

‘তোর কি আমার সাথে যেতে খারাপ লাগছে?’ শ্রাবণের প্রশ্নে প্রেয়সী তাকাল। সে ঠোঁট এলিয়ে হেসে জবাব দিল, ‘নাহ। প্রতিটা মেয়ের স্বপ্ন স্বামীর সাথে আলাদা একটা ছোট্ট সংসারের। আমারও তাই। এইভাবে তো আমি সুযোগটা পাচ্ছি। শুধু কষ্ট হচ্ছে আপন মানুষগুলোকে ছেড়ে যেতে।’ ‘তুই আমাকে স্বামী হিসেবে মানিস?’ শ্রাবণ আবারও প্রশ্ন করল। প্রেয়সী বুঝল না স্বামীর প্রশ্নগুলোর কারণ। তবে ধৈর্য ধরে উত্তর দিল সে। ‘আমি না মানলেও আপনি আমার স্বামী।’ প্রেয়সীর কথার জবাবে নীরব রইল শ্রাবণ। কিছু একটা বলার প্রস্তুতি নিচ্ছে হয়তো। প্রেয়সী ঘাঁটাল না তাকে। হুট করেই শ্রাবণ তার বাহু চেপে ধরে তাকে নিজের দিকে ঘুরিয়ে বলল, ‘আমি তোকে ভালোবাসি, প্রেয়সী।’ প্রেয়সী কয়েক মুহূর্তের জন্য থমকাল। পলক না ফেলেই তাকিয়ে রইল। প্রেয়সীকে এভাবে থম মেরে থাকতে দেখে শ্রাবণ অস্থির হয়ে উঠল। তার শরীর নাড়িয়ে বলল, ‘কী হলো, জবাব দে।’ প্রেয়সী জবাব দিল না। ছোট করে বলল, ‘কবে থেকে?’ গলা শুকিয়ে আসছে তার। শ্রাবণ এবার সোজা হয়ে বসল। চোখ বন্ধ করে নিয়ে বলতে থাকল, ‘যেদিন হৃদিকে নিয়ে দেশে এসেছিলাম। সেদিনই তোকে প্রথম দেখেই ভালোবেসে ফেলি।’