথম খন্ডে তিথির প্রতি আজলানের তুচ্ছতাচ্ছিল্য,গর্ভাবস্থায় খোজঁ না নেওয়া আর বাবার ঘরে অর্থের কষ্টে মায়ের বিরক্তি,পরে শহরে আজলানের সাথে মুখোমুখি দেখা হওয়া পর্যন্ত তিথির জন্য খুব কষ্ট পেয়েছি।তারপর ওর ঘরে ফেরা,ডোডোর জন্ম থেকে দ্বিতীয় খন্ডের শেষ পর্যন্ত হাসতে হাসতে পেট ব্যাথা হয়ে গেছে।যদিও বাস্তবে তিথির মত চরিত্র আর আজলানের মত ধৈর্যশীল স্বামী হওয়া সহজ না।কিন্তু গল্প হিসেবে অনেক ভালো লেগেছে পড়ে।পুরো গল্পটাই বিনোদনের ডিব্বা।"
একদম পয়সা উসুল একটা বই। পড়ে এতো মজা পেয়েছি কি বলবো!!প্রথম খন্ডে তিথির প্রতি আজলানের তুচ্ছতাচ্ছিল্য,গর্ভাবস্থায় খোজঁ না নেওয়া আর বাবার ঘরে অর্থের কষ্টে মায়ের বিরক্তি,পরে শহরে আজলানের সাথে মুখোমুখি দেখা হওয়া পর্যন্ত তিথির জন্য খুব কষ্ট পেয়েছি।তারপর ওর ঘরে ফেরা,ডোডোর জন্ম থেকে দ্বিতীয় খন্ডের শেষ পর্যন্ত হাসতে হাসতে পেট ব্যাথা হয়ে গেছে।যদিও বাস্তবে তিথির মত চরিত্র আর আজলানের মত ধৈর্যশীল স্বামী হওয়া সহজ না।কিন্তু গল্প হিসেবে অনেক ভালো লেগেছে পড়ে।পুরো গল্পটাই বিনোদনের ডিব্বা।
Read all reviews on the Boitoi app