

কথাটা শুনে তিতলি ফুঁস করে নিঃশ্বাস ফেলল। মুখে তখনও অভিমানের রেশটুকু লেগে আছে। কিন্তু কয়েক মুহূর্ত পরেই তার সেই অভিমানী মুখটা ধীরে ধীরে শান্ত হয়ে এল। মনে হলো, ভেতরে জমে থাকা কোনো একটা প্রশ্ন অনেকক্ষণ ধরে ঠোঁটের কাছে এসে আটকে আছে। কীভাবে জিজ্ঞেস করবে, সেটাই বুঝে উঠতে পারছে না। অবশেষে সাহস সঞ্চয় করে তিতলি ধীর কণ্ঠে বলল, —“আচ্ছা... আপনি কি আমাদের বিয়েটা মন থেকে মেনে নিয়েছেন?” আহিয়ান এক মুহূর্তের জন্য চুপ করে রইল। তারপর ধীরে ধীরে তার দিকে তাকাল। তিতলির চোখে কৌতূহলের চেয়ে অনিশ্চয়তাই বেশি। যেন সে প্রশ্নের উত্তর শোনার আগেই সেই উত্তরের ভেতর নিজের জন্য কিছু একটা খুঁজে নিতে চাইছে। আহিয়ান অবশ্য বিষয়টাকে খুব স্বাভাবিকভাবেই নিল। তারপর শান্ত কণ্ঠে বলল, —“বিয়ে তো হয়ে গেছে। এখন মেনে নেওয়া ছাড়া আর উপায়টাই বা কী?”