

জানিয়ে রাখি—বই-চোর গতকালই মারা গেছে। লিজেল মেমিঙ্গার অনেক দীর্ঘ জীবন পেয়েছিল। মোলশিং আর হিমেল স্ট্রিটের পতন থেকে বহু দূরের এক জায়গায়। সে মারা গেছে সিডনির এক উপশহরে। বাড়ির নম্বর ছিল পঁয়তাল্লিশ—ফিডলারদের আশ্রয়ের মতোই। আকাশ ছিল তখন একেবারে ঝকঝকে নীল। তার পাপার মতোই, তার আত্মা উঠে বসেছিল। শেষ দর্শনে সে দেখেছিল তার তিন সন্তান, তার নাতি-নাতনি, তার স্বামী, আর সেই দীর্ঘ জীবনের তালিকা যারা তার জীবনের সঙ্গে মিশেছিল। তাদের মধ্যে লণ্ঠনের মতো জ্বলছিল—হ্যান্স আর রোজা হিউবারম্যান, তার ভাই, আর সেই ছেলেটি যার চুল চিরকাল লেবুর রঙেরই রয়ে গিয়েছিল। কিন্তু আরও কিছু দৃশ্যপট ছিল। চলো আমার সঙ্গে। আমি তোমাকে একটা গল্প বলব। আমি তোমাকে কিছু দেখাব।