

“তোমার বাগানের কিছু স্ট্রবেরি চুরি করব। বেশি না অল্প।” বলেই আবারও খিলখিল করে হেসে উঠল অরোরা। নওরোজ খপ করে হাত ধরে টেনে আনল অরোরাকে। অরোরা এখন গুটুর গুটুর করে তাকিয়ে আছে তার দিকে, তবে মুখে এখনো দুষ্টুমি ভরা হাসি। নওরোজ এবার তার মুখের কাছাকাছি নিজের মুখ এনে বলল, “দিতে পারি, তবে শর্ত আছে।” অরোরা ঠোঁট বাঁকিয়ে জিজ্ঞেস করল, “কী?” নওরোজ দুষ্টুমি হেসে অরোরার মুখে আলতো করে ফুঁ দিয়ে বেবি হেয়ারগুলো সরিয়ে বলল, “বকশিশ।” দুষ্টুমি নওরোজের চোখে-মুখেও। অরোরাও দুষ্টুমি হেসে আচমকা নওরোজের সিগারেট পোড়া কালচে ঠোঁট আঁকড়ে ধরে। হতভম্ব হয়ে হুশ হারায় নওরোজ। সেকেন্ড পরেই নওরোজকে ধাক্কা দিয়ে খিলখিলিয়ে হেসে ছুটে পালায় অরোরা। এবার অরোরার পেছন পেছন ছুটে নওরোজও... ফরফরিয়ে ঘুম থেকে জেগে ওঠে নওরোজ। ঘেমে একাকার অবস্থা। এ সব কী বিশ্রী স্বপ্ন দেখছে আজকাল! শীঘ্রই ডাক্তার দেখাতে হবে! নওরোজ গাড়ির সিটে হেলান দিয়ে চোখ বুজে আছে। গাড়ি চালাচ্ছে জাহিদ। সে বুঝে উঠতে পারছে না ভাই হঠাৎ যাদবপুরে যাচ্ছে কেন। এদিকে নওরোজ মনে মনে বলে উঠল, “যে রোগ দিয়েছে, তার কাছেই যাব। সেই চিকিৎসা দেবে, ফ্রি ওষুধও দেবে। নইলে ঠুস করে গুলি করে দেব। কোনো ডাক্তার-ফাক্তারের কাছে আর যাচ্ছি না...”