

উষসী পালিয়েছে। ইয়ামিন ইব্রাহীম বিশ্বাস করতে পারছে না কথাটা। কোথায় পালাবে সে? কেনই বা পালাবে? হন্যে হয়ে সারা বাড়ি খুঁজে বেড়ায় সে, তবু উষসী নেই কোথাও। শুধু টেবিলের ওপর পড়ে থাকে তার ছোট্ট নোটবুক। কাঁপা হাতে লেখা কয়েকটা লাইন: "জীবনের গতিপথ পাল্টে যাওয়া, মরীচিকার পেছনে ছুটতে ছুটতে ক্লান্ত হয়ে পড়া, উদ্দেশ্য হারিয়ে ব্যর্থ হওয়া, তারপর নিজেকেও হারিয়ে ফেলা... আমি হেরে গেছি আমার কাছে।" সিংগার ইয়ামিন ইব্রাহীম তার সমস্ত খ্যাতি, সুর আর স্বপ্নের জগৎ ছেড়ে দিতে রাজি, শুধুমাত্র একটি নারীর একটুকরো ভালোবাসার বিনিময়ে। সে নারী উষসী। অভিমানী, জেদি, নিজেকে গুটিয়ে দেওয়াল তুলে দূরে সরে যেতে চাওয়া উষসী জানে না তার নিজের ভেতরের সত্যিটা। সে ভাবে, সে পারবে দূরত্ব নিয়ে বাঁচতে। কিন্তু ইয়ামিন জানে, উষসী নিজেও নিজেকে যতটা চেনে না, তার চেয়ে বেশি চেনে সে তাকে।
"মনস্তাত্ত্বিক টানা পোড়নের গল্প। সম্পর্কের জটিলতা, ভুল বুঝাবুঝি, প্রগাড় অভিমান যে কিভাবে মনটাকে বিষাক্ত, তীক্ত করে ফেলে তার বাস্তব উদাহরণ। প্রতিটি চরিত্র, মুহুর্তগুলো, কথোপকথন সব কিছুই চমৎকারভাবে আবেগকে চিত্রায়িত করেছে। ইয়ামানের অপরিসীম ধৈর্য পাঠককে মুগ্ধ করতে বাধ্য। উষসীর মতো মিষ্টি, বাধ্য মেয়ে কি পরিমাণ ট্রমায় চলে গেলে এরকম পাগলামি করতে পারে! শেষের ঝটকাটা দু'জনের জন্যই দরকার ছিল। প্রতিটা মুহূর্ত উপভোগ্য ছিল। ঝগড়াগুলে এত বাস্তব ছিল সেই সাথে রোমান্টিকও। এককথায় দারুণ লাগলো!"
মনস্তাত্ত্বিক টানা পোড়নের গল্প। সম্পর্কের জটিলতা, ভুল বুঝাবুঝি, প্রগাড় অভিমান যে কিভাবে মনটাকে বিষাক্ত, তীক্ত করে ফেলে তার বাস্তব উদাহরণ। প্রতিটি চরিত্র, মুহুর্তগুলো, কথোপকথন সব কিছুই চমৎকারভাবে আবেগকে চিত্রায়িত করেছে। ইয়ামানের অপরিসীম ধৈর্য পাঠককে মুগ্ধ করতে বাধ্য। উষসীর মতো মিষ্টি, বাধ্য মেয়ে কি পরিমাণ ট্রমায় চলে গেলে এরকম পাগলামি করতে পারে! শেষের ঝটকাটা দু'জনের জন্যই দরকার ছিল। প্রতিটা মুহূর্ত উপভোগ্য ছিল। ঝগড়াগুলে এত বাস্তব ছিল সেই সাথে রোমান্টিকও। এককথায় দারুণ লাগলো!
Read all reviews on the Boitoi app
আহ্!! শান্তি। ফেসবুকে যেই কষ্ট দিয়েছিলে তা কমল আমার।এতোদিনের কষ্টটা ই-বুক পড়ে কমল।আমার প্রিয় উষসী আর ইয়ামিনের সুন্দর একটা সংসার ফাইনালি!!