

পরিবারের সবচাইতে ছোটো মেয়ে ছুটি হুট করে মিতাভাইয়ের প্রেমে পড়ে গেল। মিতাভাইও প্রেমে পড়েছিল, তবে পাশের বাড়ির কনকের। শিল্পপতি বর পেয়ে বিয়েও করে ফেলল কনক। দুঃখে মিতাভাই সুইসাইডের চেষ্টা করল। লাভ হলো না, হাসপাতালে যেতে হলো তাকে। হাসপাতালের বেডে শুয়ে থাকা মিতাভাইকে ছুটি ভয় দেখাল, তার এই আত্মহত্যার চেষ্টা কীভাবে ভবিষ্যতে কনকের সংসার বরবাদ করতে পারে। সাথে বুদ্ধি দিল, তার এখন বিয়ে করা দরকার—এমন কাউকে, যে কখনো স্ত্রীর অধিকার চাইবে না। গণিতের প্রভাষক, সরল মিতাভাইয়ের মস্তিষ্কের সমীকরণের সবচাইতে সহজ সমাধান ছিল ‘ছুটি’। হাসপাতালেই বিয়ে হয়ে গেল মিতাভাই আর ছুটির। কিন্তু তারপর? মিতাভাই তো ছুটিকে ভালোবাসেনি! ভালোবাসাহীন সেই সম্পর্কটা কেমন ছিল? মিতাভাইয়ের একটু ভালোবাসা পেতে চাওয়া ছুটির চাতক প্রতীক্ষার বর্ষা কি নেমেছিল কোনোদিন?
উফ্ফ কি লিখবো!!! এক কথায় অসাধারণ, অসাধারন! মিতাভাই, ঐন্দ্রিলা, জাবির আর ঐন্দ্রিলার মিজাভাই, সবাই মিলে আমার মাথা আউলাইয়া দিছে.. .❤️❤️❤️❤️❤️
Read all reviews on the Boitoi app