

‘বৃষ্টিমুখর রাত (দ্বিতীয় খণ্ড)’ উপন্যাসটি অপহৃত তরুণী তানিশা (পরী)-র ওপর চলা অমানুষিক নির্যাতন এবং তাকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা এক আন্তর্জাতিক অপরাধচক্রের রহস্য উন্মোচনের গল্প। একটি সিসিটিভি ফুটেজের অস্পষ্ট ক্লু ধরে তদন্তে নামেন এসআই বিলকিস। অন্যদিকে, কেমিক্যাল ও সুগন্ধিবিদ্যায় পারদর্শী শোভন জানতে পারে, পরী কোনো সাধারণ পাচারকারীর হাতে নয়, বরং ডার্কনেট সিন্ডিকেটের ‘দ্য গোস্ট’ নামের এক অদৃশ্য মাস্টারমাইন্ডের শিকার হয়েছে। সমুদ্রগামী এক জাহাজে বন্দি তানিশা নিজের জীবন বাজি রেখে মাঝসমুদ্রে ঝাঁপ দেয় এবং ভাগ্যক্রমে একটি নির্জন চরে ভেসে ওঠে। ভ্লগার রক্তিম ও ডাক্তার ফারহানের সহায়তায় এনজিও প্রধান রুমানা সিদ্দিকের সিক্রেট ইউনিটে তানিশাকে বাঁচানোর লড়াই শুরু হয়। কিন্তু তানিশার শরীরে বসানো ‘বায়ো-ট্র্যাকার চিপ’-এর কারণে আন্তর্জাতিক অস্ত্রধারী খুনিরা সেখানেও হামলা চালায়। চূড়ান্ত লড়াইয়ে শোভন তার তৈরি বিশেষ নিউরোটক্সিন গ্যাস ব্যবহার করে নিজেকে চরম ঝুঁকিতে ফেলে পুরো আন্তর্জাতিক গ্যাংকে পরাস্ত করে।