

দ্বিতীয়বার প্রশ্ন তুললো মীরা, --'কিন্তু বৃষ্টি তো ওনার শালিকা ছিল সম্পর্কে।তাহলে কীভাবে কি সম্ভব? --'বৃষ্টির শুরু থেকেই আজওয়াদের উপর নজর ছিল মীরা।ওর পছন্দ হয়েছিল আজওয়াদকে।কিন্তু আজওয়াদের পরিবার আমাকে বেঁচে নিয়েছিল সেদিন। মীরা জিজ্ঞেস করল, --'আর আপনাদের সম্পর্কটা? মেঘা কিছুক্ষণ থেমে বললো, --'আজওয়াদ আমাকে পছন্দ করে বিয়ে করেছিল।ভার্সিটি থেকে ওর আমাকে পছন্দ।সেই থেকে আজওয়াদ আমাদের বাড়িতে বিয়ের প্রস্তাব রাখে।তবে,মা অবশ্য বিয়েতে রাজি ছিলেন না।কারণ ওনি চাইতেন না আমার ভালো ঘরে বিয়ে হোক। --'ওনি না আপনার নিজের মা? বোধহয় বারুদে আগুন ধারানোর মতোই কাজ করলো এই এক প্রশ্নতে।তাও নিজেকে দমিয়ে দীর্ঘ শ্বাস ছেড়ে মেঘা বলে উঠলো, --'শুধু গর্ভে ধারণ করলেই মা হওয়া যায় না মীরা! --'ঠিক বোঝলাম না! নোটবার্তাঃ- জানতে আগ্রহ জাগে না, নিজের বউয়ের আড়ালে পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়ে এক স্বামী,আর সেই পরকীয়ার মানুষটিই হয় তার নিজের শালী।অর্থাৎ বড় বোনের সংসার নষ্ট করে তার স্বামীকেই নিজের করে নেয় ছোট বোন।কেনো ঘটলো এই অসম্ভব ঘটনা?আর এই প্রেমের ফাঁদের পেছনের রহস্যই বা কি?এমনকি ছোট্ট মেঘ বড় হওয়ার পর আজওয়াদ মেয়ের সামনে কোন মুখে দাঁড়িয়েছিল?তখন কি উত্তর দিয়েছিল মেয়েকে?যে,তার বাবা পরকিয়া করে তার মায়ের বোনকে বিয়ে করে মাকে বাড়ি থেকে বের করে দিয়েছিল সেদিন?নাকি অন্য কিছু?তারপর কি কি হলো সব জানতে পড়ুন "অব্যক্ত প্রেমের কাব্য" দ্বিতীয় খন্ড।